রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৫ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে হামলা, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় সাবেক উপাচার্য মাকসুদ কামাল এবং অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেন। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির তালিকায় রয়েছে পলাতক উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ পাঁচজন।
আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগগুলোতে উল্লেখ রয়েছে যে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক টক শোতে সব হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছেন এবং আবু সাঈদকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছেন এবং ছাত্রলীগকে মাঠে নামানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অধ্যাপক জাফর ইকবাল আন্দোলনকারীদের রাজাকারের সন্তান বলে হত্যায় সহযোগিতা করেছেন।
আট আসামির মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক আ ক ম জামালউদ্দিন এবং ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈকত ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পলাতক অবস্থায় রয়েছেন অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইনান এবং ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন।
এছাড়া গাজীপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষ আবুল হোসেনসহ সাতজনকে গুমের ঘটনায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে পাটখড়ি চাওয়ার কারণে এক নারী এবং তার ছেলেকে মারধর করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মোছাঃ মমতাজ বেগম (৬০) বালিয়াকান্দি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, মমতাজ বেগম বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের কুড়িয়াপাড়া পদমদি এলাকায় তার পরিবারসহ বসবাস করেন। অভিযুক্ত যুবকরা হলেন প্রাবন (১৯) এবং রানা (১৯), যারা তার প্রতিবেশী।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের বাড়ির পাশে ইসহাকের জায়গায় খালের মধ্যে মমতাজ বেগমের পাট জাগ দেওয়া ছিল। পাট ধোয়া এবং বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর তিনি পাটখড়ি বাড়িতে নিয়ে আসেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ২৬ আগস্ট দুপুরে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে এসে ছেলেকে ডেকে পাটখড়ি দাবি করেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা ইট, সুপারি গাছের কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তার ছেলের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ছেলেকে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে মমতাজ বেগমকেও চড়-থাপ্পড় মারার এবং পরে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার বাম হাতের আঙুল কেটে যাওয়ার বিষয়টি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে পুত্রবধূ ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ করেছেন মমতাজ বেগম। তিনি বালিয়াকান্দি সরকারি হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর উদ্যোগে অদ্য রবিবার দুপুর ১২.০০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এতে বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত মায়ের দোয়া বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং নন-ফুডগ্রেড উপাদান ব্যবহার করে ‘ডেকোরেটেড কেক (জন্মদিনের কেক)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করে আসছিলো।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং এর কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পুলিশের পৃথক অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা দুই পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মদন উপজেলার ৩ নং মদন ইউনিয়নের বারবুড়ী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে মোশাহিদ (২৮) এবং কুলিয়াটি পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত হেলিম ভূইয়ার ছেলে মো. জামাল ভূইয়া ওরফে জাপান (২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোশাহিদের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে মদন থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষকে আটকে রাখা, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, চুরি ও প্রাণনাশের হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর তিনি জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছিলেন। পরে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, মো. জামাল ভূইয়া ওরফে জাপানের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ৫ জুন রাত ১২টা ১০ মিনিটে মদন থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া, বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আহত করা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায়ও তিনি জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দীন করিম বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আদালতের পরোয়ানা তামিলের অংশ হিসেবে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও জিআর পরোয়ানার ভিত্তিতে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে নেত্রকোনা জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের পালবাড়ী (মধু পালবাড়ী) এলাকায় আরিফ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও গাছ কাটাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগকারী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মধু পালবাড়ী এলাকার মৃত শাহ আলীর ছেলে আরিফের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীদের জমি দখলের চেষ্টা ও বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় রইচ উদ্দিন মেকারের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জীবিত অবস্থায় রইচ উদ্দিন তার স্ত্রীকে ৫ শতাংশ এবং একমাত্র মেয়ে রোমানাকে ৮ শতাংশ জমি লিখে দেন। পরে রইচ উদ্দিন মারা গেলে তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেয়ে রোমানা চিকিৎসার জন্য মাকে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যান। এ সুযোগে বাড়িতে কেউ না থাকায় পার্শ্ববর্তী আরিফ তাদের বসতঘর দখলের চেষ্টা করেন এবং জমিতে থাকা একটি কাঁঠালগাছ কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়।
খবর পেয়ে রোমানা বাড়িতে গিয়ে তার জায়গায় ঘর নির্মাণের কাজ দেখতে পান। এ সময় আরিফের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ওই জায়গা নিজের বলে দাবি করেন বলে রোমানার অভিযোগ। এ নিয়ে রোমানা ও তার স্বামী এরশাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফের লোকজন এরশাদকে মারধর করে এবং সেখানে আর না আসার জন্য হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এঘটনায় এরশাদ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এদিকে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে রোমানা প্রতিবেশী নজরুলের কাছে জমি বিক্রির জন্য বায়না করে টাকা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। নজরুলের অভিযোগ, জমি কেনার জন্য তিনি বায়নাপত্র করলেও আরিফ তাকে জমি না কেনার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তার নামেও থানায় অভিযোগ করা হয়েছে, যার কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন তিনি।
নজরুল বলেন, তিনি পেশায় একজন মোটরসাইকেল মিস্ত্রি। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। জমি কেনার জন্য বৈধভাবে বায়না করলেও তাকে ওই জমি না কেনার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় মাজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রইচ উদ্দিনের বাড়ির সঙ্গে তার প্রায় ১০ শতাংশ জমিও আরিফ দখল করে রেখেছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধেও মারামারির অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘‘আমি কোনো অন্যায় করিনি। জমি দখলের প্রতিবাদ করায় উল্টো আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে।’’
অন্যদিকে, আরিফের বিরুদ্ধে মাজহারুল ইসলামের কাছ থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। মাজহারুলের দাবি, জমি কেনার কথা বলে আরিফ তার কাছ থেকে ওই টাকা ধার নেন এবং তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর টাকা ফেরত না দিয়ে আরিফ একটি চেক দেন বলে অভিযোগ করেন মাজহারুল।
মাজহারুল জানান, তিনি ব্যাংকে চেক জমা দিলে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে ব্যাংক থেকে লিখিত প্রমাণ পাওয়ার পর তিনি আদালতে চেকসংক্রান্ত মামলা করেন। মামলা করার পর সেটি প্রত্যাহারের জন্য আরিফ ও তার লোকজন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় গত ৮ সেপ্টেম্বর মধুপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মাজহারুল। পরবর্তী সময়েও মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, আরিফ এলাকায় মাদক সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, মাদক, জমি নিয়ে বিরোধ, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে কারও জমি জবরদখল হয়ে থাকলে তা উদ্ধার এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে আরিফের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে এবং পালবাড়ী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ