বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, উচাখিলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং বড়হিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। মোট ১৫ জন, যার মধ্যে তিনজন সুপারভাইজার এবং ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন, এ কাজে নিয়োজিত আছেন।
তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। এদিকে, সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করাই এ তথ্য সংগ্রহের অন্যতম উদ্দেশ্য। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এদিকে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলো উপকৃত হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের কারণে যেসব পরিবার সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে কর্মসূচির সুফল নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ও উপকারভোগী নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাত ছাড়াই প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলোকে নির্বাচিত করা গেলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হলে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মির্জা নিজুয়ারা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মকবুল হোসেন (৭০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ, যাদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মকবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত ফেলান মিয়ার ছেলে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. একাব্বর হোসেন, মো. হায়দার আলী, মো. আব্দুল জলিল মিয়া, মো. সুজা মিয়া, মো. ছামিউল ইসলাম, মো. ময়নুল হোসেন, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মিন্টু মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাস ধরে ছাতিনামারী গ্রামের মকবুল হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. শাহাবুদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় শাহাবুদ্দিনের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মকবুল হোসেনসহ তার লোকজনকে আক্রমণ করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মকবুল হোসেন নিহত হন এবং অন্তত ১০ জন আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ১৬ জনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন রাশেদুল ইসলাম (২৮), রেজাউল করিম (২৮), মোকছেদুল ইসলাম (১৮), আবিল হোসেন (১৮), মিন্টু মিয়া (৩৫), মঞ্জু মিয়া (৪০), লিটন মিয়া (৩৫), নজরুল ইসলাম (৫০), শাহাবুদ্দিন (৬০), নিরফুল বেগম (৪০), কল্পনা বেগম (২৫), নুর ভানু (৪৫), শিল্পী বেগম (৩৫), খোরশেদা বেগম (২৬), ফাতেমা বেগম (১৯) ও শাবানা খাতুন (২২)। এরা সবাই দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের ছোট ছেলে মো. সুজা মিয়া জানান, শাহাবুদ্দিনের লোকজন নির্মমভাবে তার বাবার মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ব্যবহৃত লাঠিসোঁটা, ধারালো ছোরা ও শাবল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো জানিয়েছেন, অনিয়মিত অভিবাসন, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ইতালি আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, লিবিয়া হয়ে সাগরপথে ইউরোপে প্রবেশের পরিবর্তে বৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে জনগণকে উৎসাহিত করতে চায় ইতালি। এই প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ অভিবাসন, মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং টেকসই পুনরেকত্রীকরণ বিষয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় দুই জেলার ৬১ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, বিদেশে যাওয়াই জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র উপায় নয়। দেশের অভ্যন্তরে সম্মানজনক জীবন গড়ার সুযোগ রয়েছে, সেটি মানুষের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন। তিনি অভিবাসনের ক্ষেত্রে দালালের ওপর নির্ভর না করে সরকারি সংস্থা এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অভিবাসন নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পাচারকারী চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব। এইভাবে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো যাবে।
কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ কার্যালয়ের ফার্স্ট সেক্রেটারি লরা কার্তানিয়া ইয়াখ, সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার নূরুল কাদের, ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাসের মাইগ্রেশন অ্যাটাশে জুসেপ্পে দি জোভান্নি, মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম, ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, ‘প্রবাস কথা’র সম্পাদক মুনজুরুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাউদ্দিন রাসেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় একটি বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ২৫ বছর বয়সী মোটরসাইকেল চালক দয়াল চন্দ্র নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
এটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ হাট এলাকায়।
দয়াল চন্দ্র শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের নারায়ণ চন্দ্রের পুত্র। তিনি পেশায় একজন লেবার শ্রমিক ছিলেন। আহত দুই শ্রমিকের নাম শ্রী মঙ্গল ও শ্রী সাগর।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে কাজ শেষে মোটরসাইকেলে করে নিজেদের বাড়ি মাঝিহট্ট ইউনিয়নের দিকে ফিরছিলেন দয়াল চন্দ্র ও তার দুই সহকর্মী। যখন তারা ঘোড়াধাপ হাটসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছান, তখন পেছন দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দয়াল চন্দ্র ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান এবং ট্রাকের চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত অপর দুই আরোহীকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে ট্রাকের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জে সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে এআর ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে হেলপার নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী বাজারে ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম এনামুল হক (২৭)। তিনি রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার পর তার মরদেহ তারাগঞ্জ বালাবাড়ি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার থেকে রংপুর নগরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা বাসটি সন্ধ্যার পর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে ইকরচালী বাজার এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বাসটি সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন প্রথমে উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাসটির যাত্রী আবু নুর জানান, তিনি ডোমার থেকে রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় যাওয়ার জন্য বাসটিতে উঠেছিলেন। তারাগঞ্জ পার হওয়ার পর বাসটির গতি বেড়ে যায়। ইকরচালী বাজারে প্রবেশের সময় ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে বাসটি উল্টে যায়। এতে অনেক যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই হেলপার নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ