প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রন টেকনোলজির কর্মীদের একটি শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘটের ঘোষণা করেছে। এই ধর্মঘটটি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মীদের বোনাস এবং মুনাফার অংশ দেওয়া নিয়ে বিরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই দিনে মাইক্রন এবং তাইচুং কারখানার কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী আরেকটি শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তাওইয়ুয়ান কর্মরত শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নটি জানিয়েছে, তারা তাইচুংয়ের শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানাতে এবং মাইক্রনের ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। ইউনিয়নটি কর্মীদের মুনাফার অংশ দেওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এই ধর্মঘটের ফলে মাইক্রনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে বিরোধ আরও তীব্র হতে পারে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত সার্ভারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুই ধরনের মেমোরি চিপ তৈরি করা হয়। এই চিপগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিআরএএম এবং উচ্চগতিতে বিপুল পরিমাণ তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম এইচবিএম চিপ।
তাইওয়ানে মাইক্রনের প্রায় ১৫ হাজার কর্মী রয়েছেন। তাওইয়ুয়ান এবং তাইচুং কারখানার কর্মীদের প্রতিনিধিত্ব করে দুটি আলাদা শ্রমিক ইউনিয়ন। মাইক্রন জানিয়েছে, তারা তাইওয়ানে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি তাইওয়ান ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা মার্কিন মুদ্রায় চার হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বেশি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে মাইক্রন এবং তাওইয়ুয়ানের শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আলোচনা কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি। এরপর অক্টোবরের শুরুতে ইউনিয়নটি সদস্যদের কাছ থেকে ধর্মঘটের অনুমোদন পেয়েছে।
তাইওয়ানে মাইক্রনের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকেন্দ্রটি তাইচুংয়ে অবস্থিত। সেখানকার শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আলোচনা এখনও চলছে। তবে ধর্মঘটে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে ভোট এখনও হয়নি। তাওইয়ুয়ানের শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের ধর্মঘট কত দিন চলবে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তারা জানিয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইউনিয়নটি বলেছে, “আমাদের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমান ব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষ তুলে ধরব। একই সঙ্গে ন্যায্যভাবে মুনাফা ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আমাদের দৃঢ় সংকল্পও দেখাব।” গত সপ্তাহে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে মাইক্রন এবং এর কর্মীদের আলোচনায় বসে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন