ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নিষেধাজ্ঞায় খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়


নিষেধাজ্ঞায় খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) পঞ্চম রাউন্ডে খুলনা বিভাগের ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে। এই শাস্তির কারণ হলো, তিনি প্রতিপক্ষ দলের ক্রিকেটার মাহফিজুল ইসলাম রবিনের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে তেড়ে গিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শেষ দিনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা খুলনার ব্যাটার আজিজুল হাকিমকে স্লেজিং করছিলেন ময়মনসিংহের ফিল্ডার রবিন। বিজয়, যিনি অন্য প্রান্তে ছিলেন, বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। একপর্যায়ে, তিনি মেজাজ হারিয়ে ব্যাট হাতে রবিনের দিকে তেড়ে যান।

ময়মনসিংহের অন্যান্য ফিল্ডাররা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও, কিছুক্ষণ পর বিজয় আবারও রবিনের দিকে ছুটে যান। এ সময় তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

আরও পড়ুন: ভারতে বিমসটেক অ্যাথলেটিকসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিতুন

ম্যাচ অফিসিয়ালরা ঘটনাটিকে আচরণবিধির ২.১.৩ ধারার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করেন। শুনানি শেষে বিজয়ের নামের পাশে যোগ হয় চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট। এর ফলে, এনসিএলের পরবর্তী রাউন্ডে খেলতে পারবেন না খুলনার এই ওপেনার।

অন্যদিকে, একই ঘটনায় জড়িত ময়মনসিংহের ক্রিকেটার মাহফিজুল ইসলাম রবিনকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাকে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে, যা ১৫ হাজার টাকার সমান।

এছাড়া, ম্যাচটিতে ভিন্ন ঘটনায় খুলনার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনসহ আরও দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনেন ম্যাচ রেফারি সৈয়দ আদিল আহমেদ।

উল্লেখ্য, বিতর্কিত এই ঘটনার ম্যাচে খুলনা বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে।

আরও পড়ুন: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৬ দলে আছেন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভুটান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ড. মঈন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ড. মঈন খান

চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তিনি বাসায় ফিরে আসেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, মঈন খান আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তাকে আরো কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মঈন খান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেদিন রাতে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ দলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতা তাকে হাসপাতালে দেখতে যান। মঈন খান এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোবোটিক সার্জারিতে অধ্যাপক ডা. রফিকূল ইসলামের সনদপত্র হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


রোবোটিক সার্জারিতে অধ্যাপক ডা. রফিকূল ইসলামের সনদপত্র হস্তান্তর

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম চীনের সাংহাইয়ে অবস্থিত পুডং গংলি হাসপাতালে রোবোটিক সার্জারির ওপর বিশেষ উচ্চতর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন।

২৫ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে তিনি রোবোটিক সার্জারির আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রয়োগ ও উন্নত অস্ত্রোপচার পদ্ধতি সম্পর্কে উচ্চতর জ্ঞান ও হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করায় পুডং গংলি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক সনদপত্র বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। এরই ধারাবাহিকতায় অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের হাতে প্রশিক্ষণের সনদপত্র তুলে দিতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সনদপত্র হস্তান্তর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, "আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ এবং তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।" তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্ভাবন যুক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রোবোটিক সার্জারি আধুনিক অস্ত্রোপচার চিকিৎসায় এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এ প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আরও সূক্ষ্ম, নির্ভুল ও আধুনিক অস্ত্রোপচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থাকেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারির যাত্রা শুরু হয়েছে, যা আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।" তবে তিনি সতর্ক করেন যে, শুধু অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই হবে না, এসব প্রযুক্তি পরিচালনা ও ব্যবহারের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং উন্নত বিশ্বের চিকিৎসাপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ অর্জন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

উপাচার্য আশা প্রকাশ করে বলেন, "আমরা চাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শুধু চিকিৎসাসেবা প্রদানেই নয়, বরং আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তির প্রয়োগেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করুক।" তিনি উল্লেখ করেন, রোবোটিক সার্জারির মতো উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করতে হলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। চীনের পুডং গংলি হাসপাতালের সঙ্গে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দুই দেশের চিকিৎসা ও চিকিৎসাশিক্ষা খাতের সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। তিনি আশা করেন, এ প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও রোবোটিক সার্জারির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম তার প্রশিক্ষণ অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সনদপত্র হস্তান্তরের আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জিত এ অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও আধুনিক অস্ত্রোপচার চিকিৎসার উন্নয়নে কাজে লাগাতে আমি আগ্রহী।"

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইরতেকা রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও শিক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে দেড় মাসেই কোটি টাকার বাঁধে ধস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


তালতলীতে দেড় মাসেই কোটি টাকার বাঁধে ধস

বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া-নলবুনিয়া এলাকায় পায়রা নদীর ভাঙন রোধে ফেলা বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ মাত্র দেড় মাসের মধ্যে ধসের মুখে পড়েছে। এর ফলে বাঁধ সংলগ্ন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভেকু (এক্সকাভেটর) ব্যবহার করে বেড়িবাঁধের সংলগ্ন নদীর তীর থেকে মাটি খনন করে বাঁধ নির্মাণ করেছে, যার ফলে মাত্র দেড় মাসের মধ্যে এটি পুনরায় নদীগর্ভে ধসে পড়েছে। এছাড়া, জিও ব্যাগগুলোতে নিয়মানুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ বালু ভর্তি করার কথা থাকলেও, নামমাত্র বালু ও মাটি ভরে তা ডাম্পিং করা হয়েছে। কাজ শুরুর সময়েই নিম্নমানের কাজ নিয়ে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছিলেন।

পাউবো সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া-নলবুনিয়া এলাকায় ৫টি প্যাকেজের আওতায় ৫৯০ মিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার ও জিও ব্যাগ ফেলার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই কাজের জন্য ১ কোটি ৪৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকা চুক্তিমূল্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, এবং এটি বাস্তবায়ন করে মেসার্স পপুলার কনস্ট্রাকশন, মেসার্স আর.এস কনস্ট্রাকশন, মেসার্স সোহেল এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স মনি ট্রেডার্স। প্রকল্পের কাজ গত ২১ সেপ্টেম্বর সম্পন্ন হয়েছিল।

গত ০১ নভেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দেড় মাস আগে নির্মিত বেড়িবাঁধের প্রায় ৩০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে ধসে যেতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের প্রায় ২০০ মিটার অংশে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধটি ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়বে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া, বড় অঙ্কুজান, নলবুনিয়া ও আগাপাড়াসহ ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, আমন ধান এবং মাছের ঘের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাবুল হাওলাদার, মো. হাসান মিয়া, ও মো. নুর-আলম মাতুব্বর বলেন, "প্রতি বছরই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো নামমাত্র বেড়িবাঁধ সংস্কার করে সরকারি অর্থ আত্মসাত করে। কাজ শুরুর সময়ই আমরা অনিয়মের প্রতিবাদ জানালেও কর্তৃপক্ষ কোনো কর্ণপাত করেনি। এখন জিও ব্যাগগুলো নদীতে ধসে যাচ্ছে এবং বাঁধে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করবে।"

বেড়িবাঁধে ভাঙন ও ধসের ঘটনায় মেসার্স সোহেল এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স মনি ট্রেডার্স-এর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অপর দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পপুলার কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী লিমন জানান, "ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো গাফিলতি নেই। যে জায়গাটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে, সেটি আসলে একটি নদীর মোহনা। মোহনার এই জটিল প্রকৃতির কারণে সেখানে বারবার ভাঙন ধরছে। তাই নদীর এই পয়েন্টে স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজ করা ছাড়া ভাঙন রোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।"

তবে দায় স্বীকার করে মেসার্স আর.এস. কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী রাসেল জানান, "বাঁধের একটি অংশে ধসের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে।"

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হান্নান প্রধান বলেন, "নদীভাঙন রোধে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া-নলবুনিয়া এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে নদীর তলদেশ থেকে ভাঙন শুরু হওয়ায় শুধু জিওব্যাগ ফেলে আপাতত বাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এই এলাকায় সিসি ব্লক ও জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণের লক্ষ্যে বৈদেশিক অর্থায়ন চেয়ে প্রধান কার্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেয়ারে নয়, যানজট সামলাতে রাস্তায় মসিক প্রশাসক রোকন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


চেয়ারে নয়, যানজট সামলাতে রাস্তায় মসিক প্রশাসক রোকন

ময়মনসিংহ নগরীর যানজট সমস্যা সমাধান এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এবার চেয়ার ত্যাগ করে সরাসরি রাস্তায় নেমেছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে তিনি নগরীর ব্যস্ততম নতুনবাজার মোড়ে যানজট পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি যানজটের কারণ চিহ্নিত করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

রিকশা ও অটোরিকশার লাইসেন্স এবং চালকদের ডিজিটাল লাইসেন্স চালুর পরিকল্পনা সম্পর্কে মসিক প্রশাসক জানান। তিনি বলেন, "অ্যাপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।" এর ফলে যানবাহন ও চালকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নগরীর যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা, অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো।

নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা, জনদুর্ভোগ কমানো এবং ময়মনসিংহ নগরীকে আরও সুশৃঙ্খল ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নগরবাসীর প্রত্যাশা, পরিকল্পনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুনবাজারসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট কমবে এবং স্বাভাবিক চলাচলের পরিবেশ ফিরে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%