সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১১ পি.এম
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন না করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেছেন, যখন তিনি উদ্বোধনী ফলকে নিজের নাম দেখে হতাশ হন।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে দেবিদ্বার উপজেলার রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। রোববার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় ও আয়োজক সূত্রে জানা যায়, রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
অনুষ্ঠান শেষে নতুন ভবনের নামফলক উন্মোচনের সময় তিনি নিজের নাম খোদাই করা দেখতে পান। নামফলকে ব্যক্তির নাম ব্যবহারে আপত্তি জানিয়ে তিনি ভবনটি উদ্বোধন না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ আয়োজকদের উদ্দেশে বলেন, "জনগণের করের টাকায় নির্মিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনায় ব্যক্তি বিশেষের নাম ব্যবহারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি তিনি সমর্থন করেন না।" তিনি মন্তব্য করেন, জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক নেতাদের আত্মপ্রচারের জন্য নামফলকে ব্যক্তির নাম ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।
রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সাঈদ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, সংসদ সদস্যের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত নামফলকটি পরিবর্তন করে পুনঃস্থাপন করা হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ এ বিষয়ে জানান, তিনি নতুন বাংলাদেশে প্রথাগত রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজা বা আত্মপ্রচারের সংস্কৃতি দেখতে চান না। জনগণের অর্থে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হয়, তাই নামফলকে ব্যক্তির নামের পরিবর্তে দেশের নাম কিংবা প্রতিষ্ঠানের ঐতিহাসিক তথ্য থাকা উচিত।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে তার নির্বাচনি এলাকার কোনো উন্নয়নমূলক কাজের নামফলকে তার নাম ব্যবহার না করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেরি সার্ভিস চালুর পর ভারী যানবাহনের চলাচল বেড়ে গেছে, তবে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক এখনো অপ্রশস্ত রয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে ১৪ টন রড বোঝাই করে সন্দ্বীপে আসার পথে একটি ট্রাক সড়কের পাশের ড্রেনে পড়ে উল্টে গেছে। এই ঘটনায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১টার দিকে উপজেলার মালেক মুন্সি বাজার থেকে পশ্চিম সাইদ সেরাং মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-১৬-৬৯৯৮। এটি দেওয়ানহাট ট্রাক মালিক সমিতির একটি ট্রাক বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ট্রাকটি রড বোঝাই করে যাওয়ার সময় একটি গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করলে সড়কের পাশের ড্রেনে পড়ে উল্টে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। ট্রাকটি উল্টে গেলেও বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্দ্বীপের প্রধান সড়ক গুপ্তছড়া সড়কের বড় একটি অংশ এখনো মাত্র ১২ ফুট প্রশস্ত রয়েছে। ২০২৫ সালের আগে এই সড়কে মূলত কৃষিকাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর, ট্রলি, গরুর গাড়ি ও ভ্যানের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন হতো। যাত্রীদের চলাচল ছিল রিকশা, টেম্পু ও মাইক্রোবাসে।
২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে ফেরি সার্ভিস চালু হওয়ার পর সড়কটিতে বড় ট্রাক, বাস, হাইস, পিকআপসহ বিভিন্ন ভারী যানবাহনের চলাচল বেড়ে যায়। ফলে অপ্রশস্ত সড়কে যানবাহন চলাচল ও পরস্পরকে অতিক্রম করার সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির উন্নয়নকাজের টেন্ডার হয়। তবে ১৮ ফুট প্রশস্ত করার কাজ মূলত বাজারসংলগ্ন অংশে করা হয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের বাকি অংশ এখনো ১২ ফুট প্রশস্ত রয়েছে।
এদিকে সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন দোকানের সামনে থাকা ড্রেনগুলোও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অনেক স্থানে ড্রেন ও সড়কের মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। কোথাও ড্রেনের ওপর যথাযথ ঢাকনা বা নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় বড় যানবাহনের চালকেরা বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতে ঝুঁকিতে পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ফেরি সার্ভিস চালুর পর সন্দ্বীপের সড়কে ভারী যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিন্তু যানবাহনের চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরো সড়কটি প্রশস্ত করা হয়নি। একই সঙ্গে সড়কের পাশের ড্রেনগুলো নিরাপদ ও দৃশ্যমান করা না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও ঘটতে পারে।
তাদের দাবি, গুপ্তছড়া সড়কের অবশিষ্ট ১০ কিলোমিটার অংশ দ্রুত প্রশস্ত করার পাশাপাশি সড়কের দুই পাশের ড্রেনগুলো সংস্কার, ঢাকনা স্থাপন ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৩–০ গোলে পরাজয়ের পর বাংলাদেশ দলের জন্য প্রতিটি ম্যাচ হয়ে উঠেছে বাঁচা-মরার লড়াই। আজ তারা সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে। এই ম্যাচে দলের জন্য জয় অর্জন করা অপরিহার্য। কোচ থমাস ডুলি এই ম্যাচে একাদশে ৪টি পরিবর্তন আনতে পারেন।
প্রথম ম্যাচে সেন্টারব্যাকে শাকিল আহাদ তপুর একাধিক ভুলের কারণে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল। আজ তাকে শুরুর একাদশে না দেখা যেতে পারে। তার পরিবর্তে জিদান ইউসুফকে খেলানোর সম্ভাবনা রয়েছে। জিদান আগের ম্যাচে অভিষেকেই ভালো পারফর্ম করেছেন এবং মাঠে আসার পর বাংলাদেশ একটিও গোল হজম করেনি।
আক্রমণভাগেও পরিবর্তন আসতে পারে। ফাহামেদুল ইসলাম আগের ম্যাচে খুবই ম্লান ছিলেন। তার জায়গায় শুকি ইতোফুসাইকে একাদশে দেখা যেতে পারে, তবে তিনি উইংয়ে খেলবেন। মূল স্ট্রাইকার হিসেবে ফারহান আলী ওয়াহিদ মাঠে নামতে পারেন।
এদিকে, শেখ মোরছালিন যিনি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন, আজ শুরু থেকেই খেলতে পারেন। এর ফলে শমিত সোমকে বেঞ্চে বসানো হতে পারে। সোহেল রানা দলে থাকবেন, এটি মোটামুটি নিশ্চিত।
মেহেদী হাসান শ্রাবণ আগের দিন গোলরক্ষণের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক পারফর্ম করতে পারেননি। তাই আজ তিনি জায়গা হারাতে পারেন এবং মিতুল মারমা দলে ফিরতে পারেন।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ—
মিতুল মারমা;
সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ;
সোহেল রানা (অধিনায়ক), হামজা চৌধুরী;
রাকিব হোসেন, শেখ মোরছালিন, শুকি ইতোফুসাই;
ফারহান আলী ওয়াহিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) বেসরকারীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের মধ্যে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) শীর্ষ পদে পরিবর্তন ঘটেছে।
মাইক বেয়ার্ড চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর, দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ডেভিড বুন অন্তর্বর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ২৮ অক্টোবর বার্ষিক সাধারণ সভার পর দায়িত্ব নেবেন।
বেয়ার্ড ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সিএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বোর্ডে ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন। তবে বিগ ব্যাশ লিগের সম্প্রতি নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে তিনি পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।
বেয়ার্ডের পদত্যাগের পর সিএ বুনকে অন্তর্বর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। স্থায়ী চেয়ারম্যানের নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী বার্ষিক সাধারণ সভার পর শুরু হবে।
বুন সিএর বোর্ডে গত বছর যোগদান করেন। এর আগে তিনি ৯ বছর ক্রিকেট তাসমানিয়ার পরিচালক ছিলেন, যার মধ্যে ৩ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০৭ টেস্ট ও ১৮১ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। পরে তিনি আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবেও কাজ করেছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর বুন বলেছেন, ‘এমন সময়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অন্তর্বর্তী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া অনেক বড় সম্মানের। আমি বোর্ডকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই। বিশ্ব ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থ এগিয়ে নিতে আমরা যেসব সিদ্ধান্ত নেব, সেগুলোতে নেতৃত্ব দেওয়ার অপেক্ষায় আছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বর্তমান সামাজিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যন্ত্রণার চিত্র তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন ড. শামারুহ মির্জা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এই পোস্টে তিনি গ্রামীণ জনপদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ ‘জমিজমা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব’ নিয়ে অত্যন্ত সুচিন্তিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন, যা বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
ড. শামারুহ মির্জার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসমূহ
সংযুক্ত ফেসবুক পোস্টে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জনস্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বা অনুরোধ রেখেছেন। স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার জন্য তিনি হামের টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি প্রয়োজনে প্রণোদনা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে গ্রামগঞ্জের প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত ট্রেইন্ড স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং গবাদিপশুর টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।
বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ: টিকাদান ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে প্রয়োজনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করে ফলোআপ কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন।
টিকাদান কর্মসূচি প্রচারে গণমাধ্যমকে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
জিরো টলারেন্স নীতি: জমি দখলকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের ভাঙচুর বা সহিংস ঘটনায় প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের অনুরোধ জানিয়েছেন।
পোস্টটির সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশজুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ— জমিজমা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী দ্বন্দ্ব। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জমি নিয়ে শত শত অনুরোধ পাওয়ার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ভাইয়ে ভাইয়ে, কাজিনদের মধ্যে, কিংবা শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী বা ব্যবসায়িক অংশীদার— কাউকেই যেন এই বিরোধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যায় না।
তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, একটা জিনিস খুব কাছ থেকে দেখেছি, জমির ব্যাপার হলে মানুষ সহজে ছাড়ে না। বছরের পর বছর বিরোধ চলে, সম্পর্ক নষ্ট হয়, আর অনেক সময় মানুষের সবচেয়ে কুৎসিত দিকটা বেরিয়ে আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, একজন সচেতন নাগরিক ও গবেষক হিসেবে শামা রুহ মির্জা যেভাবে তৃণমূলের এই না বলা কথাগুলো এবং জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক শৃঙ্খলার বিষয়টি সামনে এনেছেন, তা বর্তমান সমাজে আত্মোপলব্ধির জায়গা থেকে অত্যন্ত সময়োপযোগী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ