মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২১ পি.এম
গাজীপুর অঞ্চলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়া কোথাও কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি, এমন তথ্য জানিয়ে এসআরবি-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নেয়ামুল হালিম খান বলেছেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর উত্তরায় মীর মুগ্ধ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নেয়ামুল হালিম খান আরো বলেন, বিজয়া দশমী উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করতে মোটরসাইকেল ও পিকআপ ব্যবহার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে উৎসবের পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা প্রতিরোধ করতে এসআরবির সাইবার মনিটরিং টিম ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করছে।
সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহীতে আগমনের উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও স্বাগত মিছিল আয়োজন করেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে শুরু হয়ে এই শুভেচ্ছা মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল চলাকালীন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছার স্বাগতম/রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে, লাল গোলাপ শুভেচ্ছা/রাবি শাখার পক্ষ থেকে, লাল গোলাপ শুভেচ্ছা/ছাত্রদলের পক্ষ থেকে, লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহীতে আগমন করবেন। তার এই আগমনকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানাই।"
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠুসহ বিভিন্ন হল ও অনুষদ শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভার ও আশুলিয়ার সাধারণ মানুষ বিএনপি সরকারের ৮ মাস পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও প্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন না। তারা অভিযোগ করছেন, নির্বাচনের পূর্বে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
অবৈধ অটোরিকশার দাপট, ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, ভাঙাচোরা সড়ক, তীব্র যানজট এবং নাগরিক দুর্ভোগের নানা সমস্যায় প্রতিদিন তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও কর্মজীবী মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, কারণ সরকার পরিবর্তনের পর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা এখনো পূর্ণ হয়নি।
সাভার বাসস্ট্যান্ড, বাজার বাসস্ট্যান্ড, হেমায়েতপুর, উলাইল, গেন্ডা, পাকিজা মোড় ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যানজট একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবৈধ অটোরিকশার চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং সড়কের বিভিন্ন অংশ দখল করে রাখার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও পোশাকশ্রমিকদের দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে মাঝে মাঝে উদ্যোগ দেখা গেলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। কিছু সময় অটোরিকশা চলাচল বন্ধ থাকলে সড়কে স্বস্তি ফিরে আসে, কিন্তু কিছুদিন পর আবারও আগের পরিস্থিতি ফিরে আসে। এতে যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ও ধারাবাহিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, "নির্বাচনের পূর্বে দেওয়া স্থানীয় সংসদ সদস্য গ্রিন সাভার ক্লিন সাভার কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এই ৮ মাসে আমরা কিছুই পাইনি। বরং দিন দিন সাভারের পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে।"
গেন্ডা এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান বাদল বলেন, "প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অটোরিকশা যেখানে-সেখানে দাঁড়ায়, যাত্রীর জন্য রাস্তার মাঝখানে থেমে থাকে। যানজটের কারণে অল্প দূরত্ব যেতেও অনেক সময় লাগে। আমরা চাই, শুধু অভিযান নয়, স্থায়ীভাবে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হোক।"
আশুলিয়ার মুদি দোকানদার আব্দুল হান্নান বলেন, "আমরা অনেক আশা নিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিজি করেছিলাম কিন্তু বর্তমান সাভার আসরের অবস্থা দেখে হতাশ হয়ে পড়েছি।"
ব্যাংক কলোনির বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, "আমরা বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাভার ও আশুলিয়ায় যে পরিবর্তনের আশা করেছিলাম তা কিছুই হয়নি বরং আগের মতই ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, বিভিন্ন এলাকায় জুট ব্যবসা নিয়ে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, অনিয়ন্ত্রিত যোগাযোগ ব্যবস্থা সবকিছুই আগের মত আছে।"
অন্যদিকে সড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার কারণে হাঁটার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। সাভার বাজার ও আশপাশের ব্যস্ত এলাকায় অনেক পথচারীকে ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলে দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
সাভার বাজার এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, "ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় দোকানপাট ও পণ্যের দখলে থাকায় রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হয়। সরকার পরিবর্তনের পর ভেবেছিলাম, এসব সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু বাস্তবে তেমন পরিবর্তন চোখে পড়ছে না।"
এদিকে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন সড়কের ভাঙাচোরা অবস্থা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে এলাকাবাসীর। খানাখন্দ, পিচ উঠে যাওয়া এবং কোথাও কোথাও বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাচালকদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সড়ক সংস্কারে ধীরগতি এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগীরা।
আশুলিয়ার এক পোশাক শ্রমিক লুৎফর নাহার বলেন, "সকালে কাজে যাওয়ার সময় যানজট, আবার ফেরার সময়ও একই অবস্থা। রাস্তা খারাপ থাকলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। আমাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও কমে যায়। আমরা চাই, সরকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিক।"
স্থানীয় নাগরিকদের মতে, সাভার ও আশুলিয়ার সমস্যা শুধু যানজট বা সড়ক সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিকল্পিত নগরায়ণ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নেও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এ অঞ্চলে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের চলাচল হয়। কিন্তু সেই তুলনায় সড়ক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারের ৮ মাসের অগ্রগতি মূল্যায়নে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কী পরিবর্তন এসেছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অবৈধ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত উদ্ধার, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার এবং যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে সাভার ও আশুলিয়ার মানুষের প্রত্যাশা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুফল যেন শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের চলাচল, নিরাপত্তা ও নাগরিক জীবনে প্রতিফলিত হয় এমনটাই চান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রন টেকনোলজির কর্মীদের একটি শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘটের ঘোষণা করেছে। এই ধর্মঘটটি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মীদের বোনাস এবং মুনাফার অংশ দেওয়া নিয়ে বিরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই দিনে মাইক্রন এবং তাইচুং কারখানার কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী আরেকটি শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তাওইয়ুয়ান কর্মরত শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নটি জানিয়েছে, তারা তাইচুংয়ের শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানাতে এবং মাইক্রনের ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। ইউনিয়নটি কর্মীদের মুনাফার অংশ দেওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এই ধর্মঘটের ফলে মাইক্রনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে বিরোধ আরও তীব্র হতে পারে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত সার্ভারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুই ধরনের মেমোরি চিপ তৈরি করা হয়। এই চিপগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিআরএএম এবং উচ্চগতিতে বিপুল পরিমাণ তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম এইচবিএম চিপ।
তাইওয়ানে মাইক্রনের প্রায় ১৫ হাজার কর্মী রয়েছেন। তাওইয়ুয়ান এবং তাইচুং কারখানার কর্মীদের প্রতিনিধিত্ব করে দুটি আলাদা শ্রমিক ইউনিয়ন। মাইক্রন জানিয়েছে, তারা তাইওয়ানে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি তাইওয়ান ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা মার্কিন মুদ্রায় চার হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বেশি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে মাইক্রন এবং তাওইয়ুয়ানের শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আলোচনা কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি। এরপর অক্টোবরের শুরুতে ইউনিয়নটি সদস্যদের কাছ থেকে ধর্মঘটের অনুমোদন পেয়েছে।
তাইওয়ানে মাইক্রনের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকেন্দ্রটি তাইচুংয়ে অবস্থিত। সেখানকার শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আলোচনা এখনও চলছে। তবে ধর্মঘটে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে ভোট এখনও হয়নি। তাওইয়ুয়ানের শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের ধর্মঘট কত দিন চলবে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তারা জানিয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইউনিয়নটি বলেছে, “আমাদের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমান ব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষ তুলে ধরব। একই সঙ্গে ন্যায্যভাবে মুনাফা ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আমাদের দৃঢ় সংকল্পও দেখাব।” গত সপ্তাহে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে মাইক্রন এবং এর কর্মীদের আলোচনায় বসে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে, কারণ ডলারের বিনিময় হার ১২৪ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাজারে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে এ ডলার বিক্রি করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
এটি চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ কোটি ১৫ লাখ (১১ দশমিক ৫ মিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছিল।
সোমবার প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৮০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছিল। ফলে, এবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ডলার ৮৫ পয়সা বেশি দামে বিক্রি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ