শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৫ এম
৫ রানে ৪ উইকেট হারানো অবস্থায় জয় পাওয়ার আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে যায়। তবে আফগানিস্তান সেই পরিস্থিতি থেকে জয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের সেঞ্চুরির সাহায্যে তারা ২২১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়েকে ২০২ রানে থামিয়ে দিয়েছে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯ রানে জয় লাভ করে ইব্রাহিম জাদরানের দল সিরিজ নিশ্চিত করেছে, এক ম্যাচ হাতে রেখে। ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে জয়লাভ করে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে।
শারজাহতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, মোহাম্মদ আকরাম এবং শহিদুল্লাহর মধ্যে কেবল ইব্রাহিমই রানের খাতা খুলতে সক্ষম হন। ৯ বলে তিনি মাত্র ১ রান সংগ্রহ করেন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই ঝড় তুলতে শুরু করেন। তাকে ১৭ রান করে সেদিকুল্লাহ অতল এবং ৫২ রান করে ইজাজ আহমেদ সমর্থন দেন। শেষদিকে রশিদ খান ৬ বলে ২৫ রান করে দলের স্কোর বাড়ান।
৫০ বলে ১১৬ রান করে আউট হওয়া ওমরজাই ৫টি চার এবং ১২টি ছয়ের সাহায্যে ইনিংসটি সাজান। তার সেঞ্চুরির বিপরীতে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা সেঞ্চুরি করেন। তবে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক অপরপ্রান্ত থেকে পর্যাপ্ত সমর্থন পাননি। রাজা শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাফাদজাওয়া সিগা ৩১, ইনোসেন্ট কাইয়া ২৫ এবং ব্রায়ান বেনেত ২২ রান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হল নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য।
হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, নামাজ মুমিন এবং অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সকল প্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।
আজ শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ইংরেজি, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বাংলা, ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো:
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য বিদ্যমান। ঢাকার সময়ের সঙ্গে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে পারেন।
যোগ করতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
সূত্র- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরসাইকেলের সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা দেড় মাস বৃদ্ধি করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের জন্য সময়সীমা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকার মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিআরটিএ এর আগে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করেছে। এজন্য মোটরসাইকেলের মালিকদের নির্ধারিত মাপ ও নকশা অনুসরণ করে সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে এই কাজ শেষ করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ নভেম্বর। গত ১৬ অক্টোবর এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিআরটিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহার করার বিধান রয়েছে। এখন থেকে পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে।
নির্দেশনায় সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেটের আকারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বিআরটিএ। স্কুটারের জন্য নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। এতে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার থাকতে হবে।
অন্যদিকে, স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এসব নম্বরপ্লেটেও অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় লেখা যাবে। নমুনা হিসেবে ‘ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯’ উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। ইতিহাস সাক্ষী হয় ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের দিকে পথনির্দেশ করে।
আজ ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার), ২০২৬। ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয়। আসুন, একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
১৩০ - সম্রাট হাড্রিয়ান নীল নদের তীরে তার সঙ্গী অ্যান্টিনাসের সম্মানে অ্যান্টিনোপলিস শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
৬৩৭ - আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ: লৌহ সেতুর যুদ্ধের পর আন্তিয়খ রাশিদুন খিলাফতের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
৭৫৮ - আরব ও পারস্যের জলদস্যুরা কুয়াংচৌ লুণ্ঠন করে।
১১৩৭ - রিগনানোর যুদ্ধে অপুলিয়ার রানুলফ সিসিলির দ্বিতীয় রজারকে পরাজিত করেন।
১২৭০ - অষ্টম ক্রুসেড শেষ হয় - ফ্রান্সের রাজা নবম লুইয়ের ভাই আঞ্জুর প্রথম চার্লস এবং তিউনিসের হাফসীয় রাজবংশের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে।
১৩৪০ - রিকনকুইস্তা: রিও সালাদোর যুদ্ধে পর্তুগিজ ও কাস্তিলীয় বাহিনী মুসলিম আক্রমণ প্রতিহত করে।
১৬৫৭ - ইঙ্গ-স্পেনীয় যুদ্ধ: ওচো রিওসের যুদ্ধে স্পেনীয় বাহিনী জ্যামাইকা পুনর্দখলে ব্যর্থ হয়।
১৮০৬ - চতুর্থ জোটের যুদ্ধ: অনেক বড় বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছেন ভেবে ৫,৩০০ সৈন্যের অধিনায়ক প্রুশীয় জেনারেল ফন রোমবার্গ ৮০০ ফরাসি সৈন্যের কাছে স্টেটিন শহর আত্মসমর্পণ করেন।
১৮১৭ - সিমন বলিভার তৃতীয় ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি হন।
১৮৩১ - যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দাস বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ন্যাট টার্নার গ্রেফতার হন।
১৮৩৬ - লুই নেপোলিয়ন ফ্রান্সে জুলাই রাজতন্ত্র উৎখাতের জন্য স্ট্রাসবুর্গ অভ্যুত্থানের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালান।
১৮৫৮ - ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডে আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড মিশ্রিত মিষ্টি খেয়ে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়।
১৮৬৩ - ডেনমার্কের যুবরাজ ভিলহেলম এথেন্সে পৌঁছে হেলেনদের রাজা প্রথম জর্জ হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৮৬৪ - অস্ট্রিয়ার সম্রাট এবং প্রুশিয়া ও ডেনমার্কের রাজা দ্বয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৮৮ - মাতাবেলেল্যান্ডে সেসিল রোডসের প্রতিনিধিদের রাড কনসেশন প্রদান করা হয়।
১৮৯১ - জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯০৫ - রুশ জার দ্বিতীয় নিকোলাস অক্টোবর ইশতেহার জারি করেন, যাতে জনগণকে নাগরিক স্বাধীনতা ও ডুমা গঠনের অধিকার দেয়া হয়।
১৯১৮ - হাঙ্গেরিতে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৮ - অস্ট্রিয়া বিপ্লব সংগঠিত হয়।
১৯১৮ - সেন্ট স্টিফেনের মুকুটের ভূমি, হাঙ্গেরি রাজ্য এবং ক্রোয়েশিয়া, স্লাভোনিয়া ও ডালমেশিয়ার ত্রৈধ রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ইউনিয়ন ক্রোয়েশীয় ও হাঙ্গেরীয় সংসদের সিদ্ধান্তে বিলুপ্ত হয়।
১৯২০ - ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২০ - সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২২ - ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনি ফ্যাসিবাদী মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
১৯৩৮ - অরসন ওয়েলস এইচ. জি. ওয়েলসের দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস উপন্যাসের বেতার নাট্যরূপ প্রচার করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
১৯৪১ - রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট মিত্র দেশগুলোর জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের ল্যান্ড-লিজ সহায়তা অনুমোদন করেন।
১৯৪১ - হলোকাস্ট: পিধাইৎসি থেকে দেড় হাজার ইহুদিকে নাৎসিরা বেলজেক নির্মূল শিবিরে পাঠায়।
১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মান সাবমেরিন ইউ-৫৫৯ ডুবে যাওয়ার সময় কোড বই উদ্ধার করতে গিয়ে লেফটেন্যান্ট টনি ফ্যাসন ও নাবিক কলিন গ্রেজিয়ার মারা যান।
১৯৪৪ - হলোকাস্ট: আনা ও মার্গট ফ্রাঙ্ককে আউশভিৎস থেকে বার্গেন-বেলসেন বন্দিশিবিরে নির্বাসিত করা হয়।
১৯৪৫ - ভারত জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৪৭ - শুল্ক ও বাণিজ্য বিষয়ক সাধারণ চুক্তি (গ্যাট) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ভিত্তি।
১৯৪৮ - মাল্টার গোজো চ্যানেলে কালা উপকূলে যাত্রী বোঝাই লুৎসু মাছ ধরার নৌকা ডুবে ২৭ জনের মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৫২ - ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫৩ - রাষ্ট্রপতি আইজেনহাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পারমাণবিক প্রতিরোধ বজায় রাখা সংক্রান্ত গোপন নথি এনএসসি ১৬২/২ অনুমোদন করেন।
১৯৫৬ - হাঙ্গেরীয় বিপ্লব: ইমরে নগির সরকার বিপ্লবী শ্রমিক পরিষদগুলোকে স্বীকৃতি দেয় এবং বেলা কিরালির নেতৃত্বে সোভিয়েত-বিরোধী মিলিশিয়ারা হাঙ্গেরীয় শ্রমজীবী জনগণের দলের সদর দফতরে হামলা চালায়।
১৯৫৮ - স্যার অ্যাডমন্ড হিলারি দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন।
১৯৫৯ - ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিল-অ্যালবেমার্ল বিমানবন্দরে অবতরণের সময় পিডমন্ট এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৩৪৯ বিধ্বস্ত হয়ে ২৭ জনের মধ্যে ২৬ জন নিহত হন।
১৯৬১ - সোভিয়েত ইউনিয়ন ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরক যন্ত্র জার বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
১৯৬৮ - পার্ক চুং-হির স্বৈরশাসন উৎখাত ও কোরিয়ার পুনরেকত্রীকরণের ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ১২০ জন উত্তর কোরীয় কমান্ডো দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে অবতরণ করে।
১৯৭৩ - কেনিয়ায় হাতি শিকার ও হাতির দাঁতের ব্যবসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৭৩ - তুরস্কে বসফরাস সেতুর নির্মাণ সম্পন্ন হয়, যা বসফরাসের উপর দিয়ে ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে দ্বিতীয়বারের মতো সংযুক্ত করে।
১৯৭৫ - স্পেনের যুবরাজ জুয়ান কার্লোস অসুস্থ স্বৈরশাসক জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর স্থলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হন।
১৯৭৫ - চেকোস্লোভাকিয়ার প্রাগে অবতরণের সময় ইনেক্স-অ্যাড্রিয়া এভিওপ্রোমেট ফ্লাইট ৪৫০ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৫ জন নিহত হন।
১৯৮০ - ১৯৬৯ সালের ফুটবল যুদ্ধের কারণ হওয়া সীমান্ত বিরোধ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে নিষ্পত্তির জন্য এল সালভাদর ও হন্ডুরাস সম্মত হয়।
১৯৮২ - পর্তুগালে আট বছরের সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।
১৯৮৩ - পূর্ব তুরস্কে ভূমিকম্পে ১২শ লোক মৃত্যুবরণ করে।
১৯৮৩ - সাত বছর সামরিক শাসনের পর আর্জেন্টিনায় প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮৫ - মহাকাশযান চ্যালেঞ্জার তার শেষ সফল মিশন এসটিএস-৬১-এ এর জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়।
১৯৯১ - মার্কিন ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্টদ্বয়ের উপস্থিতিতে মাদ্রিদে ইসরাইলি আরব ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।
১৯৯২ - পৃথিবী গোলাকার বলে গ্যালিলিও গ্যালিলির মতবাদ যে সত্য ছিল, তা রোমান ক্যাথলিক চার্চ স্বীকার করে নেয় ৩৬০ বছর পর।
১৯৯৫ - কুইবেকের নাগরিকরা দ্বিতীয় গণভোটে সামান্য ব্যবধানে (৫০.৫৮% বনাম ৪৯.৪২%) কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দেন।
২০০৫ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ড্রেসডেনের অগ্নিবোমা হামলায় ধ্বংস হওয়া ড্রেসডেন ফ্রাউয়েনকির্চে তেরো বছরের পুনর্নির্মাণ শেষে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১১ - দেশের প্রথম নারী মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর বিজয় লাভ করেন।
২০১৩ - ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের (বর্তমান তেলেঙ্গানা) মহবুবনগর জেলায় বাসে আগুন লেগে ৪৫ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন।
২০১৪ - সুইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
২০১৪ - যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসের উইচিটা বিমানবন্দরে বিচক্র্যাফট সুপার কিং এয়ার বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪ জন নিহত হন।
২০১৫ - রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্টের কোলেক্টিভ নাইটক্লাবে আগুনে ৬৪ জন নিহত ও ১৪৭ জনের বেশি আহত হন।
২০২০ - গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যবর্তী এজিয়ান সাগরে ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রধানত ভবন ধসে অন্তত ১১৯ জন নিহত হন।
২০২২ - ভারতের গুজরাটের মোরবি শহরে পথচারী ঝুলন্ত সেতু ধসে অন্তত ১৩৫ জন নিহত হন।
২০২৩ - গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের সময় প্রথম বন্দি উদ্ধার অভিযানে ওরি মেগিদিশকে উদ্ধার করা হয়।
জন্ম
১৭৩৫ - জন অ্যাডামস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৮৩৪ - স্যামুয়েল বোর্ন, ব্রিটিশ আলোকচিত্রশিল্পী।
১৮৫৩ - প্রমথনাথ মিত্র, ভারতে বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
১৮৭৩ - হ্যারি ফস্টার, ইংরেজ প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটার।
১৮৮৭ - সুকুমার রায়, বাঙালি লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্য রচনাকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার।
১৮৯৫ - গারহার্ড ডোমাগ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রোগতত্ত্ববিদ ও জীবাণুবিদ।
১৮৯৫ - ডিকিনসন ডাব্লিউ রিচার্ডস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও শারীরবিজ্ঞানী।
১৮৯৬ - রুথ গর্ডন, মার্কিন অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার ও নাট্যকার।
১৯০০ - রাগনার গ্রানিট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ীফিনিশ সুইডিশ শারীরবিজ্ঞানী।
১৯০১ - খান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন, বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক।
১৯০১ - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি।
১৯০৮ - পিটার স্মিথ, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯০৯ - হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা,ভারতের প্রসিদ্ধ নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯২৬ - রফিকউদ্দিন আহমদ, তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ।
১৯২৮ - ড্যানিয়েল নাটান্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান মাইক্রো জীববিজ্ঞানী।
১৯৩২ - বরুণ দে, বাঙালি ভারতীয় ইতিহাসবিদ।
১৯৩৩ - দারা দোতিওয়ালা, ভারতীয় ক্রিকেট আম্পায়ার।
১৯৩৯ - লেল্যান্ড এইচ হার্টওয়েল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জীববিজ্ঞানী।
১৯৪১ - টেওডর ডব্লিউ. হানসচ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৯৪৬ - বদিউল আলম, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা ও বীর উত্তম।
১৯৪৭ - বিক্রম গোখলে, ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং মঞ্চ অভিনেতা।
১৯৪৮ - ঋতু নন্দা, ভারতীয় ব্যবসায়ী।
১৯৪৯ - প্রমোদ মহাজন, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।
১৯৫৮ - অভিজিৎ ভট্টাচার্য, বাঙালি ভারতীয় গায়ক।
১৯৫৮ - ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি ভারতীয় সাহিত্যিক।
১৯৬০ - দিয়েগো মারাদোনা, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।
১৯৬২ - কোর্টনি ওয়ালশ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।
১৯৬৩ - মাইক ভেলেটা, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৬৪ - হুমায়ূন কবীর ঢালী, বাংলাদেশি শিশুসাহিত্যিক।
১৯৬৫ - পল্লবী চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৬৬ - আবু মুসআব আল-যারকাউয়ি, জর্ডানীয় সন্ত্রাসবাদী।
১৯৭৪ - মাইক হেসন, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ।
১৯৭৭ - দিমিত্রি মাসকারেনহাস, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৮৭ - জুনায়েদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
১৯৮৮ - জানেল প্যারিস, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
১৯৯১ - শেন ডোরিচ, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৯২- ক্যামিলা সিলভা, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৯২ - ম্যাট পার্সেল, অস্ট্রেলিয়ান রাগবি লীগের খেলোয়াড়।
১৯৯৩ - অদিতি রাঠোর, ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী।
১৯৯৮ - অনন্যা পাণ্ডে, ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী।
মৃত্যু
১৫০১ - উজবেক কবি ও চিন্তানায়ক নাজিমুদ্দিন মির আলিশের নভোইয়।
১৬২৬ - ওয়লেব্ররড স্নেল, ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ।
১৭৭৫ - তুর্কি সুলতান তৃতীয় ওসমান।
১৮৮৩ - দয়ানন্দ সরস্বতী, ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু, সমাজ সংস্কারক এবং আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৯৩ - জন অ্যাবট, কানাডিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রধানমন্ত্রী।
১৯১০ - অঁরি দ্যুনঁ, সুইস ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী।
১৯১৫ - জেরি হ্যাজলিট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৩৬ - টেডি উইনিয়ার্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার ও ব্রিটিশ সেনাকর্মকর্তা।
১৯৬১ - লুইজি ইনাউডি, ইতালীয় অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের ২য় প্রেসিডেন্ট।
১৯৬৮ - কনরাড রিক্টার, মার্কিন ঔপন্যাসিক।
১৯৬৯ - ভিক রিচার্ডসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৭৪ - বেগম আখতার, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের স্বনামধন্য গায়িকা।
১৯৭৫ - গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।
১৯৮৫ - ফজলে লোহানী, বাংলাদেশি সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।
১৯৮৮ - তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী), প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।
১৯৯২ - জোয়ান মিচেল, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।
২০০৬ - ক্লিফোর্ড গার্টস, মার্কিন নৃবিজ্ঞানী।
২০১০ - হ্যারি মুলিসচ, ডাচ লেখক, কবি ও নাট্যকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যু সংক্রান্ত ঘটনায় তার জুনিয়র বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে দীপকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় দীপকে পিবিআই সদস্যরা নিয়ে গেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়ে যান। দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।
সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দীপকে দেখা যায়। তাহসিফ সৌরি নিখোঁজ হওয়ার আগের সময়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজে তাকে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে দীপ হিসেবে শনাক্ত করেছেন।
ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে ওই ব্যক্তির দেখা হয়। তারা পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলানোর পর আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে দীপ জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা থাকায় তারা একটি ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল মেরামতের পর তারা বাসায় ফিরে খাবার খান। এরপর দীপ চলে যান বলে তিনি দাবি করেন।
তবে তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দীপের ভূমিকা কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার হয় তাহসিফের লাশ। ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে একটি লাশ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। পরে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করেন।
হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে লাশটি তাহসিফ সৌরির বলে শনাক্ত করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবারের সন্দেহ
তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম ছেলের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে হত্যার আশঙ্কা জানিয়েছেন।
তবে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ