মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৭ পি.এম
বরিশাল এক সময় ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ এবং নদী-খালের সৌন্দর্যে ‘বাংলার ভেনিস’ নামে পরিচিত ছিল। বন্দরে দূর-দূরান্তের বণিকদের আনাগোনা ছিল। কিন্তু বর্তমানে বরিশাল দেশের সবচেয়ে দরিদ্র বিভাগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কৃষি উৎপাদন কমে গেছে, শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। যদিও গ্যাসের বড় মজুদ রয়েছে, তবুও সেই সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশের দারিদ্র্যের হার ১৯ দশমিক ২ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে এই হার ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ, যা দেশের আট বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ। পূর্বে রংপুর ছিল দেশের দরিদ্রতম বিভাগ, কিন্তু এখন বরিশাল সেই অবস্থানে রয়েছে।
নতুনভাবে নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে বরিশালের মানুষ ঢাকায় চলে যাচ্ছে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বরিশালের স্থানীয় বাসিন্দাদের ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছে। স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বস্তিবাসীর প্রায় ১৩ শতাংশ বরিশালের।
বরিশালকে এক সময় শস্যভাণ্ডার বলা হলেও বর্তমানে ধান উৎপাদনে বিভাগটি পিছিয়ে পড়ছে। বিবিএসের ইয়ারবুক অব এগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৫ অনুযায়ী, আউশ উৎপাদনে বরিশাল চতুর্থ, আমনে পঞ্চম এবং বোরো উৎপাদনে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরিশালে আউশ উৎপাদন হয়েছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ২০ টন, যা পরবর্তী অর্থবছরে কমে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯৯ টনে দাঁড়িয়েছে। আমন উৎপাদনও ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৯ টন থেকে কমে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ টনে নেমেছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক এএইচএম সাইফুল ইসলাম মন্তব্য করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরিশাল একটি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং লবণাক্ততা বাড়ার ফলে অনেক জমিতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকরা বিকল্প হিসেবে চিংড়ি চাষসহ অন্যান্য কাজে যাচ্ছেন।
শিক্ষাসচিব জানিয়েছেন, বিভিন্ন কলেজে সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশালের মৎস্যসম্পদেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিভাগীয় মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরিশালে ৩ লাখ ৭২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে ২ লাখ ৬৬ হাজার টনে নেমেছে। তিন বছরে উৎপাদন প্রায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে।
বিবিএসের ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা যায়, ধান, গম ও শস্য উৎপাদনে বরিশালের কৃষকদের বার্ষিক নিট আয় মাত্র ৬ হাজার ৮১ টাকা, যা আট বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন। ভোলায় রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে বর্তমানে ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। ১৯৯৫ সালে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ সম্পদকে ঘিরে বড় শিল্পায়ন হয়নি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে শিল্প-কারখানা কার্যত সীমিত। বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে বরিশাল ছাড়া বাকি পাঁচ জেলায় উল্লেখযোগ্য কলকারখানা নেই। বরিশাল জেলায় কারখানা রয়েছে ৪০৯টি, যেখানে কাজ করেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন, যে ধরনের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। কৃষি ও মৎস্যকে ঘিরে আগের অর্থনৈতিক তৎপরতাও কমেছে। ফলে কর্মসংস্থানের সংকট দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, নদীনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পায়নের অভাব বরিশালের অর্থনৈতিক বিকাশে বড় বাধা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাবও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারেনি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের বড় রাজনৈতিক নেতারা জাতীয় রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী ছিলেন। পুরো অঞ্চলের জন্য পরিকল্পিত ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।
তবে বর্তমান সরকার পরিস্থিতি বদলাতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে শিল্পকারখানা, সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপ্রতুলতা এবং দুর্গম যোগাযোগের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে শিল্প গড়ে ওঠেনি। ভোলার গ্যাসের সঠিক ব্যবহার, পায়রা বন্দর সচল, কুয়াকাটায় পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক যোগাযোগ বাড়ানো গেলে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক কাঠামো দ্রুত বদলে যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে ৭ জন এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ১ জনসহ মোট ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ।
অভিযানে গ্রেপ্তাররা হলেন—সিআর ১০২৪/২৪ (সদর) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. ডালিম (৩৮), তিনি হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর এলাকার আব্দুল আজিজ মন্ডলের ছেলে।
এ ছাড়া মোবাইল কোর্ট মামলা নং ৮৭/২৬-এর আসামি আব্দুল মান্নান (৬৩), মামলা নং ৮৮/২৬-এর সাদেকুল ইসলাম (৫০), মামলা নং ৮৯/২৬-এর শাহিন আলম (৩২), মামলা নং ৯০/২৬-এর মো. ইমাম মেহেদী (৪৫), মামলা নং ৯১/২৬-এর মো. মিন্টু (৪২), মামলা নং ৯২/২৬-এর আব্দুল মজিদ (৪৫) এবং মামলা নং ৯৩/২৬-এর মো. লিমন (২৬)।
পুলিশ জানায়, মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার সাতজনকে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দিনাজপুর জেলা কারাগারে এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. ডালিমকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে দিনাজপুর সদর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হাকিমপুর থানা পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানির (ওজোপাডিকো) প্রি-পেইড মিটার ভেন্ডিং কার্যক্রমে সৃষ্ট কারিগরি জটিলতা এখন সমাধান হয়েছে। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রচেষ্টার পর ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ওজোপাডিকো কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে সাময়িক এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে।
আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত সোমবার দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রি-পেইড ভেন্ডার সার্ভারের সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন সার্ভারের লজিক্যাল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই কারণে কম্পানিটির আওতাধীন বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাহকরা মিটার রিচার্জ ও ভেন্ডিং কার্যক্রমে চরম প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।
ঘটনার পরপরই ওজোপাডিকোর কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আজ ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে প্রকৌশলীরা প্রি-পেইড সিস্টেমটি সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।
বিদ্যুৎ বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে প্রি-পেইড মিটারের রিচার্জ সংক্রান্ত যাবতীয় সীমাবদ্ধতা ও জটিলতা দূর করা সম্ভব হয়েছে এবং সেবা স্বাভাবিক রয়েছে।
সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা না ঘটে এবং ঘটলেও যেন দ্রুত সমাধান করা যায়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই প্রতিযোগিতা আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হবে, যেখানে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ও ভারত। একই দিনে স্বাগতিক বাংলাদেশ তাদের প্রথম খেলায় ভুটানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) গ্রুপ পর্ব, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য পূর্ণাঙ্গ খসড়া সূচি প্রকাশ করেছে। সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সব ম্যাচ রাতের সময় অনুষ্ঠিত হবে।
এক নজরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচের সময়সূচি:
৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার):
পাকিস্তান বনাম ভারত (বিকেল ৩:৩০ মি.)
ভুটান বনাম বাংলাদেশ (রাত ৮:০০ মি.)
৮ নভেম্বর (রবিবার):
মালদ্বীপ বনাম পাকিস্তান (বিকেল ৩:৩০ মি.)
শ্রীলঙ্কা বনাম ভুটান (রাত ৮:০০ মি.)
১১ নভেম্বর (বুধবার):
ভারত বনাম মালদ্বীপ (বিকেল ৩:৩০ মি.)
বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা (রাত ৮:০০ মি.)
১৪ নভেম্বর (শনিবার - সেমিফাইনাল):
প্রথম সেমিফাইনাল: গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন বনাম গ্রুপ ‘এ’ রানার্স-আপ (বিকেল ৩:০০ মি.)
দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: গ্রুপ ‘এ’ চ্যাম্পিয়ন বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স-আপ (রাত ৮:৩০ মি.)
১৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার - ফাইনাল):
ফাইনাল: প্রথম সেমিফাইনালের বিজয়ী বনাম দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী (রাত ৮:০০ মি.)
তবে প্রকাশিত সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নেপালের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে নতুন করে সংশোধিত ও চূড়ান্ত ফিকশ্চার প্রকাশ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে, টুর্নামেন্টটি আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে দেশের বেকারত্বের হার কমানো। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সরকার শুধু কথার ফুলঝুরি নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে দেশের বেকারত্ব সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের বাজেট ঘাটতি নেই। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সরকার সেসব উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ৩৭টি কলেজের ৫৭ শিক্ষার্থীকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ