বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১০ এম
নীলফামারীর সৈয়দপুরের নাগরিক সমস্যা, সম্ভাবনা এবং জনস্বার্থের বিভিন্ন বিষয় ফেসবুকে তুলে ধরে আলোচনায় আসছেন শহরের বাসিন্দা মোশাররফ হোসেইন। তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকার সমস্যা সরেজমিনে তুলে ধরে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নিয়মিত পোস্ট করেন। তাঁর এসব পোস্ট অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
শহরের সড়ক, কালভার্ট, ড্রেন, বিদ্যুতের সার্ভিস তার চুরি, দৃষ্টিনন্দন সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণসহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেন মোশাররফ। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলাচলকারী ক্ষতিকর ও অবৈধ ট্রাক্টর-ট্রলির বিষয়ে সতর্ক করে এর নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
অবকাঠামোগত সমস্যার পাশাপাশি মাদক, যুবসমাজ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো সামাজিক বিষয় নিয়েও তাঁর লেখালেখি রয়েছে। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়েও তিনি আলোচনা-সমালোচনা করেন। দলের ভালো কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করার পাশাপাশি ভুল-ত্রুটি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মোশাররফের পোস্টে রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে জনস্বার্থ ও স্থানীয় সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পায় বলে সংশ্লিষ্টদের অনেকে মনে করেন। সৈয়দপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি নিয়মিত মতামত দেন। পুলিশ প্রশাসনের ভালো উদ্যোগের প্রশংসা করার পাশাপাশি কোথাও কোনো সমস্যা বা জনভোগান্তির অভিযোগ থাকলে সেটিও তুলে ধরেন।
সৈয়দপুরের উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর ক্যাম্পগুলোর বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়ও তাঁর লেখায় উঠে আসে। মোশাররফের লেখালেখির আরেকটি দিক হলো তিনি নিজে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে সমস্যাগুলো দেখিয়ে ছবি বা ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেন। সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন স্থানীয় সমস্যা দ্রুত মানুষের সামনে তুলে ধরার একটি কার্যকর মাধ্যম। জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে নাগরিক সমস্যাগুলো আনতে এ ধরনের উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে মোশাররফের ফেসবুকভিত্তিক এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সৈয়দপুরের নাগরিক সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনস্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত আলোচনায় আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যম হিসেবেও তাঁর এ ধরনের লেখালেখি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আওতাধীন আনসার-ভিডিপি ক্লাব সমিতির বেদখল হয়ে থাকা ১২ শতাংশ জমি দখলমুক্ত করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবার নাজিমখান ইউনিয়নের মহাসড়কসংলগ্ন ৯ শতাংশ জমি এবং রাজারহাট ইউনিয়নের চান্দামারী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকা ৩ শতাংশ জমি উদ্ধার করা হয়।
এ কার্যক্রমটি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের নির্দেশনা এবং জেলা কমান্ড্যান্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। রাজারহাট উপজেলার আনসার-ভিডিপির দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রশিক্ষক মো. উজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে প্রথমে জমিগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পরে সঠিক পরিমাপের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
উদ্ধারকৃত জমিতে আনসার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত ‘সঞ্জীবন’ ব্যানার স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এর ফলে জমিগুলো আনসার-ভিডিপি ক্লাব সমিতির সাংগঠনিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য উপযোগী হয়ে ওঠে।
এ কার্যক্রমে উপজেলা কোম্পানি কমান্ডার মো. সবুজ সরকার, নাজিমখান ইউনিয়নের আনসার কমান্ডার মো. রাহেনুল ইসলাম ও শয়ন কুমার, দলনেত্রী ফিরোজা বেগম এবং রাজারহাট ইউনিয়নের কমান্ডার মো. হারুন ও দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় প্রায় ২৫ জন ভিডিপি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা জমি পরিষ্কার ও অন্যান্য কাজে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সহযোগিতা করেন।
উপজেলা প্রশিক্ষক মো. উজ্জল হোসেন জানান, ক্লাব সমিতির নিজস্ব জমি দীর্ঘদিন পর দখলমুক্ত হওয়ায় সেখানে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিগুলোর সুষ্ঠু ব্যবহার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পথও তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরলে উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন কর্তৃক ২০২৫ সালের বৃত্তি প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম।
বিরল উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুর্শিদা খাতুন, আইসিটি অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী শিক্ষা অফিসার খাইরুন নাহার এবং বিরল উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা।
সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন বিরল উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরল পৌরশহরের বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতিউর রহমান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব প্রকৌশলী মোঃ মমতাজুর রহমান মিন্টু এবং অন্যতম সদস্য কামরুল ইসলাম প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের (বাংলা স্কুল) উদ্যোগে আগামী এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও অগ্রগতি বিষয়ে অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের (বাংলা স্কুল) প্রধান শিক্ষক মো. নেজামুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. দেলওয়ার, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. আক্তারুল ইসলাম রাঙ্গা, সহকারী শিক্ষক মো. ওবাইদুল্লাহ এবং স্কুলের প্রাক্তণ শিক্ষক মো. খায়রুল আনম।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন মোছা. রামিশা বেগম, পবিত্রা রাণী, রাশেদা বেগম ও সাবিনা বেগম। ১০ম শ্রেণির ছাত্র মো. আরিফ, রবিন, শহিদ, নাজিম হোসেন, মুরাদ, রাকিব, পিহু হাসান, ফয়সাল, মুসা, সজিব, সোহাগ, নাফিজ জোবাইদুর, সিমা রায়, নন্দিতা চক্রবর্তী, লায়লা, নিলুফা, শারমিন প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মো. নেজামুল ইসলাম উল্লেখ করেন, "আপনার সন্তান আপনার সম্পদ। কাজেই আপনার সন্তানকে যোগ্য মানব সম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে শিক্ষক-অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে পারলে পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে।" তিনি জানান, চলমান ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক চলমান স্কুল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষার পূর্বে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোম ভিজিট করার কার্যক্রম চালু থাকে এবং এবারও সেই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে জবাবদিহিতার সূত্রপাত ঘটবে। সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. দেলওয়ার বলেন, "পরীক্ষার্থীরা মোবাইল দেখে সময় নষ্ট না করে নিয়মিত পড়াশুনা চর্চা করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, স্কুলের সাপ্তাহিক পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ