০৪:৫৪ পি.এম
মানিকগঞ্জের বিউটি টোব্যাকো সিলগালা করা হয়েছে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও মজুদের অভিযোগে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। একই সঙ্গে, কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ৩ লাখ ৭০ হাজার শলাকা সিগারেট ও ১৩ হাজার অব্যবহৃত স্ট্যাম্প ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়। এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসবের মাধ্যমে প্রায় ১১ লাখ ৩২ হাজার টাকা শুল্ক-করসহ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের যৌথ দল শিবালয়ের বিউটি টোব্যাকো কম্পানিতে অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল
অভিযানে কিং ব্ল্যাক, ডি অ্যান্ড জি, ডলার, সেনর গোল্ড ও বার্বি ব্র্যান্ডের মোট ৩ লাখ ৭০ হাজার শলাকা সিগারেট এবং ১৩ হাজার পিস অব্যবহৃত স্ট্যাম্প ব্যান্ডরোল উদ্ধার করা হয়।
নকল কি না তা যাচাইয়ের জন্য ১২ আগস্ট নমুনা গাজীপুরের দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন লিমিটেডে পাঠানো হয়। পরীক্ষার পর গত ২৩ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ডলার ব্র্যান্ডের সিগারেটের গায়ে ব্যবহৃত স্ট্যাম্প ব্যান্ডরোল এবং জব্দ করা অব্যবহৃত ব্যান্ডরোল নকল।
এনবিআর জানায়, জব্দ করা ৩ লাখ ৭০ হাজার শলাকা সিগারেটের মধ্যে ৯০ হাজার শলাকায় নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করা হয়েছিল। পাশাপাশি ১৩ হাজার পিস অব্যবহৃত ব্যান্ডরোলও নকল হিসেবে শনাক্ত হয়।
আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
এসবের মাধ্যমে শুল্ক-করসহ প্রায় ১১ লাখ ৩২ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। নকল ও অবৈধ ব্যান্ডরোল মজুদ ও ব্যবহার করে শুল্ক-কর ফাঁকির অভিযোগে বিউটি টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে দ্য স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ২৫এ, ২৫বি, ২৫ডি ও ২৫ই ধারায় মামলা করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) শিবালয় থানায় মামলাটি করা হয়। মামলার নম্বর ২১।
মামলা দায়েরের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’-আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান কামরুল ইসলাম দাউদের
এনবিআর জানিয়েছে, অবৈধ তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, মজুদ ও বিপণন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তামাক খাতে যথাযথ রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন