ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ আমিরাতপ্রবাসী বাংলাদেশিদের


১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ আমিরাতপ্রবাসী বাংলাদেশিদের

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা দেশে বিনিয়োগ করতে ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা দীর্ঘদিনের যে ভিসা জটিলতা রয়েছে তা দূর করতে এবং ভিসা বাতিলের কারণে দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের দ্রুত আমিরাতে ফেরার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনআরবি সিআইপি এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এসব দাবি উপস্থাপন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রবাসী ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল ও এআইভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং, ড্রাই ফুড প্রসেসিং ও প্যাকেজিং, ই-রেন্টাল সেবা, সোলার প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পর্যটন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। তারা বলেছেন, সরকার যদি দ্রুত অনুমোদন, বিনিয়োগ সুরক্ষা, জমি বা লিজ সুবিধা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং কার্যকর ওয়ান-স্টপ সেবা নিশ্চিত করে, তাহলে এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়ন সম্ভব।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫২২ জন

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, তারা ইতোমধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে বৈঠকের একটি কর্মসূচি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ধরনের ভিসা জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষভাবে বলা যায় যে, প্রায় ১২ বছর ধরে অভ্যন্তরীণ মালিক বা স্পন্সর পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ থাকায় অনেক কর্মী কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিয়ে বিপদে রয়েছেন।

বাংলাদেশ ও আমিরাত সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এই সুযোগ পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভিসা বাতিলের কারণে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী দেশে আটকে পড়েছেন বলে তারা দাবি করছেন। আটকে পড়া এসব প্রবাসীর অনেকের চাকরি, ব্যবসা এবং পরিবার আমিরাতে রয়েছে। তারা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন যাতে আটকে পড়া প্রবাসীদের তালিকা তৈরি করে আমিরাত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হয় এবং তাদের দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়।

প্রবাসীদের সেবা আরও কার্যকর করার জন্যবাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটে দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং প্রবাসীবান্ধব কর্মকর্তা নিয়োগ, ২৪ ঘণ্টার জরুরি হেল্পলাইন চালু, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রবাসী সহায়তা সেল গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ১৫ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভিসা জটিলতা নিরসন, বিদেশগামী কর্মীদের ভাষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ, সবার জন্য প্রবাসী কার্ড, স্থানীয় আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মৃত প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনা, রেমিট্যান্স প্রণোদনা বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী বিমান ভাড়া, বিনিয়োগ সুরক্ষা, সহজ ঋণ ও বীমা সুবিধা নিশ্চিত করা।

প্রতিনিধি দলের পক্ষে মোহাম্মদ রুবেল সিআইপি বলেন, “প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের উৎস নন; তারা বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, বিনিয়োগকারী এবং উন্নয়ন সহযোগী।” তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত ১ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে দেশে নতুন শিল্প, কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভিসা জটিলতা ও দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে।

আরও পড়ুন: কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধে দুই শতাধিক ‘শত্রু বিমান’ ভূপাতিতের দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


যুদ্ধে দুই শতাধিক ‘শত্রু বিমান’ ভূপাতিতের দাবি ইরানের

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, ২০০টির বেশি ‘শত্রু বিমান’ ভূপাতিত করা হয়েছে।

বাহিনীটির উপপ্রধান মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি উল্লেখ করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক এবং অন্যান্য ধরনের অভিযানের প্রতিউত্তরে এসব বিমান ভূপাতিত হয়।

ইজাদি বলছেন, ইরানের জনগণের ‘মূল্যবান প্রতিরোধ’ এবং সামরিক প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ ‘সফট ও কগনিটিভ ডোমেইনে’ কার্যক্রম পরিচালনা করার ফলে শত্রুপক্ষের ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা ২০০ ছেড়ে গেছে।

তিনি দাবি করেছেন যে, এই সংঘাতের প্রভাব কেবল ইরানের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পর্যায়েও এর ‘প্রতিক্রিয়া ও পরিণতি’ দেখা যাচ্ছে।

আইআরজিসির উপপ্রধানের এই দাবি এমন সময় এসেছে যখন ইরান এবং তার প্রতিপক্ষদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষ নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ও সাফল্যের নানা হিসাব তুলে ধরতে উদ্যত হয়েছে।

মেজর জেনারেল ইজাদি চলমান সংঘাতকে ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, ইরানের প্রতিপক্ষরা শুধু সামরিক অভিযানই চালাচ্ছে না; দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক, তথ্যগত এবং মানসিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে।

ইজাদির মতে, এই যুদ্ধের একটি অংশ হচ্ছে সরাসরি সামরিক অভিযান, আর অন্যটি ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং জনমতকে প্রভাবিত করতে চেষ্টার কার্যক্রম।

তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই বহুমাত্রিক চাপ মোকাবেলা করতে দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জনগণও বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

ইরান প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ‘সফট’ ও ‘কগনিটিভ’ বা মনস্তাত্ত্বিক পরিসরে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন।

তিনি যে ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেটি হচ্ছে চলমান সংঘাত ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে।

আপনি বলেছেন, যুদ্ধের ফলে ইরান ভেঙে পড়েনি এবং দেশটির ইসলামিক শাসনব্যবস্থাও দুর্বল হয়নি। বরং তার বক্তব্য হচ্ছে, সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইসলামিক রিপাবলিক আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী এবং দৃঢ় অবস্থানে ফিরে এসেছে।

তিনি আবারও বলেন, “ইরান বিভক্ত হয়নি- ইসলামিক ব্যবস্থাও দুর্বল হয়নি। বরং ইরান নিজেকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় হিসেবে প্রমাণ করেছে।”

ইজাদির বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের কারণে ইরানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক বিভাজন বা শাসনব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরির ধারণাকে খণ্ডন করা।

আইআরজিসির উপপ্রধানের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ২০০টির বেশি শত্রু বিমান ভূপাতিত করেছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি যে, এসব বিমানের মধ্যে কী ধরনের বিমান রয়েছে- যুদ্ধবিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টার কিংবা অন্য কোনও উড়োজাহাজ।

এছাড়া, এসব বিমান কখন, কোথায় এবং কোন ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এই কারণে ইজাদির দেওয়া পরিসংখ্যানের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যুদ্ধের সময় উভয় পক্ষই নিজেদের সামরিক সাফল্য তুলে ধরতে বিভিন্ন দাবি করে থাকে। তাই সামরিক হতাহতের সংখ্যা বা ভূপাতিত উড়োজাহাজের হিসাব যাচাইয়ের ক্ষেত্রে স্বাধীন উৎস এবং স্যাটেলাইটসহ অন্যান্য প্রমাণের গুরুত্ব অপরিসীম।

ইজাদি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধ এবং দেশটির প্রতিরোধ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়েও প্রভাব ফেলছে।

ইজাদির বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানকে সামরিকভাবে দুর্বল করার পাশাপাশি দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তাতে ফল আসেনি।

বরং, তার মতে, সংঘাতের অঙ্গনে ইরানের জনগণের মধ্যে প্রতিরোধের মনোভাব আরও দৃঢ় হয়েছে এবং ইসলামিক রিপাবলিকের রাজনৈতিক কাঠামো আরও সংহত হয়েছে।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, বহিরাগত সামরিক চাপের পাশাপাশি তথ্যযুদ্ধ ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের মাধ্যমে দেশটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইজাদির সর্বশেষ বক্তব্য সেই একই চিন্তার পুনরাবৃত্তি করেছে।

তবে যুদ্ধের প্রকৃত সামরিক ক্ষয়ক্ষতি, উভয় পক্ষের বিমান ও ড্রোন হারানোর সংখ্যা এবং ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতার ওপর সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায়, ২০০টির অধিক ‘শত্রু বিমান’ ভূপাতিতের আইআরজিসির দাবি ইরানের নিজস্ব সামরিক হিসাব হিসেবেই গ্রহণ করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর পল্লবী, যাত্রাবাড়ী ও মুগদায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


রাজধানীর পল্লবী, যাত্রাবাড়ী ও মুগদায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

রাজধানীর পল্লবী, যাত্রাবাড়ী ও মুগদা থানা এলাকার বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযান চালানো হয়েছে সম্প্রতি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পল্লবী থানা জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পল্লবী থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকাতে অভিযান চালিয়ে এই গ্রেফতার বলে জানিয়েছেন।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন-মো. আব্দুর রহমান, মো. নাদিম, মো. জাবেদ, মো. শামীম, মো. হাসরা, মো. ফিরোজ, মো. মুন্নাফ, মো. সুমন, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা, মো. ফয়সাল, মো. রাকিবুল ইসলাম ফাহাদ, মো. উজ্জ্বল, মো. শাওয়ান, মো. হৃদয় হোসেন, মো. উজ্জ্বল হোসেন ওরফে রায়হান, প্রান্ত দাস, রাতুল, ছিয়াম, মো. আব্দুল্লাহ, মুন্নাফ, মো. শাকিন, রেশমা, রাজু, মো. মনিরুল ইসলাম, রাকাত হোসেন ও মো. সুমন মিয়া।

অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ী থানা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশও বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকার অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে। যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হন-মো. আজিম, মো. হোসেন, মো. ইব্রাহিম হোসেন, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. রবিন, রাশেদ মাহমুদ, নুরুল আজিম, ইফরাত জাহান তিশন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলাউদ্দিন, শান্ত ইসলাম, মো. ফয়সাল আহাম্মেদ, মো. রিফাত, আবুল হাসান, মো. রাজু, মো. সাখাওয়াত হোসেন, মো. আসিফ, শফিকুল ইসলাম, মো. সজল, মুন্না খান, শফিকুল ইসলাম, সাব্বির, মো. রূপক মিয়া ও মো. শাওন।

এছাড়া মুগদা থানা জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মো. সাজ্জাদ মোল্লা ওরফে শিশির, মো. মুরাদ হোসেন, মো. ইয়াছিন, মো. মহসীন, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. রিয়াদ, মো. শাহা আলম, মো. সিয়াম, মো. সজীব খান, মো. রাসেল, মো. হাবিব ও সোহেল শেখকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত, পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধী রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চালুর আগেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রাংশ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


চালুর আগেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রাংশ!

চালু হয়নি অপারেশন থিয়েটার। চিকিৎসকের ১২টি পদ শূন্য। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবস্থা খুবই উদ্বেগজনক।

বছর চারেক আগে আনা হয়েছিল কোটি টাকার যন্ত্রাংশ, কিন্তু লোকবল সংকটের কারণে অপারেশন থিয়েটার চালু করা সম্ভব হয়নি। এক্স-রে মেশিনের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা বিদ্যমান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের বাকি কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত থাকার ফলে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। লোকবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে অপারেশন থিয়েটার এবং এক্স-রে মেশিন চালুর বিষয়ে বারবার চিঠি দিলেও কোনো সুরাহা মিলেনি।

স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে, ২০০৮ সালে হাসপাতালটি চালু হওয়ার পর থেকে প্রায় আট বছর ধরে জনবল সংকট কাটেনি। এর ফলে উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেক রোগী বাধ্য হয়ে জেলা সদরে চিকিৎসার জন্য যেতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালে রোগীরা জানাচ্ছেন যে হাসপাতালটি বেশ পরিপাটি, কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেবার অভাব জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

হাসপাতালে ভাতিজাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা আলম মিয়া বলেন, ‘এত সুন্দর একটি হাসপাতালে এক্স-রে না হওয়াটা দুঃখজনক। মাসখানেক আগে এক আত্মীয়কে নিয়ে আসার সময় জানলাম লোকের অভাবে এক্স-রে মেশিন চালানো হয় না।’

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলা আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং ২০১০ সালের আগস্ট মাসে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি চম্পকনগর বাজারের কাছে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর হাসপাতালে উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, একটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। চিকিৎসকের জন্য ২৩টি পদ রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে ১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে একজন চিকিৎসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ১২টি পদ এখন শূন্য। ১০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসকদের থাকার কথা হলেও এখন সেখানে কোনো চিকিৎসক নেই।

সূত্র জানাচ্ছে যে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্টের তিনটি পদ, সহকারী সার্জনের পাঁচটি পদ, জরুরি চিকিৎসা কর্মকর্তার তিনটি পদ শূন্য রয়েছে। গাইনি চিকিৎসক, অবেদনবিদ এবং সার্জারি চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকার কারণে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব সম্ভব হচ্ছে না, অন্যান্য অস্ত্রোপচারও করা যাচ্ছে না। রেডিওগ্রাফারের পদটি খালি থাকায় এক্স-রে কার্যক্রম পুরাপুরি বন্ধ রয়েছে।

প্রতিদিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ৩০০ থেকে ৪০০ জন রোগী সেবা নেন এবং গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি মাসে গড়ে ৩০ জন প্রসূতির স্বাভাবিক প্রসব ঘটে।

বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সুমন ভূঁইয়া কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘হাসপাতালে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অস্ত্রোপচার চালু করতে না পারা। এছাড়া গাইনি চিকিৎসক না থাকা একটি বড় সমস্যা। যদি লোকবল সংকট কাটানো যায়, তবে সেবার দিক থেকে এটিকে জেলার সেরা হাসপাতালে পরিণত করা যাবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সুমন ভূঁইয়া উল্লেখ করেছেন যে, লোকবল সংকটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৮.২০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৮.২০ শতাংশ

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধীনে এক বছর মেয়াদী কামিল (মাস্টার্স) পরীক্ষা-২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ হয়েছে।

এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮৮ দশমিক ২০ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন।

এর আগে ভাইস-চ্যান্সেলরের কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. ওয়ালিউর রহমান।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী, কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. হোসাইন আহমাদ, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভিসি বলেন, "শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"

তিনি আরও বলেন, "মাদরাসা শিক্ষাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য শিক্ষা ব্যবস্থায় রূপ দিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে।"

দ্রুত সময়ে ফলাফল প্রকাশের জন্য পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.result.iau.edu.bd) পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%