১১:১৬ এম
মানিকগঞ্জে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি সরকারি ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা বিক্রির ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ট্রাকসেল কার্যক্রম চালু করেছেন এবং ৯ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এই প্রকল্পের আওতায় সড়কগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বেতিলা-মিতরা ধলেশ্বরী ব্রিজ ভায়া মকিমপুর জিপিএস অ্যান্ড জে কে হাইস্কুল সড়কের ৩.৪ কিলোমিটার অংশ; ২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুবাইল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সৈয়দপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত ১.৪ কিলোমিটার সড়ক; এবং ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বেংরই ইসমাইলের বাড়ি থেকে মাকাই ঘোষবাড়ি পর্যন্ত ১.৪৫ কিলোমিটার সড়ক। তিনটি সড়কের উন্নয়নকাজে মোট ৯ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব সড়কের উন্নয়নের ফলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ হবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: পেট্রাপোলে বিজিবি ও বিএসএফের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত
সড়কের উন্নয়নকাজের মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "সরকারি অর্থ জনগণের অর্থ। তাই প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখতে হবে।" কাজগুলো যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে সচেতনভাবে বুঝে নিতে হবে। কোথাও কাজের মান নিয়ে অসংগতি বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। উন্নয়নকাজ শুধু সম্পন্ন করলেই হবে না, তা যেন টেকসই ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা বিক্রির ওএমএস কার্যক্রম এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।" জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ এসব কার্যক্রমের সুফল ভোগ করতে পারেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বিপিএম, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী নাসরিন, সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আরও পড়ুন: দেবর-ভাবির অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় স্বামী-স্ত্রীকে খুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন