শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২৬ এম
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যু সংক্রান্ত ঘটনায় তার জুনিয়র বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে দীপকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় দীপকে পিবিআই সদস্যরা নিয়ে গেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়ে যান। দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।
সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দীপকে দেখা যায়। তাহসিফ সৌরি নিখোঁজ হওয়ার আগের সময়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজে তাকে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে দীপ হিসেবে শনাক্ত করেছেন।
ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে ওই ব্যক্তির দেখা হয়। তারা পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলানোর পর আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে দীপ জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা থাকায় তারা একটি ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল মেরামতের পর তারা বাসায় ফিরে খাবার খান। এরপর দীপ চলে যান বলে তিনি দাবি করেন।
তবে তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দীপের ভূমিকা কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার হয় তাহসিফের লাশ। ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে একটি লাশ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। পরে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করেন।
হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে লাশটি তাহসিফ সৌরির বলে শনাক্ত করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবারের সন্দেহ
তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম ছেলের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে হত্যার আশঙ্কা জানিয়েছেন।
তবে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকীকে মারধর এবং হেনস্তার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বনানী থানায় জাকী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতা জাহিদ হাসান ও বাসেদসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সমকালকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন। পুলিশ জানায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের ওপর হামলার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে পুরোনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেন আইইডিসিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এর আগে গত বুধবার আইইডিসিআরের পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে একদল ব্যক্তি তাকে হেনস্তা ও মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার সময় পরিচালকের কক্ষে একটি সভা চলছিল। সেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
আইইডিসিআরের পরিচালক জানিয়েছেন, হামলাকারীদের মধ্যে জাহিদ হাসান ও বাসেদ ছাড়া অন্য কাউকে তিনি চেনেন না। দুজনই চিকিৎসক। জাহিদ হাসান ড্যাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক। ঘটনার পর তার প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করেছে সংগঠনটি। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় দুই বাসের পাল্লাপাল্লিতে চাপা পড়ে মো. শহীদুল্লাহ (৩৭) নামের এক ইলেকট্রিশিয়ান নিহত হয়েছেন। পুলিশ রাইদা পরিবহনের একটি বাস জব্দ করেছে। পাশাপাশি, বাসটির চালককে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শহীদুল্লাহকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শহীদুল্লাহ ডেমরার নড়াইবাগ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম হারুন আর রশিদ।
শহীদুল্লাহর ছোট ভাই জুয়েল রানা জানিয়েছেন, তার বড় ভাই কুয়েত মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজের ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন। গত শনিবার প্রতিষ্ঠানের কাজে চীন সফরে যান তিনি। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দেশে ফেরেন। দুপুরে বাসায় ফেরার পথে রামপুরা ব্রিজ এলাকায় একটি বাস থেকে নামার পর দুই বাসের পাল্লাপাল্লিতে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় রাইদা পরিবহনের বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে। পরিবারের লিখিত আবেদনের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার রাতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৬৯-এ পৌঁছেছে। বুধবারের এই দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবারও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন। স্পেন সরকার এ ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় তোলেদো প্রদেশের দুর্ঘটনাস্থলে রাতভর ক্রেনের সাহায্যে ট্রেনের ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে। উল্টে যাওয়া একটি বগিতে বিশেষভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। উদ্ধারকাজে ক্রেনের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কুকুরও ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইউরোপে ২০১৩ সালে স্পেনের সান্তিয়াগো দে কমপোস্তেলায় ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বহু মানুষের প্রাণহানির পর এটিকে মহাদেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী রেল দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে স্পেনের সাবেক শ্রমমন্ত্রী ফাতিমা বাঞেজও রয়েছেন, যিনি দেশটির নিয়োগকর্তাদের সংগঠনের সামাজিক ও করপোরেট দায়বদ্ধতা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় সাতটি দেশের ৪২ জন বিদেশি নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে তাদের মধ্যে একজন নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর দেশটির রেল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বুধবার পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সংকেতব্যবস্থার ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, কয়েকটি ট্রেন সংকেতজনিত সমস্যার কারণে থেমে গিয়েছিল, পরে রাষ্ট্রীয় রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রেনফের একটি ট্রেনকে স্বাভাবিক গতিতে চলার অনুমতি দেওয়া হয়, যদিও সামনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইরিও পরিচালিত একটি ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল।
তবে সরকার বলেছে, রেনফের ট্রেনটিকে চলতে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল ‘ব্যাখ্যাতীত’। পরিবহনমন্ত্রী স্পেনের রেলব্যবস্থাকে অনিরাপদ বলার সমালোচনা নাকচ করেছেন।
রেলচালকদের সংগঠন সেমাফের প্রতিনিধি দিয়েগো মার্তিন বলেন, রেল খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দুর্ঘটনার পরও আগে থেকে নির্ধারিত ধর্মঘট চালিয়ে যান রেলচালকেরা, যা দেশের বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়।
রেল ইউনিয়নগুলোর অভিযোগ, নিরাপত্তা বাড়াতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। জানুয়ারির আরেকটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হলেও এপ্রিলে তা বন্ধ হয়ে যায় বলে তাদের দাবি।
দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে ৮০০-এর বেশি সামরিক ও পুলিশ সদস্য, দুই শতাধিক যানবাহন, তিনটি হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রশিক্ষিত কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে দুর্ঘটনাস্থলের দুই পাশে দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন তোলেদোর একজন বিচারক।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানিয়েছেন, হতাহতদের পরিবারকে সহায়তা এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কর্তৃপক্ষ দিনরাত কাজ করছে। দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শোক জানিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন পোপ লিও।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কাস্টমসের নতুন নির্দেশনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রাকের প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভারতীয় পক্ষ ট্রাক পাঠানো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
সোনামসজিদ বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার মো. কামাল হোসেন দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে কোনো ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করেনি।
সোনামসজিদ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন জানান, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশের পর খালাসের জন্য অপেক্ষা করা ট্রাকের চালক ও সহকারীরা সাধারণত রাতে ভারতে ফিরে যেতেন। কিন্তু পরে বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশের সময় তাদের বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য বহনের অভিযোগ ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কয়েকজন আটক হন। এই পরিস্থিতি এড়াতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় যে, পণ্য খালাস না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় চালক ও সহকারীদের বন্দরের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে অথবা খালি ট্রাক নিয়ে তখনই ভারতে ফিরে যেতে হবে। এই নিয়মের প্রতিবাদে ভারতীয় ট্রাকচালকরা সোনামসজিদে পণ্যবাহী ট্রাক পাঠানো বন্ধ রেখেছেন।
পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার মো. কামাল হোসেন আরও জানান, সম্প্রতি কাস্টমসের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, পণ্য খালাসের পর চালক ও সহকারীরা খালি ট্রাক নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ভারতে ফিরে যাবেন অথবা বন্দরে অবস্থান করবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সকাল থেকে ভারতীয় পক্ষ পণ্যবাহী ট্রাক পাঠানো স্থগিত করে। বর্তমানে ভারতের মোহন্দীপুর অংশে পণ্য নিয়ে অন্তত ৫০০ ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। অন্যদিকে বন্দরের অভ্যন্তরে ২৪০টি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক এবং এর চালক-সহকারীরা অবস্থান করছেন। পণ্য খালাস শেষে তারা ট্রাক নিয়ে ভারতে ফিরে যাবেন। উদ্ভূত এই জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও দুই দেশের কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ