বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৯ পি.এম
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মহামান্য জঁ-মার্ক সেরে-শারেল প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই বিষয়টি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদানসহ ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে—বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বিমান চলাচল, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন—সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, তারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) আসন্ন অধিবেশনকেন্দ্রিক অগ্রাধিকার ও প্রত্যাশা নিয়ে মতবিনিময় করেন। উভয়পক্ষ জলবায়ু পরিবর্তন ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আরও বেশি ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান জানান এবং অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য শক্তি, মহাকাশ গবেষণা, প্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে বৈধ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের অধিকতর সুযোগ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে তিনি অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের বিষয়ে বাংলাদেশের ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফ্রান্সের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা জানান।
রাষ্ট্রদূত সেরে-শারেল পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফ্রান্সের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়ে ফ্রান্সের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৩ লাখ রোহিঙ্গার জন্য ফ্রান্সের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন। উভয়পক্ষই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে একত্রে কাজ করার বিষয়ে তাদের প্রস্তুতির কথা জানায়।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি শেষ হয়। উভয়পক্ষই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, অব্যাহত যোগাযোগ ও বর্ধিত সহযোগিতা বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ককে আরও গতিশীল করে তুলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বজ্রপাতে লিটন সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নোয়াহাটি পশ্চিম মাঠে কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে লিটন সরকার মাঠে কৃষিকাজ করতে গেলে হঠাৎ বজ্রপাত ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে এটিকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। নতুন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। সুন্দরবনকে পিপিপি মডেলে উন্নয়ন করা গেলে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, জঙ্গলসহ বিভিন্ন ধরনের পর্যটন সম্পদ বিদ্যমান। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটা এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। সিলেটের চা-বাগান, নদী ও জলাভূমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যও বাংলাদেশের পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।
তিনি উল্লেখ করেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কেবল কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব গল্প ও পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাগুলোকে পরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন শিল্পে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে এবং এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি জানান, পর্যটন উন্নয়ন কেবল প্রশাসনিক অগ্রাধিকার নয়, এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারও। অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে এটিকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাইরের পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। সুন্দরবনকে নিয়ে পিপিপি মডেলে কিছু করা গেলে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।
মন্ত্রী পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণেরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে পর্যটন খাতের অবদান যে পর্যায়ে রয়েছে, তা আরও বাড়াতে কাজ করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী এবং বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ট্যুরিজম ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর জেনারেল হিসেবে অ্যান্টন কোভালস্কিকে নিয়োগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জারি হওয়া একটি প্রেসিডেন্ট ডিক্রিতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কোকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেন জেলেনস্কি। মঙ্গলবার ইউক্রেনের আইনপ্রণেতারা ভোটের মাধ্যমে তাকে সরানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ৪২ বছর বয়সী অ্যান্টন কোভালস্কি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে খমেলনিতস্কি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন তাকে দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর জেনারেলের দায়িত্ব দেওয়া হলো।
গত সপ্তাহে ক্রাভচেঙ্কো প্রসিকিউটর জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করার পর তিনি পদ ছাড়েন। ইউক্রেনের জাতীয় দুর্নীতিবিরোধী ব্যুরো (ন্যাবু) এবং বিশেষায়িত দুর্নীতিবিরোধী প্রসিকিউটর কার্যালয় (সাপো) অভিযোগ করেছে যে, ক্রাভচেঙ্কোর অধীনস্থ একজন কর্মকর্তা একটি চক্র গড়ে তুলেছিলেন, যারা প্রতারণামূলক কল সেন্টারগুলোকে আড়াল করতে সহায়তা করত। এসব কল সেন্টারের মাধ্যমে ইউক্রেনীয় নাগরিক ও বিদেশিদের প্রতারণা করা হতো বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে ক্রাভচেঙ্কো এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি এবং তাকে কোনো মামলায় সন্দেহভাজনও করা হয়নি।
সোমবার বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। সেদিন ক্রাভচেঙ্কো ন্যাবুর প্রধান সেমেন ক্রিভোনোসের বিরুদ্ধে নথি জাল করার অভিযোগ করেন। ক্রাভচেঙ্কোর দাবি, ২০০৯ সালে ক্রিভোনোস একটি শিশুকে ভুয়া দত্তক নেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন, তার কার্যালয়কে ঘিরে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলোর তদন্তের পেছনে অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে। তার ভাষ্যমতে, নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে যে তদন্ত চলছে, তা বন্ধ করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে ক্রাভচেঙ্কোর এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ন্যাবু ও সাপো। দুটি সংস্থাই তার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে অ্যান্টন কোভালস্কিকে ভারপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর জেনারেলের দায়িত্ব দেওয়া হলো। এর ফলে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ে নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। তবে কোভালস্কি কতদিন ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তাকে স্থায়ী প্রসিকিউটর জেনারেল করা হবে কি না, প্রেসিডেন্টের ডিক্রিতে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মেধার স্বীকৃতি প্রদান করতে গত এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে মেধাবৃত্তি প্রদান করে আসছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই শিক্ষাবোর্ড মোট ১ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থীকে ৯০ লাখ ৪৯ হাজার টাকার মেধাবৃত্তি প্রদান করেছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১৪৪৭ হিজরি/২০২৬ সালের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মেধাবৃত্তির অর্থ সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোতে পাঠানো হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বোর্ড থেকে বৃত্তির অর্থ সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আল-হাইআতুল উলয়া আরও জানায়, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ বোর্ডভুক্ত মাদরাসা থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অর্থ সরাসরি আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। এজন্য নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে পূরণ করে, মুহতামিম/নাজিমে তালিমাতের সিল ও স্বাক্ষরসহ আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৪৩৮ হিজরি (২০১৭) সালে ১৩৯ জন শিক্ষার্থীকে ৮ লাখ ১৯ হাজার টাকা, ১৪৩৯ হিজরি (২০১৮) সালে ১২৩ জনকে ৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা এবং ১৪৪০ হিজরি (২০১৯) সালে ১৪৩ জনকে ৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এরপর ১৪৪১ হিজরি (২০২০) সালে ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে ৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং ১৪৪২ হিজরি (২০২১) সালে ১৯৬ জনকে ১০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, ১৪৪৩ হিজরি (২০২২) সালে ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, ১৪৪৪ হিজরি (২০২৩) সালে ১৩৫ জনকে ৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, ১৪৪৫ হিজরি (২০২৪) সালে ১৯৬ জনকে ১০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং ১৪৪৬ হিজরি (২০২৫) সালে ১৯০ জনকে ১০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়।
সবশেষ ১৪৪৭ হিজরি/২০২৬ সালে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ১৪৮ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা মেধাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১২২ জন ছাত্র শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং ২৬ জন ছাত্রী শিক্ষার্থীর জন্য মোট ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেধাবৃত্তির পরিমাণ অনুযায়ী, প্রথম স্থান অধিকারীকে ২০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। চতুর্থ থেকে দশম স্থান পর্যন্ত প্রত্যেককে ৭ হাজার টাকা এবং ১১তম স্থান থেকে মেধা তালিকার শেষ পর্যন্ত প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ