প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, উচাখিলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং বড়হিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। মোট ১৫ জন, যার মধ্যে তিনজন সুপারভাইজার এবং ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন, এ কাজে নিয়োজিত আছেন।
তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। এদিকে, সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করাই এ তথ্য সংগ্রহের অন্যতম উদ্দেশ্য। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এদিকে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলো উপকৃত হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের কারণে যেসব পরিবার সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে কর্মসূচির সুফল নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ও উপকারভোগী নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাত ছাড়াই প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলোকে নির্বাচিত করা গেলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হলে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মির্জা নিজুয়ারা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন