০৮:২৭ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারুফা আক্তার (৪৫) নামের এক নারীর হত্যার অভিযোগ তাঁর স্বামী কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে। সোমবার সকালে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ঘাতক স্বামী কুদ্দুস মিয়া পলাতক রয়েছেন। নিহত মারুফা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের তাহের মিয়ার মেয়ে এবং কুদ্দুস মিয়ার তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের বিয়ে হয়েছিল প্রায় এক মাস আগে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কুদ্দুস মিয়া একজন মাদকসেবী ছিলেন এবং প্রায়ই স্ত্রীর ওপর নেশার কারণে নির্যাতন চালাতেন। রোববার রাতে কুদ্দুস তাঁর স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। মারুফা টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে মারধর করা হয়। সোমবার সকালে ঘরের ভেতর মারুফার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে স্থানীয়রা সন্দেহে পড়েন। একপর্যায়ে ঘরের ভেতর থেকে মোবাইল ফোনের রিংটোন শুনে স্থানীয়রা ভেতরে প্রবেশ করে মারুফার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান এবং পুলিশকে খবর দেন। পরিবারের অভিযোগ, মাদকাসক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া নেশার টাকার জন্যই মারুফাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম এ বিষয়ে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বামীর গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন