০৩:২৫ পি.এম
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে সার্বিয়া গেছেন। প্রচণ্ড আগ্রাসনের পরেও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ইউরোপের হাতে গোনা কিছু দেশের একটি হল সার্বিয়া। সফরের সময় জেলেনস্কি দেশটির সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
বেলগ্রেড বিমানবন্দরে জ্বালানিমন্ত্রী দুব্রাভকা জেদোভিচ হান্দানোভিচ জেলেনস্কিকে স্বাগত জানান। এর পর জেলেনস্কি সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশ নেন।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র। জেলেনস্কি এক্সে বলেন, ‘আমরা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক, উভয় দেশের জন্য উপকারী অন্যান্য বিষয় এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করব।’
আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ক্ষুব্ধ করেছে এবং জোটটিতে বেলগ্রেডের যোগ দেওয়ার পথকে মন্থর করেছে।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে যে, শনিবার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ভুচিচ ও জেলেনস্কির সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরে তারা গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেবেন।
এই সফরের আগে ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ‘সার্বিয়াকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে দূরে সরিয়ে আনা।’ তবে মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন না বলে জানিয়েছেন ভুচিচ।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে ভুচিচ বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর অবস্থান ও চলমান সংগ্রামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজের মতামত জানাবেন। তবে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে সার্বিয়া এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে এবং পরে তা পরিবর্তন করেনি।’
আরও পড়ুন: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর
তিনি আরও জানান, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অবস্থানই বহাল থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন