বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
বগুড়ার নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বহুল প্রচারিত ও পাঠক প্রিয় পত্রিকা দৈনিক করতোয়া’র ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে, বুধবার (১২ই আগষ্ট) বিকেলে নন্দীগ্রাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। র্যালী শেষে নন্দীগ্রাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দৈনিক করতোয়া’র নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনিরের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোহান সরকার, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আলেকজান্ডার, বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া ও থানার উপপরির্দশক সাম মোহাম্মদ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোখলেছার রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন দুলাল, নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি মিনহাজুর রহমান হাবিব, একাব্বর হোসেন পুটু, দপ্তর সম্পাদক অদ্বৈত কুমার আকাশ, নন্দীগ্রাম মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জাকারিয়া লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রউফ উজ্জল, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জায়দার, যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম মজনু, মেহেদী হাসান শাহীন, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম পলিন, ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, সাংবাদিক আব্দুল হাকিম, এনামুল হক আপেল, সাব্বির হোসেন, মামুন আহমেদ ও সুমন কুমার নিতাই প্রমুখ।
পরে উৎসবমুখর পরিবেশে কেক কেটে দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, পত্রিকার এজেন্ট ও বিক্রেতা, শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মকবুল হোসেনের ছেলে গোলাম হাসনাইন রাসেল মায়ের জানাজায় অংশ নিতে চার ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন। আসন্ন এই মুক্তির সময় রবিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত থাকবে এবং তিনি পুলিশি পাহারায় প্যারোলে মুক্ত থাকবেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটন ঢালী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে। গোলাম হাসনাইন রাসেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তিনি ভাঙ্গুড়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র।
রাসেলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম পলাশ জানালেন, একটি মামলায় রাসেলের জামিন হলেও অন্য একটি মামলায় তাঁকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ফলস্রুতিতে, পুলিশ হেফাজতে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে আবারও তাকে কারাগারে ফিরতে হবে।
অ্যাডভোকেট জানিয়েছেন, সম্প্রতি রাসেলের মা নুরজাহান রেখার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল, যার কারণে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার (১২ আগস্ট) পাবনা জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আফতাবুজ্জামান রাসেলের জামিন মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে, জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালেও সেদিন রাসেলকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে রাসেলের মা নুরজাহান রেখা মারা যান। পরে ওই দিন রাসেলকে আদালতে হাজির করে চাটমোহর থানায় সম্প্রতি দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখায় পুলিশ। ফলে একটি মামলায় আদালতের জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তার মুক্তি আটকে যায়।
এই পরিস্থিতিতে মায়ের জানাজায় শেষবারের মতো অংশ নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আদালতে থাকার সময় মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে রাসেল কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করেন, যেটি মঞ্জুর হয়।
পাবনা জেলা কারাগারের জেল সুপার ওমর ফারুক বলেন, ‘বুধবার রাসেলের জামিনের কাগজ আমাদের কাছে এসেছিল। কিন্তু এর আগে তিনি আরেকটি মামলার আসামি—এমন কাগজপত্রও আমাদের কাছে আসে। ফলে ওই দিন তাকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে প্যারোলে চার ঘণ্টার মুক্তির বিষয়ে একটি কাগজ বৃহস্পতিবার পেয়েছি।’
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটন ঢালী বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে মায়ের জানাজায় অংশ নিতে রাসেল প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসক তাঁকে চার ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করেন।’ উল্লেখ্য যে, গত ২০ জুলাই রাতে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে রাসেল ও তার সহযোগী বশিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ভাঙ্গুড়া থানায় দায়ের করা একটি বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু মোট ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে সারাদেশে। একই সময়ে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৬৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবার।
এপ্রিল মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এই পর্যন্ত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬ হাজার ৯৩৩ জন রোগী।
অন্যদিকে, চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগে গত ৮ মাসে ৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আর মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২৪৩ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন ভারতে বসে করা এবং দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণাকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী 'মামার বাড়ির আবদার' ও 'ধৃষ্টতা' বলে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেছেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করার পরে এই ধরনের বক্তব্য জনগণ মেনে নেবে না। সাধারণ জনগণ বিগত কিছু বছরের গুম ও খুনের বিচার দেখতে চায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপির প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমান সরকারকে ন্যায়-নিষ্ঠার ভিত্তিতে দাঁড়ানো সরকার উল্লেখ করে রিজভী বলেন, 'বিগত সময়ে যারা গুম করেছে ও খুন করেছে, তাদের বিচার দেখতে চায় দেশের সাধারণ মানুষ। শেখ হাসিনার বিচার অবশ্যই হতে হবে। যিনি এত মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছেন, তিনি আবার বিদেশে বসে প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন ডিসেম্বরে ফিরে আসবেন এবং রাজনীতি করবেন। এটা যেন মামার বাড়ির আবদার।'
রিজভী আরও বলেন, 'যারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন, তারা মূলত নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মনে করেন। শেখ হাসিনা ও তার দল জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে।'
অনুষ্ঠানে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রিজভী বলেন, 'আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি করতেন না, তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়াসংগঠক। কিন্তু তাঁর মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক নয়। মায়ের ওপর হওয়া অত্যাচার ও নির্যাতন তিনি সহ্য করতে পারেননি।'
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না, তিনি দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়ে সুবিচারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের পাশাপাশি থানা এলাকায় হোটেল ও স্পা সেন্টারে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ছিনতাই প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে জুলাই-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, মাদক কারবারি ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করতে হবে।
তিনি আরও জানান, থানার এলাকায় হোটেল ও স্পা সেন্টারে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড যাতে পরিচালিত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। অবৈধ কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ডিএমপি কমিশনার।
ছিনতাই প্রতিরোধের জন্য, তিনি বলেছেন, ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে ক্রাইম বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে সিটিটিসি ও ডিবিকে ২৪ ঘণ্টা মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অভিযান জোরদারের পাশাপাশি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন।
প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং ক্রাইম বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। মামলার প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন ও তদন্ত কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন, প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা যথাযথভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিএমপি কমিশনার।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন ডিএমপি কমিশনার।
অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) মোহাম্মদ ওসমান গণি, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, সহকারী পুলিশ কমিশনাররা, ডিএমপির সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ