ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরে প্রায় ৪ হাজার গাছের চারা বিতরণ


যশোরে প্রায় ৪ হাজার গাছের চারা বিতরণ

যশোরের কেশবপুরে কৃষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে তিন হাজার ৯৭০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ চারা বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবীর, পৌর জামায়াতের আমির প্রভাষক জাকির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব বাবুল রানা এবং উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেনসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ, মসজিদ, মন্দির এবং কৃষকদের মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণ করা চারার মধ্যে ছিল নারকেল, নিম, মেহগনি, কড়ই, সুপারি, কাঁঠাল ও জামসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ সুরক্ষাই নয়, অর্থনৈতিকভাবেও মানুষের জন্য উপকারী। তাই প্রত্যেককে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যায়ও গুরুত্ব দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, জরিমানা

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে এই জরিমানা করা হয়। রবিবার (২১ জুন) দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত জেলা কার্যালয় সিপাহিপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় নিয়মিত বাজার তদারকি ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে চিজি বান্স রেস্টুরেন্টে পরিদর্শনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে। রান্না করা খাবার উন্মুক্ত অবস্থায় রাখা হয়েছিল। এছাড়া রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ চিজ পাওয়া যায়। ডাস্টবিন উন্মুক্ত অবস্থায় রাখা এবং কর্মীদের হাত ধোয়ার জন্য সাবানের ব্যবস্থা না থাকায় খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানের মালিক জাহেদ হাসানকে ১০ হাজার টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ এবং বিক্রয়ের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ। এ সময় জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নূর-ই-আলম সোহাগ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার, মুন্সীগঞ্জের একটি দল অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে আইনমন্ত্রী

গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৮০ মামলা, রায় হয়েছে ৭টির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৮০ মামলা, রায় হয়েছে ৭টির

আইনমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই ২০২৪-এ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মোট ৮০টি মামলা করা হয়েছে। যেখান থেকে সাতটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে।

এই মামলাগুলোর মধ্যে মোট আসামি ৪৬৩ জন। তাদের মধ্যে ১৭৪ জন গ্রেপ্তার হলেও ২৮৮ জন এখনো পলাতক রয়েছে।

ওই বিষয়টি রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান লিখিত প্রশ্নের জবাবে জানান।

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ৮০টি মামলার মধ্যে ৭৩টির কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

এদের মধ্যে ২২টি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে এবং ৫১টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। নিষ্পত্তি হওয়া সাতটি মামলায় মোট ৫৯ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্যদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একটি মামলার আসামি মারা গেছেন এবং একজন খালাস পেয়েছেন।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী সংসদে জানান, বাংলাদেশে বিভাগের ভিত্তিতে হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। তবে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলে প্রধান বিচারপতি প্রয়োজনমাফিক দেশে যেকোনো স্থানে হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা করতে পারেন।

ঢাকার বাইরে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ইতোমধ্যে আপিল বিভাগ নিষ্পত্তি করেছে। ‘আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ’ মামলায় আপিল বিভাগ ঢাকার বাইরে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছে।

সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’কে ‘বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর’-এ উন্নীত করা হয়েছে। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, গত ৯ এপ্রিল ‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস হলো।

আইনমন্ত্রী বলেন, নতুন কাঠামোর ফলে ঢাকার বাইরে অধিদপ্তরের শাখা কার্যালয় স্থাপন ও মহানগর থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে আইনি সেবা সম্প্রসারণের আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সরকারি নির্ধারিত ফি তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় অনেক দক্ষ আইনজীবী লিগ্যাল এইডের প্যানেলে যুক্ত হতে আগ্রহী হচ্ছেন না। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার ইতোমধ্যে প্যানেল আইনজীবীদের ফি ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন। ভবিষ্যতে তা আরো যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইনি সহায়তার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সরকার ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল লিগ্যাল এইড প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া উঠান বৈঠক, গণশুনানি, পথনাটক, সেমিনার এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সরকারি আইনি সহায়তার বিষয়ে জনগণকে অবহিত করা হচ্ছে।

তবে সরকারি লিগ্যাল এইড সেবার সঙ্গে বেসরকারি এনজিওগুলোর ডিজিটাল সমন্বয়ে কিছু কারিগরি ও আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহির কাঠামোগত পার্থক্য, সমন্বিত ডেটা-শেয়ারিং নীতিমালার অভাব এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ।

এসব বাধা দূর করে একটি সমন্বিত এবং নিরাপদ ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা গড়তে সরকার কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ কি খেলবেন ইয়ামাল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


সৌদি আরবের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ কি খেলবেন ইয়ামাল?

বিশ্বকাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সৌদি আরবের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন এখন পর্যন্ত লামিন ইয়ামালের পুরোটা সময় খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে। তরুণ এই তারকা পুরো ম্যাচে খেলবেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেননি স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

কেপ ভার্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পেশির চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছিলেন ইয়ামাল। কিন্তু তিনি শুরুতে মাঠে নামেননি, ৭১তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামে। কিছু দৃষ্টিনন্দন মুহূর্ত তৈরি করলেও গোল বা অ্যাসিস্ট করতে সক্ষম হননি ১৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সেই ম্যাচে স্পেন গোলশূন্য ড্র করে তাদের টুর্নামেন্ট শুরু করে।

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১০টায় আটলান্টায় সৌদি আরবের বিপক্ষে মাঠে নামবে স্প্যানিশরা। প্রথম জয় পাওয়ার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় দলটি এবং এই ম্যাচটি তাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইয়ামালের ফিটনেস এবং ম্যাচে তার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে।

সংবাদ সম্মেলনে স্পেন কোচ বলেন, 'আপনারা সবাই জানতে চাইছেন, ইয়ামাল প্রস্তুত কি না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সে এখন ভালো অনুভব করছে। এটি আমাদের জন্য দারুণ খবর। আমরা দেখব, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সে কত মিনিট খেলতে পারে।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'কেউ বলছেন সে শুরুর একাদশে থাকবে, কিছু জানতে চাইছেন কতক্ষণ খেলবে। কিন্তু মূল বিষয় হলো, সে আবার মাঠে ফিরেছে।'

প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্ডের বিপক্ষে বল দখলে আধিপত্য দেখালেও আক্রমণে ধার তুলতে পারেনি স্পেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হওয়াতে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। সেই হতাশা কাটিয়ে সৌদি আরবের বিপক্ষে আরও কার্যকর ফুটবল প্রদর্শন করতে চায় স্পেন।

দে লা ফুয়েন্তের ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের কারণে সাধারণত প্রতিপক্ষ রক্ষণাবেক্ষণ কৌশল গ্রহণ করে। সুতরাং প্রতিরোধ ভাঙতে নিজেদের আরও উন্নতি করতে হবে।

তিনি মন্তব্য করেন, 'যখন আমরা আধিপত্য দেখাই, তখন প্রতিপক্ষ অনেক নিচে নেমে রক্ষণ গড়ে তোলে। কেপ ভার্ডের বিপক্ষে আমরা যথেষ্ট ধারালো ছিলাম না। বলের গতিবিধি ও বণ্টনেও ঘাটতি ছিল। এই জায়গাগুলোতে উন্নতি করতে হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ামতপুরের ৩০টি ক্লিনিকে ৭ মাস ধরে ওষুধ বন্ধ, ভোগান্তিতে প্রান্তিক জনগণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


নিয়ামতপুরের ৩০টি ক্লিনিকে ৭ মাস ধরে ওষুধ বন্ধ, ভোগান্তিতে প্রান্তিক জনগণ

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ৩০টি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায় ৭ মাস ধরে সব ধরনের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে, উপজেলার প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ জনপদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

সরকারি এই চিকিৎসা কেন্দ্রে এসে অসহায় ও দরিদ্র মানুষেরা প্রতিদিন খালি হাতে ফিরছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে হতাশা এবং ক্ষোভের ছাপ। গ্রামীণ জনপদের অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ, যারা সামান্য জ্বর-সর্দির ওষুধের জন্য এই সরকারি কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল, তারা এখন চরম বিপাকে পড়েছেন। বাইরে থেকে চড়া মূল্যে ওষুধ কেনার আর্থিক সামর্থ্য নেই এই অসহায় পরিবারগুলোর।

রামনগর কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা সেফালী বেগম (৫৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ, বাইরে থেকে ওষুধ কেনার টাকা আমার নাই। আগে এই ক্লিনিকে আসলে সপ্তাহে দু-একদিন অল্প-স্বল্প ওষুধ পেতাম, তাতেই আমার রোগবালাই চলত। কিন্তু সাত-আট মাস ধরে এখানে কোনো ওষুধই পাওয়া যাচ্ছে না। টাকার অভাবে দোকান থেকেও কিনতে পারছি না।’

এছাড়া দিনমজুর রফিকুল ইসলাম (৪৫) নিজের কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘দিন খেটে যে টাকা পাই, তা দিয়ে সংসার চলে না। আগে নিজের বা ছেলে মেয়েদের জ্বর, সর্দি, কাশি হলে এখান থেকে ফ্রিতে কিছু সাধারণ ওষুধ পেতাম। এখন সাত মাস ধরে সব বন্ধ। ওষুধ না পেয়ে আমাদের গরিব মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) অসহায়ত্ব জানান। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন ক্লিনিকে অসংখ্য অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশু সুচিকিৎসার আশায় আসেন। কিন্তু ওষুধ না থাকায় নিরুপায় হয়ে তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে হয়। একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে এই দৃশ্য দেখা অত্যন্ত পীড়াদায়ক, কিন্তু ওপর থেকে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় আমাদের আসলে কিছুই করার নেই।’

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই তীব্র সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল নাহিদ এই ওষুধ সংকটের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিয়ামতপুর উপজেলার ৩০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের সবগুলোই বর্তমানে সচল রয়েছে। তবে কয়েক মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীরা সমস্যায় পড়েছেন, এটি সত্য। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং গ্রামীণ মানুষ আবার পূর্ণাঙ্গ সেবা পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%