বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০২ পি.এম
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সক্ষমতা ব্যবহার করে ফিলিপাইনের ওষুধের চাহিদা পূরণে সহযোগিতা চেয়েছেন। আজ বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকের সময় নার্সিং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিষয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত জানান, দেশটির মোট ওষুধের ৬৭ শতাংশ পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হয়। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সক্ষমতা কাজে লাগানোর মাধ্যমে ফিলিপাইনের ওষুধের চাহিদা পূরণের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ সময় বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করে চিকিৎসাসেবার মান উন্নত বিশ্বের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার করে দেশের সকল স্তরের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবচিত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত ঢাকা-ম্যানিলা সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও জনসম্পর্ক আরও জোরদার করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনি গায়ক ও গীতিকার মারওয়ান আবদেলহামিদ, যিনি ‘সেন্ট লেভান্ট’ নামে পরিচিত, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জটিলতার কারণে তার প্রথম উত্তর আমেরিকা সফর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টে শিল্পী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রথমে তার ভিসা আবেদন অনুমোদন করেছিল। কিন্তু সফরের সময় ঘনিয়ে আসার পর তাকে হঠাৎ করে অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে বলা হয়।
আইনি দলের সঙ্গে আলোচনা করার পর এবং একই ধরনের অভিজ্ঞতা থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনি ও আরব শিল্পীর সঙ্গে কথা বলার পর সেন্ট লেভান্ট এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, উত্তর আমেরিকার কনসার্টগুলো স্থগিত করা হবে। ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, এমন আশায় সফরটি ২০২৭ সালের বসন্ত পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেন্ট লেভান্টের ৪১টি কনসার্টের এই সফরটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হেডলাইন ট্যুর হওয়ার কথা ছিল। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শহরে তার পরিবেশনার পরিকল্পনা ছিল। সফরের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস, ব্রুকলিন ও ডেট্রয়েটও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে বিদেশি শিল্পীদের সফর বাতিল বা পিছিয়ে দেওয়ার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কিছু শিল্পীকে যুক্তরাষ্ট্রের সফর পুরোপুরি বাদ দিতে বাধ্য করছে, আবার কারও ক্ষেত্রে বাড়তি আইনি ব্যয় ট্যুর আয়োজনকে কঠিন করে তুলছে।
এর আগে উত্তর আফ্রিকার তুয়ারেগ ব্যান্ড টিনারিওয়েন এবং মেক্সিকান গায়ক দিয়েগো মিলান, যিনি ‘কায়িয়ে ২৪’ নামে পরিচিত, যুক্তরাষ্ট্রে সফর নিয়ে অভিবাসন জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন।
সেন্ট লেভান্টের সংগীতে ফিলিস্তিনিদের বাস্তবতা, বাস্তুচ্যুতি ও নিপীড়নের বিষয়গুলি উঠে আসে। জেরুজালেমে জন্ম নেওয়া এই শিল্পীর মা ফরাসি-আলজেরীয় এবং বাবা সার্বীয়-ফিলিস্তিনি। সম্প্রতি ২১ আগস্ট তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘আফান্দি’ প্রকাশিত হয়েছে। নতুন অ্যালবামকে সামনে রেখে তার এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
বিভাগ :
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর কমিশনার জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ মহোদয় আজ বিএমপি'র রেশন স্টোর, ক্লোদিং স্টোর ও ডি-স্টোর পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি রেজিস্টার সমূহ পর্যালোচনা করে মালামাল যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং পুলিশ সদস্যদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী সঠিক ও সুষমভাবে বণ্টন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে তিনি রুপাতলী ও নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এবং গড়িয়ার পাড় মুক্তিযোদ্ধা কনস্টবল রহমান আলী হাওলাদার পুলিশ বক্স পরিদর্শন করে সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিচ্ছন্ন শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা শুধুমাত্র পরিবেশ রক্ষার জন্য অপরিহার্য নয়, বরং এটি ব্যবসার উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগও। যদি কারখানাগুলো নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে, তবে তারা উৎপাদন খরচ এবং কার্বন নিঃসরণ উভয়ই কমাতে সক্ষম হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর চাহিদা পূরণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। ‘পরিবর্তনশীল শক্তি কাঠামোয় তৈরি পোশাক খাতের কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এই বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে এইচএসবিসি বাংলাদেশ, অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই), ঢাকার সুইডেন দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন।
গোল টেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ অনুবিভাগ প্রধান এ কে এম সোহেল, সুইডেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওলে লুনডিন, এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সারওয়ার হোসেন, বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদ্যা খান, এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিলজাস, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের কিম হেলস্ট্রম এবং এটিটিআই-এর অলিভিয়া উইন্ডহাম স্টুয়ার্টসহ ‘টিম সুইডেন’ নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক গবেষণা, শিল্প অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউটের ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিলজাস বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের সুযোগ নিয়ে একটি গবেষণা রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক পোশাক সরবরাহ শৃঙ্খলে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাতের কার্বন নিঃসরণ ৫০% কমাতে প্রায় ৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।
আলোচনায় ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার মন্তব্য করেন, ইউরোপীয় বাজার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা কম কার্বন নিঃসরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পরিচ্ছন্ন শক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদন দক্ষতার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের এই সুযোগকে বাংলাদেশের কাজে লাগানো উচিত, যাতে দেশটি টেকসই পোশাক সরবরাহে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারে।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মাহবুব উর রহমান বলেন, পোশাক খাতে বাংলাদেশ যে বৈশ্বিক নেতৃত্ব তৈরি করেছে, তা ধরে রাখতে হলে জ্বালানি খাতের এই রূপান্তরকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে হবে। সহায়ক নীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করাই হবে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ বাজারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে রোহিঙ্গা সন্দেহে নারীসহ নয়জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. সাব্বির, নুমাইর, শাওন, আব্দুল হাফেজ, নুরুল আমিন, মো. হোসেন, তৈয়ব, সাবিকুন ও তহুরা। লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বরজিৎ দে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।
যাচাই শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জানা যায়, বুধবার দুপুরে রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে স্পিডবোটে করে ১২ জনের একটি দল লংগদুর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পরে তারা মাইনীমুখ বাজারে গিয়ে অবস্থান নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নয়জনকে আটক করে।
এ সময় দলের অপর তিন সদস্য সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। আরো জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির থেকে বের হয়ে আসার কথা জানান। তারা নিজেদের রোহিঙ্গা হিসেবেও পরিচয় দিয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় ও বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।
তারা কী উদ্দেশ্যে লংগদুতে এসেছিলেন, তাদের সঙ্গে থাকা অপর তিনজন কারা এবং তারা বর্তমানে কোথায়—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
লংগু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বরজিৎ দে বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ