ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং
প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ভবিষ্যতে যেন কেউ দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী


ভবিষ্যতে যেন কেউ দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’

আগামীকাল ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই কথাগুলি বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয়ভাবে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান, দেশে আলাদা অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে একটি প্রবাদবাক্য মনে রাখতে হবে—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। অতএব, ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।

তারেক রহমান বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরে গুরুত্ব পাবে জলবায়ু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়

ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করা প্রয়োজন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটাই। তা হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র নির্মাণ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের এই ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠানো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠানো

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুদ্ধ শেষ করার উদ্দেশ্যে। কাতারের মাধ্যমে প্রেরিত এই প্রস্তাবের আলোচনার পূর্বে ওয়াশিংটনকে ৭টি শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, শর্তগুলো পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাও হবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে তিনি রাজি হননি।

যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীরা সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবারও সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ইরানে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি। অন্যদিকে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ইরান আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরের সময় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেন, “কূটনীতির বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত জানিয়েছি। তারা আমাদের সাতটি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না, আলোচনাতেও বসব না।”

ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালায়।

এরপর লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সর্বশেষ এই সংঘাত ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেলেন নতুন দায়িত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেলেন নতুন দায়িত্ব

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন দায়িত্ব হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পুনর্মূল্যায়নের জন্য একটি ছয় সদস্য বিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এই কমিটি গঠন করা হয়েছে তার নেতৃত্বে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পাশাপাশি, এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশিত হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশ অনুযায়ী, কমিটি সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতনস্কেলে বিদ্যমান অসংগতি এবং এ বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে। তারা এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে।

এছাড়া, বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ, অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও কমিটির পর্যালোচনার আওতায় থাকবে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালু করার সম্ভাবনাও কমিটি বিবেচনা করবে।

কমিটি বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও পালন করবে।

কমিটির কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও পাবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সচিবালয় কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে অর্থ বিভাগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন। এই ছয় সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পাশাপাশি এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশিত হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান বিভিন্ন অসংগতি এবং এ বিষয়ে ওঠা অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে কমিটি। এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে তারা।

এছাড়া, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ ও অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও তারা পর্যালোচনা করবে। নতুনভাবে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালুর সুযোগ রয়েছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা যেসব ভাতা পাচ্ছেন, সেগুলোর পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হবে। পর্যালোচনা শেষে কমিটি এ বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ প্রদান করবে।

কমিটির কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে অর্থ বিভাগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেসম্যানের হিন্দুত্ববাদের ‘দ্ব্যর্থহীন নিন্দা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেসম্যানের হিন্দুত্ববাদের ‘দ্ব্যর্থহীন নিন্দা’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রো খান্না ভারত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করেছেন। তিনি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের দাবিতে রাজপথে আন্দোলনরতদের প্রশংসা করেছেন।

সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রো খান্নার প্রতি আহ্বান জানান যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শিক্ষাবিদ গৌরব সাবনিস। তিনি মোদি সরকারের বিষয়ে খান্নার অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, খান্না বলেন, তিনি হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থন করেছেন।

গৌরব সাবনিস তার পোস্টে উল্লেখ করেন, রো খান্না নিজেকে প্রগতিশীল রাজনীতিক হিসেবে পরিচয় দিলেও মোদি সরকারের অধীনে রাজনৈতিক বন্দিত্ব ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হওয়ার মতো বিষয়গুলোতে নীরব রয়েছেন। তিনি হিন্দুত্ববাদ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং মোদি সরকারের বিষয়ে খান্নার অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান।

রো খান্না তার জবাবে বলেন, "আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে হিন্দু জাতীয়তাবাদের নিন্দা জানিয়েছি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও অন্তর্ভুক্তির পক্ষে রাজপথে কথা বলা শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানিয়েছি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমার দাদা মহাত্মা গান্ধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ ছিলেন। আমি গান্ধী ও নেহরুর বহুত্ববাদী আদর্শে বিশ্বাস করি।"

রো খান্না যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাবশালী প্রগতিশীল কণ্ঠগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ১৭তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধি, যা সিলিকন ভ্যালির একটি অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১৬ সালে তিনি প্রথমবারের মতো কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বার্নি স্যান্ডার্সের প্রচারশিবিরের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী রিতেশ ট্যান্ডনকে ৪২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে ষষ্ঠ মেয়াদে কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন খান্না।

এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের ফলে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে দলটি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই রাজনৈতিক পরিবর্তনকে অনেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প-পরবর্তী মার্কিন রাজনীতির সূচনা হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%