ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বিশ্বসেরার মুকুট হারাল


লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বিশ্বসেরার মুকুট হারাল

একসময় সিল্ক রোডের বাণিজ্যপথ এবং ইউরোপ-এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল ইস্তাম্বুল। রেলযুগে বিখ্যাত ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসের যাত্রাপথও এই শহরে এসে থামত। এবার আকাশপথে নতুন রেকর্ড গড়েছে ইস্তাম্বুল। বিশ্বের সবচেয়ে সংযুক্ত বিমানবন্দর হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর। দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে থাকা লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর এবার পেছনে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ওএজি প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘মেগাহাবস’ সূচকে ইস্তাম্বুল প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ২০২৫ সালে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বিমানবন্দরটি এবারই প্রথমবারের মতো তালিকার শীর্ষে উঠেছে।

৩৩৭ গন্তব্যে সংযোগ

আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে হত্যা: স্বামী রঞ্জিত গ্রেপ্তার

ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর থেকে বিশ্বের ৩৩৭টি গন্তব্যে সংযোগ রয়েছে। বিমানবন্দরটির ৮০ শতাংশ ফ্লাইট পরিচালনা করে তুর্কিশ এয়ারলাইনস। ফলে বিপুলসংখ্যক আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে ইস্তাম্বুলের সংযোগ আরও শক্তিশালী হয়েছে।

ওএজির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্বের ১০০টি বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্ধারিত ফ্লাইটের তথ্য ব্যবহার করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়েছে। বিমানবন্দরে আগত ও সেখান থেকে ছেড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সম্ভাব্য সংযোগ এবং বিমানবন্দরটি কতটি গন্তব্যে সেবা দেয়- এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়। এবারের সূচকে ব্যস্ততম দিনের ছয় ঘণ্টার সংযোগ-সম্ভাবনাও হিসাব করা হয়েছে।

কেন এগিয়ে গেল ইস্তাম্বুল?

ইস্তাম্বুলের ভৌগোলিক অবস্থানই এর সবচেয়ে বড় শক্তি। ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে থাকা শহরটি দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এবং ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরের বিশাল অবকাঠামো। ওএজির প্রধান বিশ্লেষক জন গ্রান্টের মতে, "তুর্কিশ এয়ারলাইনসের নেটওয়ার্ক এবং ইস্তাম্বুলের ভৌগোলিক অবস্থান- দুটিই বিমানবন্দরটির শীর্ষে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।"

আরও পড়ুন: সৌদিতে হামলা চালিয়ে ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রমাণ দিচ্ছে হুথিরা

ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরকে ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে এর রানওয়ে ও টার্মিনাল অবকাঠামোও বড় পরিসরের আন্তর্জাতিক সংযোগ সামলাতে সক্ষম।

দ্বিতীয়, তৃতীয়

গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে সংযুক্ত বিমানবন্দরের তালিকায় শীর্ষে ছিল লন্ডন হিথ্রো। এবার সেটি নেমে গেছে দ্বিতীয় অবস্থানে। হিথ্রোর সম্ভাব্য সংযোগ গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে ওই অঞ্চলের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল কমে যাওয়াও এর অন্যতম কারণ। আগস্টে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে হিথ্রোর উড়োজাহাজ আসন সক্ষমতা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কম ছিল।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শিফল বিমানবন্দর। চতুর্থ অবস্থানে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এটি এশিয়ার সবচেয়ে সংযুক্ত বিমানবন্দরও। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও’হেয়ার বিমানবন্দর উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে। ২০২৫ সালে সপ্তম অবস্থানে থাকা বিমানবন্দরটি এবার সম্ভাব্য সংযোগ ৯ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে সংযুক্ত বিমানবন্দরগুলোর তালিকায় আরও ওপরে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৯ জনকে হত্যা করিয়েছি’ দাবি অনন্ত কুমার সিংয়ের

এশিয়ার দাপট

বিশ্বের শীর্ষ ২০টি সংযুক্ত বিমানবন্দরের তালিকায় এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আধিপত্যও চোখে পড়ার মতো। এই অঞ্চলের আটটি বিমানবন্দর জায়গা করে নিয়েছে শীর্ষ ২০-এ। চীনের বিমানবন্দরগুলোও এবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। সাংহাই পুডং ১৯তম থেকে উঠে ১৪তম, গুয়াংজুর বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩৬তম থেকে ১৯তম এবং হংকং বিমানবন্দর ২২তম থেকে উঠে ২০তম অবস্থানে এসেছে।

তবে কম খরচের এয়ারলাইন বা লো-কস্ট ক্যারিয়ারের সংযোগের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কুয়ালালামপুর। সেখানে প্রায় ১৫ হাজার সম্ভাব্য লো-কস্ট সংযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: কুয়েতের গৃহকর্মী খাতে ৪০ শতাংশ ভারতীয়, বাংলাদেশি মাত্র ১২ শতাংশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুর বুদ্ধি বিকাশে খাদ্যতালিকায় স্যামন, ব্লুবেরি, পালং শাক, আখরোট, ডিম ও ডার্ক চকোলেট রাখবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ এম


শিশুর বুদ্ধি বিকাশে খাদ্যতালিকায় স্যামন, ব্লুবেরি, পালং শাক, আখরোট, ডিম ও ডার্ক চকোলেট রাখবেন

শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। কিছু নির্দিষ্ট খাবার শিশুর বুদ্ধির বিকাশে বিশেষভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

চর্বিযুক্ত মাছ

স্যামন বা সার্ডিনের মতো মাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বিদ্যমান। এই উপাদানটি মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সহায়তা করে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর।

বেরি জাতীয় ফল

ব্লুবেরি এবং অন্যান্য গাঢ় রঙের বেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি। এসব উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে এবং মস্তিষ্কের বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে।

সবুজ শাকসবজি

পালং শাক এবং ব্রকলি ভিটামিন কে, ফোলেট এবং বিটা ক্যারোটিন সরবরাহ করে। এই পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের কোষগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

বাদাম ও বীজ

আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই রয়েছে। এই উপাদানগুলো শিশুর স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

ডিম

ডিমের কুসুম ‘কোলিন’ নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান প্রদান করে। এটি মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান তৈরি করতে সহায়তা করে, যা স্মৃতিশক্তি ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

ডার্ক চকোলেট

ডার্ক চকোলেটে ফ্লাভোনয়েডের উচ্চ পরিমাণ থাকায় এটি শিশুর মনোযোগ এবং মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আলজাজিরার বিশ্লেষণ

৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে কারা শক্তিশালী, কারা দুর্বল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ এম


৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে কারা শক্তিশালী, কারা দুর্বল?

তিন বছর আগে ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধটি গাজায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। সময়ের সাথে সাথে এটি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এক পর্যায়ে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানও।

এই দীর্ঘ সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো অনেক হিসাব পরিবর্তিত হয়েছে। ইরানের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক মিত্রদের নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়েছে। একই সময়ে সামরিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে উঠে এসেছে ইসরাইল। তবে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে- এই শক্তি কি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হবে, নাকি নতুন সংঘাতের দরজা খুলে দিচ্ছে?

আলজাজিরার একটি বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭ অক্টোবরের পর তিন বছরে মধ্যপ্রাচ্যে জোট, অর্থনীতি এবং শক্তির ভারসাম্য উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।

দুর্বল ‘প্রতিরোধ অক্ষ’

ইরানের আঞ্চলিক প্রভাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের মতো মিত্র গোষ্ঠীগুলো ছিল। কিন্তু গত তিন বছরের যুদ্ধে এই নেটওয়ার্কের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

ইসরাইলের হামলায় হিজবুল্লাহ ও হামাসের বহু শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের পতনও ইরানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। কারণ সিরিয়া ছিল ইরান থেকে লেবাননে হিজবুল্লাহর কাছে সরবরাহ পৌঁছানোর গুরুত্বপূর্ণ করিডর। তবে এই দুর্বলতার মধ্যেও ইয়েমেনের হুথিরা ইরানের আঞ্চলিক নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হিসেবে টিকে আছে। বরং সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে তাদের অগ্রযাত্রা বাব আল-মান্দাব প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-ছাতায় ফাটল

৭ অক্টোবরের আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় কৌশল ছিল ইসরাইলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। কিন্তু যুদ্ধ সেই পরিকল্পনার গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক এইচএ হেলিয়ার বলেন, ৭ অক্টোবরের পর ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-ছাতার ওপর আস্থাও কমেছে। চলতি বছরের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলা সেই ধারণাকে আরও দুর্বল করেছে।

কাতারের রাস লাফান গ্যাসকেন্দ্রে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, দুবাই বিমানবন্দর ও ফুজাইরাহর তেল অঞ্চলের কাছে আগুন এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথিদের হামলা- সব মিলিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হয়েছে।

এরই মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান আগস্টে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। চুক্তির মূল কথা হলো- তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইসরাইল কি এখন সবচেয়ে শক্তিশালী?

সামরিক দিক থেকে ইসরাইল এখন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি- এমন মূল্যায়ন রয়েছে। কিন্তু সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এক বিষয় নয়।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির পরিচালক সানাম ভাকিলের মতে, ৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে বাইরের শক্তিগুলোর প্রভাব আরও বেড়েছে। তুরস্ক সিরিয়ায় সক্রিয় হয়েছে, আর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় চীনের ভূমিকাও বেড়েছে।

তার মতে, এর মধ্যে একটি বড় পরিবর্তন হলো- ইসরাইল এখন যেন ‘পরিবর্তনকামী শক্তি’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, আর ইরান বরং হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধারে মনোযোগী।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের একচ্ছত্র আঞ্চলিক পরাশক্তি হয়ে গেছে। ভাকিলের মতে, সামরিক শক্তিতে ইসরাইল এগিয়ে থাকলেও প্রকৃত আঞ্চলিক শক্তির অন্যতম মাপকাঠি হলো স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সক্ষমতা। আর সেই জায়গায় ইসরাইল এখনো সফল হয়নি।

গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় নতুন বাস্তবতা

গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান অঞ্চলটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতাই বদলে দিয়েছে। ইসরাইল গাজার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে উপত্যকার অবকাঠামো বিপর্যস্ত হয়েছে।

লেবাননেও পরিস্থিতি বদলেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে এবং ২০২৬ সালের মার্চে ইসরাইলি বাহিনী লেবাননে অভিযান চালায়। এর পাশাপাশি সিরিয়ার পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর ইসরাইল সেখানে নিজেদের নিরাপত্তা অবস্থান আরও শক্ত করেছে। ফলে ইসরাইলের চারপাশের পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামো আর আগের অবস্থায় নেই।

অর্থনীতিতেও পড়েছে যুদ্ধের ছাপ

যুদ্ধের প্রভাব শুধুমাত্র সামরিক বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোও সংঘাতের কেন্দ্রে চলে এসেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। অন্যদিকে বাব আল-মান্দাবও বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ।

ইরান ও তার মিত্র হুথিদের সামরিক তৎপরতার কারণে দুটি নৌপথই এখন বাড়তি ঝুঁকির মুখে। এতে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হলেও এর প্রভাব সব দেশের ওপর সমান নয়।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সামান্য কমিয়ে ৩ দশমিক ১ শতাংশ করা হলেও উপসাগরীয় দেশগুলো তুলনামূলক বড় ধাক্কা খেয়েছে। সৌদি আরবের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ১ শতাংশ করা হয়েছে। কাতারের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বদলে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ সংকোচনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তাহলে নতুন মধ্যপ্রাচ্য কেমন?

তিন বছর পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো- ৭ অক্টোবরের পর যে নতুন মধ্যপ্রাচ্য তৈরি হয়েছে, সেটি কোন দিকে যাচ্ছে? ইরানের আঞ্চলিক মিত্ররা দুর্বল হয়েছে। ইসরাইল সামরিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর আস্থায় ভাটা পড়েছে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার জন্য নতুন অংশীদারিত্ব খুঁজছে। একই সময়ে চীনও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

অর্থাৎ, মধ্যপ্রাচ্য এখন আর আগের মতো একটি নির্দিষ্ট শক্তির ছায়ায় নেই। বরং একাধিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে দেশগুলো।

এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে ৭ অক্টোবরের পর শুরু হওয়া যুদ্ধ। তবে যুদ্ধের সবচেয়ে বড় উত্তর এখনো মেলেনি- সামরিক শক্তির মাধ্যমে বদলে যাওয়া এই মধ্যপ্রাচ্য কি শেষ পর্যন্ত স্থিতিশীল হবে? নাকি পুরোনো সংঘাতের জায়গায় জন্ম নেবে আরও নতুন সংঘাতের রেখা?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোরিয়ান ‘গ্লাস স্কিন’ ট্রেন্ড: ত্বকের ঝুঁকি ও সুরক্ষাব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ এম


কোরিয়ান ‘গ্লাস স্কিন’ ট্রেন্ড: ত্বকের ঝুঁকি ও সুরক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চকচকে, মসৃণ এবং শিশিরভেজা ত্বকের ছবি দেখা যাচ্ছে। যেন মুখের ত্বক কাচের মতো উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ। এই আকর্ষণীয় সৌন্দর্যধারণার নাম ‘গ্লাস স্কিন’। কোরিয়ান সৌন্দর্যচর্চা থেকে উদ্ভূত এই প্রবণতা বর্তমানে টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ত্বককে এমন ঝকঝকে করতে একাধিক টোনার, সিরাম, এসেন্স ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেন অনেক সৌন্দর্যপ্রভাবক। কিছু সৌন্দর্যপ্রভাবক একই রুটিনে একাধিক স্তরে পণ্য ব্যবহারের ভিডিও প্রকাশ করছেন। তবে যে ত্বককে কাচের মতো উজ্জ্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি কি শেষ পর্যন্ত ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে?

সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত এবং জটিল স্কিনকেয়ার রুটিনে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষাব্যবস্থা বা স্কিন ব্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে জ্বালা, ব্রণ, র্যাশ এবং বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কীভাবে জনপ্রিয় হলো ‘গ্লাস স্কিন’

‘গ্লাস স্কিন’ শব্দটি দক্ষিণ কোরিয়ার সৌন্দর্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত। এটি এমন ত্বককে বোঝায়, যা অত্যন্ত মসৃণ, উজ্জ্বল এবং প্রায় ছিদ্রহীন দেখায়। ২০১০-এর দশকের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ে ধারণাটি জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে সৌন্দর্যপ্রভাবকেরা নিজেদের স্কিনকেয়ার রুটিনের ভিডিও প্রকাশ করতে থাকেন। সেখানে একাধিক পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি আঙুল বা বিউটি টুল দিয়ে মুখে আলতোভাবে চাপ দেওয়ার শব্দও অনেক দর্শকের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। পরে অভিনেত্রী ও মডেলসহ বিভিন্ন তারকাও নিজেদের স্কিনকেয়ার রুটিন তুলে ধরায় প্রবণতাটি আরও ছড়িয়ে পড়ে।

বিপদ কোথায়?

ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের যত্নে ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে একসঙ্গে অনেক পণ্য ব্যবহারের কারণে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের বিষয় হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ভিডিওতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ না থাকা ব্যক্তিরা ত্বকের যত্নের পরামর্শ দিচ্ছেন। ফলে এসব পরামর্শে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা তথ্য বাদ পড়ে যাচ্ছে।

২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইউরোপিয়ান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি অ্যান্ড ভেনেরিওলজি কংগ্রেসে উপস্থাপিত এক গবেষণায় ‘গ্লাস স্কিন’ নিয়ে ভাইরাল ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকেরা পাঁচটি কোরিয়ান স্কিনকেয়ার-সংক্রান্ত সার্চ শব্দের অধীনে জনপ্রিয় ভিডিওগুলো পর্যালোচনা করেন। ৩৮টি ভিডিও বিশ্লেষণের পর দেখা যায়, প্রায় ৯৫ শতাংশ ভিডিওতে বিভ্রান্তিকর দাবি ছিল।

এর মধ্যে মাত্র একটি ভিডিওতে ত্বকে জ্বালাপোড়ার ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল। মাত্র দুটি ভিডিওতে সূর্য থেকে ত্বক সুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। কোনো ভিডিওতেই কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিসের ঝুঁকি বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়নি।

প্রায় ৪৫ শতাংশ ভিডিওতে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পরামর্শ ছাড়াই একাধিক সক্রিয় উপাদান একসঙ্গে ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছিল। আর ৩২ শতাংশ ভিডিওতে তাৎক্ষণিক ফল পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্লেষণ করা কোনো ভিডিওই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের তৈরি নয়।

বাস্তব অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়

টিকটকে একসময় ‘গ্লাস স্কিন গার্ল’ নামে পরিচিত ছিলেন গ্রেটা কোস্তিওলি। ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক হওয়ায় কৈশোর থেকেই তিনি বেশি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতেন। ‘গ্লাস স্কিন’ ট্রেন্ড জনপ্রিয় হওয়ার পর তিনি আরও বেশি পণ্য ব্যবহার শুরু করেন। একপর্যায়ে সাত স্তরে হাইড্রেটিং টোনার ব্যবহারের পদ্ধতিও অনুসরণ করেন।

শুরুতে এতে ভালো ফল পেয়েছিলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাস্তব জীবন- দুই জায়গাতেই তার ত্বকের প্রশংসা হতে থাকে। কিন্তু পরে অতিরিক্ত পণ্য ব্যবহারের কারণে তার স্কিন ব্যারিয়ার বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে।

তার মুখে ছোট ছোট লালচে দানা দেখা দেয়, যা কয়েক দিন স্থায়ী হতো। অতিরিক্ত স্কিনকেয়ার চালিয়ে গেলে সেই দানাগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠত। শেষ পর্যন্ত তাকে নিজের স্কিনকেয়ার রুটিনের ধাপ কমাতে হয়।

‘ছিদ্রহীন’ ত্বক কি আদৌ সম্ভব?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘গ্লাস স্কিন’-এর যে প্রায় ছিদ্রহীন ত্বকের ধারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখানো হয়, সেটি বাস্তবে অর্জন করা সম্ভব নয়। কারণ ত্বকের ছিদ্র বা পোরস জিনগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং শুধু স্তরে স্তরে প্রসাধনী ব্যবহার করে এগুলো দূর করা যায় না। অতিরিক্ত পণ্য ব্যবহারের কারণে বরং কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস, রোসেশিয়া এবং ব্রণের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

ইয়েল স্কুল অব মেডিসিনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোনা গোহারা বলেন, ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে টানটান ভাব, চুলকানি, ব্যথা, প্রদাহ, খসখসে হয়ে যাওয়া এবং ত্বক লাল বা গাঢ় হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

তাহলে কী করবেন?

ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিছুদিন স্ক্রাব, এক্সফোলিয়েটিং অ্যাসিড এবং রেটিনয়েড ব্যবহার বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ সময় হালকা, পিএইচ-নিরপেক্ষ এবং সাবানবিহীন ক্লিনজার এবং কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। স্কিন ব্যারিয়ার মেরামতে সহায়ক ক্রিমও ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনের বেলায় সানস্ক্রিন ব্যবহার চালিয়ে যেতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের যত্নে জটিল রুটিনের প্রয়োজন নেই। সাধারণভাবে একটি মৃদু ক্লিনজার, ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সক্রিয় উপাদান- যেমন রেটিনল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড অথবা ভিটামিন সি- ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন দিয়েই একটি সহজ রুটিন তৈরি করা যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের ত্বকের ধরন ও সহনশীলতা বোঝা। নতুন কোনো পণ্য একসঙ্গে অনেকগুলো না দিয়ে একটি করে ধীরে ধীরে ব্যবহার শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন ৩০ বা তার বেশি এসপিএফের ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্পিউটারে টানা কাজে ঘাড়-পিঠে ব্যথা, জানুন প্রতিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ এম


কম্পিউটারে টানা কাজে ঘাড়-পিঠে ব্যথা, জানুন প্রতিকার

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ক্ষয়ের কারণে ঘাড় এবং পিঠে তীব্র ব্যথার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে বর্তমানে অল্প বয়সীদের মধ্যেও এই ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে বসে কাজ করা এবং ল্যাপটপের অপ্রতুল ব্যবহারকে এর জন্য দায়ী করছেন।

চিকিৎসকদের মতে, ঘাড়ের প্রধান কাজ হলো মাথাকে সঠিকভাবে ধারণ করা এবং ঘোরাতে সহায়তা করা। যদি কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভুল ভঙ্গিতে ঘাড়কে একই অবস্থানে রেখে বসে থাকে, তাহলে ঘাড়, কাঁধ এবং মাথায় ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। দীর্ঘ সময় ধরে এই অভ্যাসের ফলে মেরুদণ্ড এবং ঘাড়ের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

প্রতিরোধে করণীয়

পর্দার সঠিক অবস্থান : কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিন বা পর্দা চোখের সোজাসুজি রাখতে হবে, যাতে ঘাড় নিচু করে কাজ করতে না হয়।

সঠিক বসার ভঙ্গি : পিঠ এবং মেরুদণ্ড সোজা রেখে কিন্তু আরামদায়ক ভঙ্গিতে বসতে হবে। পা মেঝের সঙ্গে সমান্তরালে থাকবে।

বিরতি ও স্ট্রেচিং : টানা বসে না থেকে প্রতি ৪০-৪৫ মিনিট পর পর উঠে দাঁড়াতে হবে।

১-২ মিনিট একটু পায়চারি করার পাশাপাশি ঘাড় ডানে-বাঁয়ে ঘুরিয়ে হালকা স্ট্রেচিং করে নিলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি ব্যথা নিয়মিত হতে শুরু করে, ঘাড় ঘোরাতে কষ্ট হয় অথবা যন্ত্রণার কারণে ঘাড় ও কাঁধ অসাড় অনুভব হতে থাকে, তাহলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%