ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হবিগঞ্জে ৪শ’ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ


হবিগঞ্জে ৪শ’ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ

হবিগঞ্জ, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ এমপির প্রচেষ্টার মাধ্যমে হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৪শ’ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১৮০ কোটি টাকা এবং হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলায় ২শ’ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো, বাজার ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বিশেষ করে, হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় এত বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণকে হবিগঞ্জবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক পরামর্শ সভায় এসব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গার পাচুড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছাত্রনেতা আরব, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কাছে দোয়া কামনা

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ। তিনি মন্তব্য করেন, উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধার উন্নতি হয়- সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এসব প্রকল্পগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে।

এ সময় হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ নির্বাচনী এলাকার সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পিত ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন, হুইপের পিএস আমিন আল পারভেজ, হবিগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আবু জাহের, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ ইকবাল চৌধুরী এবং সহকারী প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় প্রমুখ।

সভায় হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নে প্রায় ১৮০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- চৌধুরী বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, সিনেমা হল বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, পুরাতন পৌরসভা সড়কে অত্যাধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণ, ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন এবং শহরের ড্রেন, কালভার্ট ও রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন।

এছাড়া হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলায় প্রায় ২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন ব্রিজ-কালভার্ট, অবকাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট উন্নয়নের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হবিগঞ্জ পৌরসভার চেহারা বদলে যাওয়ার পাশাপাশি সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে। হুইপ জি কে গউছের নেতৃত্বে হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় চলমান উন্নয়নের ধারায় প্রায় ৪শ’ কোটি টাকার নতুন পরিকল্পনা একটি বড় সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আলফাডাঙ্গার দম্পতি গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজাখস্তানের সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেল ক্ষমতাসীন দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


কাজাখস্তানের সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেল ক্ষমতাসীন দল

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : কাজাখস্তানে রোববার অনুষ্ঠিত নতুন এক-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল বড় ব্যবধানে জয় পাচ্ছে বলে জানা গেছে। ভোটের পর পরিচালিত জনমত জরিপে বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভের ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রকাশিত তিনটি ভোট-পরবর্তী জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, তোকায়েভপন্থি আদিলেত পার্টি ৭০ থেকে ৭২ শতাংশ ভোট অর্জন করেছে। এর ফলে ১৪৫ আসনের সংসদে দলটির বেশিরভাগ আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। কিছু অঞ্চলে ভোটার উপস্থিতি ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ছিল।

কাজাখস্তানের সংবিধানে পরিবর্তন আনার পর নতুন এই একক কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠিত হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, এর মাধ্যমে মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতিতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। তবে সমালোচকদের বক্তব্য, সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরো পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ কাজাখস্তান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং চীনের সঙ্গেও দেশটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও ইউরোপ-এশিয়ার মাঝখানে কৌশলগত অবস্থানের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছেও কাজাখস্তান গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার হিসেবে পরিগণিত।

দেশটির মোট ২ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ ভোট দেওয়ার যোগ্য ছিলেন।

গত মার্চে কাজাখস্তান নতুন সংবিধান গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংসদরের উচ্চকক্ষ সিনেট বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং এক-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ চালু করা হয়েছে, যার নতুন নামকরণ করা হয়েছে কুরুলতাই। এই নামটি মধ্য এশিয়ার যাযাবর জনগণের মধ্যযুগীয় পরিষদের নাম থেকে নেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, নতুন ব্যবস্থায় সংসদ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগের ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্টের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকায় সংসদের ভূমিকা অনেকটা সীমিত ছিল।

৭৩ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ বলেছেন, তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী পূর্বসূরি নুরসুলতান নজরবায়েভের শাসনব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করে আনতে চেষ্টা করছেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর নজরবায়েভ প্রায় তিন দশক কাজাখস্তান শাসন করেন।

এছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে মাত্র সাতটি রাষ্ট্র অনুমোদিত রাজনৈতিক দল। এইসব দলগুলো কমবেশি তোকায়েভের প্রতি অনুগত বলে মনে করা হচ্ছে।

এক্সিট পোল অনুযায়ী, এর মধ্যে পাঁচটি দল নতুন সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পর্যাপ্ত ভোট পেয়েছে।

তবে প্রকৃত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে ভোটের পূর্বেই ধারণা করা হয়েছিল, তোকায়েভপন্থি আদিলেত পার্টিই সংসদের বিপুলসংখ্যক আসনে জয়ী হবে।

আদিলেত মূলত বর্তমান ক্ষমতাসীন আমানাত পার্টির নতুন রূপ। তোকায়েভের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে সমর্থন করার উদ্দেশ্যে দলটিকে নতুনভাবে গঠিত করা হয়েছে।

সংবিধানের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট তোকায়েভের ক্ষমতার মেয়াদ নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, ফলে তিনি ২০২৯ সালে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৭০০টি গাছের চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৭০০টি গাছের চারা বিতরণ

পটুয়াখালী, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৭০০টি ফলজ ও বনজ গাছের চারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। শাসনের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সোমবার দুপুরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে।

পটুয়াখালী জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। প্রধান অতিথি বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।" তিনি আরও যোগ করেন, "শুধু চারা রোপণ নয়, রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।"

জেলা বিএনপির সভাপতি এই সভায় আরও বলেন, "শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।" অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহেল।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির ৭০০টি গাছের চারা তুলে দেয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে সব মাদ্রাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে সব মাদ্রাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা

দেশের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় পালন করার জন্য বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশনা দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের জন্য এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সোমবার অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিল ইসলাম প্রামানিক স্বাক্ষরিত একটি আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও এবতেদায়ি প্রধানদের এই নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে মাঠপর্যায়ে এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে তদারকির দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের সকল মাদ্রাসায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী ও কর্মের ওপর বিশেষ আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে হবে। এর পাশাপাশি ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়গুলোর ওপর হামদ-নাত পরিবেশন, স্বরচিত কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। এছাড়াও মহানবী (সা.)-এর জীবনীর ওপর কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই নির্দেশনা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দিয়েছে।

গত ২৩ আগস্ট কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে ড. মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি পত্রে অধীনস্থ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে ১৩ আগস্ট ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, গণফোরাম সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সোহরাব হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন, গণমাধ্যম ও আইন পেশার প্রতিনিধিরা বক্তৃতা করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছে। সমালোচনা ও পরামর্শের মধ্য দিয়েই সংস্কারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। সরকার সামনে এগিয়ে যেতে চায় এবং সংস্কারের যৌক্তিক জায়গায় পৌঁছাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারের সমালোচনা করার অধিকার নাগরিকদের রয়েছে এবং এই অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচি পালন করবে এবং সরকারের সমালোচনা করবে- এটাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ।

তিনি বলেন, সমাজে এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারে। মতপ্রকাশের কারণে লেখক, সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হয়রানি বা গ্রেপ্তারের অতীত সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইন ও নীতিমালার ক্ষেত্রে সরকার কোনো বিষয়কে চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় মনে করে না। কোনো আইন বাস্তবে প্রয়োগের পর যদি দেখা যায় সেখানে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে সংশোধনের জন্য সরকার উন্মুক্ত থাকবে। আইন মানুষের প্রয়োজনেই প্রণীত হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা সংশোধন করা যায়।

মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। গুমের ঘটনাকে সাধারণ অপরাধ এবং ব্যাপক ও পদ্ধতিগতভাবে সংঘটিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য করে বিচারিক এখতিয়ার নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও জবাবদিহির কার্যকর ব্যবস্থা রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা প্রকৃত তথ্য গোপন করলে বা ভুল তথ্য দিলে জবাবদিহির প্রশ্নও আসবে। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদকে সামনে রেখে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অক্ষুণ্ন রেখে যেকোনো সংশোধন করতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন বিচারিক সিদ্ধান্তেও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর বিষয়টি স্বীকৃত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংশোধনের বিষয়ে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জুলাই সনদের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ লক্ষ্যে সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের প্রয়োজন রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিটিতে বিরোধী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেকোনো যৌক্তিক প্রস্তাব ও মতামত বিবেচনা করে সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার সুযোগ রয়েছে। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি এ প্রক্রিয়ায় গঠনমূলকভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কার্যকর ভারসাম্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবিধানের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত বিধান এবং বিচার বিভাগের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দক্ষতা ও কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করা।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বিচারিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আইনানুগ প্রক্রিয়া ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বিচারিক আদেশের বিষয়ে আপত্তি থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আপিল বা রিভিশনের সুযোগ রয়েছে। বিচারিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ে নতুন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। একই সাথে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। তবে সরকারের লক্ষ্য হলো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সংস্কারের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এ কারণে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা ও যৌক্তিক পরামর্শকে স্বাগত জানানো হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই, পিছনে ফিরতে চাই না।’ সংস্কারের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আলোচনায় নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, জনগণের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক জবাবদিহি, সুশাসন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%