মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২১ এম
বিশ্ব খাদ্য দিবসে প্রশ্নটি শুধুমাত্র পেট ভরানোর বিষয় নয়, বরং আমরা কী খাচ্ছি এবং সেই খাবার সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান কতটুকু, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ছোটবেলায় ঐকিক নিয়ম শিখেছিলাম। এক কেজি চালের দাম জানা থাকলে দুই কেজির দাম কত, তা সহজেই বের করা যায়। একটি জানা তথ্য থেকে অজানা হিসাব বের করার এই সহজ নিয়মটি তখন পরীক্ষার খাতাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। বড় হয়ে বুঝতে পারছি, জীবনের অনেক জটিল প্রশ্নের উত্তরও কখনো কখনো এমন সহজ হিসাবের মধ্যে লুকিয়ে থাকে।
ধরা যাক, একটি খাবারে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা সহজেই জানা গেল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে খাবারটির পুষ্টিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেল। আর কেনার মুহূর্তে ভোক্তা যদি তথ্যটি বুঝতে পারেন, তাহলে কি খাবার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত আরও সচেতন হতে পারে না? এই ভাবনা থেকেই ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং বা এফওপিএল-এর প্রয়োজনীয়তা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, যেখানে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনের অংশে সহজবোধ্য পুষ্টি-তথ্য কিংবা প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘Innovate today. Nourish tomorrow’ যা বাংলায় ‘আজই উদ্ভাবন করুন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিত করুন’। এই প্রতিপাদ্যটি আমাদের খাদ্যব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দেয়। উদ্ভাবন মানে শুধু নতুন ফসল উৎপাদন বা কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং মানুষকে খাবার সম্পর্কে সঠিক তথ্য বুঝতে এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, এমন ব্যবস্থাও উদ্ভাবনের অংশ।
পেট ভরলেই কি পুষ্টি নিশ্চিত হয়?
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে অল্প টাকায় চিপস, বিস্কুট, নুডলস কিংবা মিষ্টি পানীয় পাওয়া যায়। ব্যস্ত জীবন, রান্নার সময়ের অভাব, স্বাদের আকর্ষণ কিংবা পরিবারের সীমিত বাজেট, বিভিন্ন কারণে এসব খাবার অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু কোনো খাবার সস্তা বা সহজলভ্য হলেই যে তা পুষ্টিকর, এমন নয়।
স্কুল থেকে ফেরার পথে একটি শিশু কয়েক টাকার চিপস কিনছে। কর্মব্যস্ত দিনের ফাঁকে কেউ প্যাকেটজাত নুডলস খাচ্ছেন। দৃশ্যগুলো আমাদের পরিচিত। এসব খাবার কেনার পেছনে ব্যক্তিগত পছন্দ যেমন আছে, তেমনি সময়, সামর্থ্য ও বিকল্পের প্রশ্নও রয়েছে। তাই মানুষ কী খাচ্ছে, শুধু তা জানলেই হবে না; কেন সেই খাবার বেছে নিচ্ছে এবং খাবার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
খাদ্যনিরাপত্তা মানে শুধু খাবারের প্রাপ্যতা নয়। খাবারটি পুষ্টিকর কি না, তার দাম মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে কি না এবং ভোক্তা সেটি সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাচ্ছেন কি না, এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবার অনেকের নাগালের বাইরে থাকলে শুধু ব্যক্তিকে ভালো খাবার বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বাজারে সহজলভ্য প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়ার সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এসব ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজন এমন খাদ্যপরিবেশ, যেখানে মানুষ সহজে তথ্য বুঝতে পারবেন এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
উদ্ভাবন শুধু উৎপাদনে নয়, তথ্য বোঝার সুযোগেও।
২০২৬ সালের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্যটি পড়লে প্রথমেই কৃষি, খাদ্য উৎপাদন কিংবা নতুন প্রযুক্তির কথা মনে হতে পারে। কিন্তু উদ্ভাবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র রয়েছে, আমরা কী খাচ্ছি, তা সহজে বোঝার সুযোগ তৈরি করা। আর সেখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং, অর্থাৎ প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনের অংশে সহজবোধ্য পুষ্টি-তথ্য বা সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থা।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা যথেষ্ট স্পষ্ট। জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথ প্রতিবেদন The State of Food Security and Nutrition in the World 2026 অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের প্রায় ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য রাখেননি, সংখ্যায় যা প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ২৬ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ মাঝারি বা তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছিলেন। অর্থাৎ, আমাদের খাদ্যচ্যালেঞ্জ শুধু খাবারের প্রাপ্যতা নয়; পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার সামর্থ্যও বড় প্রশ্ন।
এই বাস্তবতায় প্যাকেটজাত খাবার সম্পর্কে স্পষ্ট পুষ্টি-তথ্য পাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একটি পণ্যের দাম বা স্বাদ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ। কিন্তু তাতে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা দ্রুত বোঝা সব সময় সহজ নয়। প্যাকেটের পেছনে লেখা পুষ্টি-তথ্য ছোট অক্ষরে থাকলে, ভাষা দুর্বোধ্য হলে কিংবা তথ্য খুঁজে পেতে সময় লাগলে কেনার মুহূর্তে তা ভোক্তার সিদ্ধান্তে কতটা কাজে আসে, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
এখানেই এফওপিএলের গুরুত্ব। প্যাকেটের সামনের অংশে সহজে চোখে পড়ে এমন পুষ্টি-তথ্য বা নির্ধারিত মান অনুযায়ী সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তা দ্রুত বুঝতে পারেন, কোনো পণ্যে নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ বেশি কি না। এতে বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে। এফওপিএল ভোক্তার হয়ে সিদ্ধান্ত নেবে না; বরং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে বুঝতে সাহায্য করবে।
আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি
বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্যের সঙ্গে এফওপিএলের যোগসূত্র এখানেই। উদ্ভাবন মানে সব সময় নতুন কিছু তৈরি করা নয়; বিদ্যমান ব্যবস্থাকে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কার্যকর করে তোলাও উদ্ভাবন। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি খাবার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে বোঝার সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।
বাংলাদেশে প্যাকেটজাত খাদ্যের লেবেলিং নিয়ে নীতিগত কাজ এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জনমত গ্রহণের জন্য খসড়া নিরাপদ খাদ্য (প্যাকেটজাত খাদ্যের লেবেলিং) প্রবিধানমালা প্রকাশ করেছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পরামর্শ ও আলোচনা শেষে খসড়াটি আরও প্রক্রিয়াকরণের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি; তবে প্রক্রিয়াধীন খসড়াকে কার্যকর প্রবিধান হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
এখন প্রয়োজন জনস্বাস্থ্য, পুষ্টিবিজ্ঞান, ভোক্তা অধিকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং খাদ্যশিল্পের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর গঠনমূলক অংশগ্রহণের মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা বিজ্ঞানভিত্তিক, বাস্তবায়নযোগ্য এবং ভোক্তার জন্য কার্যকর। নির্ধারিত মান অনুযায়ী প্যাকেটের সামনের অংশে সহজবোধ্য সতর্কবার্তা নিশ্চিত করা গেলে তা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্য প্রস্তুতকারকদের পণ্যের উপাদান পুনর্বিবেচনা ও পুষ্টিগত মানোন্নয়নের জন্যও উৎসাহিত করতে পারে। এর সুফল পেতে প্রয়োজন যথাযথ নিয়ম, বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।
ছোটবেলার ঐকিক নিয়মের কথায় ফিরে আসি। একটি সঠিক তথ্য থেকে আরেকটি হিসাব করা যায়। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে শুধু তথ্য জানা যথেষ্ট নয়; সেই তথ্য মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হয়। প্যাকেটের গায়ে প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা সেই কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে।
‘আজই উদ্ভাবন করুন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিত করুন’ এই আহ্বান বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভোক্তার জানার অধিকার এবং সচেতনভাবে খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এফওপিএলকে কার্যকর ও বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
আজ খাবারের তথ্য সহজবোধ্য করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগামী প্রজন্মের আরও সচেতনভাবে খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, পুষ্টিকর ভবিষ্যৎ শুধু বেশি খাবার উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে না; মানুষ কী খাচ্ছি, তা বুঝতে পারার সুযোগের ওপরও নির্ভর করে। আর সেই সুযোগ নিশ্চিত করা ব্যক্তি, সরকার, খাদ্যশিল্প ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন দফতর, সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন প্রতিদিন নানা কর্মসূচি পালন করে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে কী কী আছে, তা দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি
সকাল পৌনে ৯টায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে একটি র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
জাতীয় প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপের উদ্বোধন
সকাল ১০টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ন্যাশনাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ (এনপিএপি) বাংলাদেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক
দুপুর ১টায় রাজধানীর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী সোয়ের্ড সোয়ের্ডসমা বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গাছপালা কাটা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্দেশ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো সোমবার (১২ অক্টোবর) পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়।
রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-এর গংগাচড়া জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুড়িরহাট উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি ফিডারে জরুরি গাছপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তবে গংগাচড়া বাজার এবং এর আশপাশের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হলে যেকোনো সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হতে পারে।
এদিকে, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-বিমানবন্দর জানায়, বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য ১১ কেভি বাইপাস ও পোস্টাল ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
১১ কেভি বাইপাস ফিডারের আওতাধীন ওমরপুর, কুচপাড়া, মাস্টারপাড়া, নামোপাড়া এবং সার্ভে কলেজ থেকে খড়খড়ি পর্যন্ত এলাকায় সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে, ১১ কেভি পোস্টাল ফিডারের আওতাধীন নওদাপাড়া, মধ্য-নওদাপাড়া, মেহেরের মিল বটতলা, তালপুকুরপাড়া, কয়েদারাসহ শিল্পীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
নেসকোর রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সুরঞ্জিত কুমার দাস জানিয়েছেন, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছপালা কর্তনের জন্য মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তালাইমারী, মতিহার, ধরমপুর, ফলতলা, কাজলা, বিনোদপুর, মির্জাপুর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩৩ কেভি লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইনের আশপাশের গাছপালা কর্তনের কাজের জন্য সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উলিপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। তবে কাজ শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে পারে।
উলিপুর জোনাল অফিসের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম, অ. দা.) চিরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের টেস্টের শেষ দিন। রাতের বেলায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ক্রিকেট
জাতীয় ক্রিকেট লিগ
সিলেট–ঢাকা
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
ময়মনসিংহ–রংপুর
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
খুলনা–রাজশাহী
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
চট্টগ্রাম–বরিশাল
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
আবুধাবি টেস্ট: ৫ম দিন
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান
দুপুর ১২টা, টি স্পোর্টস
ডারবান টেস্ট: ৫ম দিন
দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া
বেলা ১–৩০ মি., ট্যাপম্যাড
৩য় টি–টোয়েন্টি
পাকিস্তান–শ্রীলঙ্কা
সন্ধ্যা ৭টায় ট্যাপম্যাডে ম্যাচটি সম্প্রচারিত হবে, যা পিটিভি স্পোর্টসে দেখা যাবে।
ফুটবল
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
সাবাহ–স্লাভিয়া প্রাগ
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
লাঁস–স্পোর্তিং
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
আর্সেনাল–লিল
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ১
অ্যাতলেটিকো–ম্যান ইউনাইটেড
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ২
গালাতাসারাই–বার্সেলোনা
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, তাই নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো-
জোহর- ১১:৪৯ মিনিট
আসর- ০৩:৫৭ মিনিট
মাগরিব- ০৫:৩৯ মিনিট
এশা- ০৬:৫২ মিনিট
ফজর নামাজের সময় আগামীকাল ০৪:৪১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ-
যোগ করতে হবে:
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
বিয়োগ করতে হবে:
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ