ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবিতে মাসে ২৫০ টাকা করে ক্রীড়া বৃত্তি পাবেন ১০০ শিক্ষার্থী


ঢাবিতে মাসে ২৫০ টাকা করে ক্রীড়া বৃত্তি পাবেন ১০০ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খেলোয়াড় শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া বৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র। নির্বাচিত ১০০ জন শিক্ষার্থী মাসিক ২৫০ টাকা হারে বৃত্তি ও বেতন মওকুফের সুবিধা পেতে যাচ্ছেন।

রোববার (৯ আগস্ট) শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নয়না চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষ সম্মান এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত খেলোয়াড় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

কিন্তু ক্রীড়া বৃত্তির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে অংশ নিয়ে যারা ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন এবং দলগত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের সদস্যরাই কেবল এ বৃত্তির জন্য বিবেচিত হবেন।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অথবা পরিচালকের প্রত্যয়নসহ পরিচালক, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিশেষ নির্দেশনায় এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয়বার ক্রীড়া বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে না। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া কার্যক্রমে সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বাস-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


বরিশালে বাস-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

বরিশালে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন মাহিন্দ্রার চালকসহ আরো পাঁচজন।

ঘটনাটি রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে ঘটে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম এ ঘটনায় নিশ্চিত করেছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছে ইয়াসির আরাফাত নামের একজন শিক্ষার্থী, যিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। গুরুতর অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন, তবে তাঁর নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, পটুয়াখালী থেকে পাঁচ জন যাত্রী নিয়ে একটি মাহিন্দ্রা বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে যাচ্ছিল। নাজুক মুহূর্তে, দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময়, রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে চলা বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন যাত্রীর মৃত্যু ঘটে। আহতদের সার্জারির বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের বলেন, মাহিন্দ্রাটি পটুয়াখালী থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে আসছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা বিআরটিসির বাসের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান, এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের চলাচলে ধীরগতি দেখা দেয় এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কটিতে যানজট সৃষ্টি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

বিএনপির পক্ষ থেকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এর মাধ্যমে তিনি দেশের আগামী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে অনেকটা নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে গেলেন।

রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন এই তথ্য। ওই নেতা বলেন, মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্তের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সুতরাং, বিএনপির আরও কিছু জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা জানাচ্ছেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত এককভাবে তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিএনপি। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে দলটি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এর আগে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয় দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলের মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া অনেকটা নিশ্চিত।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ওই সময়ে জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

তবে, যদি মির্জা ফখরুল একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে সংসদে ভোটের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান আমিনুল হকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান আমিনুল হকের

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দেশের প্রতিটি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন যে, শিক্ষার্থীরা যে গাছ লাগাবে, সেগুলোর হিসাব রাখা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আরও গাছ সরবরাহ করা হবে।

আজ রোববার রাজধানীর মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানিয়েছেন।

আমিনুল হক বলেন, ‘তোমরা প্রত্যেকে বাসার সামনে, স্কুল-কলেজে কিংবা রাস্তার পাশে একটি করে গাছ লাগাবে। তোমরা যে গাছ লাগাবে, সেই হিসাবও রাখা হবে। প্রতিটি স্কুল ও কলেজের গাছের তালিকা থাকবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, এখনই বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত সময়। কারণ, এ সময়ে গাছ লাগালে বর্ষার পানি ও অনুকূল আবহাওয়ার জন্য গাছ দ্রুত বেড়ে উঠবে। তাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের আগামী সময়ের জন্য বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত হতে হবে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়গুলোকে আরও সবুজ করে তোলা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশ ও শহরকে আরও সবুজ করতে হলে সবাইকে এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।’

আমিনুল হক বলেন, একটি গাছ শুধুমাত্র পরিবেশের উপকার করে না, ভবিষ্যতে তা মানুষকে ফল, ছায়া ও ঔষধিসহ নানা উপকার দিতে পারে। তাই প্রতিটি শিক্ষার্থীর একটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতে হবে। এমনকি প্রতিটি শিক্ষার্থী যদি একটি করে গাছ লাগায় তাহলে সম্মিলিতভাবে বড় ধরনের সবুজায়ন সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরাফাতের ময়দানের নিমগাছের উদাহরণ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের উপকার করে আসা এসব গাছের মতো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও বৃক্ষরোপণ করে যেতে হবে। কারণ, মানুষের উপকারে আসে এমন একটি গাছ লাগানোও একটি বড় ভালো কাজ।

তিনি বলেন, বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়গুলোতে শত শত গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ট্রাইব্যুনালে কলরেকর্ড

‘১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন’, কাদেরকে যা বলেছিলেন আ জ ম নাছির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


‘১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন’, কাদেরকে যা বলেছিলেন আ জ ম নাছির

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মোট সাত আসামির মামলায় তৃতীয় দিনের মতো প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলো।

অন্তর্বর্তীকালীন রবিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

শুনানির প্রক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদেরের সাথে জুনাইদ আহমেদ পলক এবং চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কল রেকর্ড বাজানো হয়। পাশাপাশি আ জ ম নাছিরের সঙ্গে নানকের কথাও হয়।

ফোন কলের মধ্যে ওবায়দুল কাদের: "হ্যালো, নাছির কী করতেছ?"

নাছির: "জি ভাই, কাল থেকে তো ফাইট করছি। আজকেও তো ওই ইয়া না, সারাদিনই মারামারি। এখনও চলছে।"

ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি কি ওই শিবিরের?"

নাছির: "না, বিশ্ববিদ্যালয় গেছে না না না না... বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি একদম নিয়ন্ত্রণে আছে। ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ববিদ্যালয় না। ওখান থেকে এখন টাউনে...।"

ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি, চিটাগং কলেজ?"

নাছির: "না না, এগুলো সব নিয়ন্ত্রণে। টাউনের ছোট একটা জায়গায় মুরাদপুর, ওদের সঙ্গে ফাইট হচ্ছে। ওরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আইসা ওখানে গত প্রায় ২টা থেকে শুরু হইয়া এখনও পর্যন্ত চলছে। ওইখানে..."

ওবায়দুল কাদের: "ওটা মুরাদপুর এক জায়গায়?"

নাছির: "মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায়... ছোট্ট একটা জায়গায়। ওইখানে ওই একপাশে ওরা... আর পুরো চট্টগ্রাম পুরো কন্ট্রোলে। পুরো চট্টগ্রাম একদম ইউনিভার্সিটি..."

ওবায়দুল কাদের: "আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি... কথা বলো।"

নাছির: "আমি একদম দিচ্ছি। নিশ্চিন্তে থাকেন, ১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন। ইনশাআল্লাহ।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "হ্যাঁ, নাছির?"

নাছির: "জি জি, স্লামালাইকুম।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "কী অবস্থা?"

nাছির: "আমাদের এখানে পুরোপুরি ঠিক আছে। পুরো চট্টগ্রামে শুধু মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায় শিবির ওই দিকে একটা অবস্থান নিছে। ওরা ওই খানে ফাইট হয়ে এই পর্যন্ত তিনজন মারা গেছে। বুঝছেন? ওই খানে গোলাগুলি চলতেছে।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "তিনজন কারা? কারা মারা গেল?"

নাছির: "পথচারী আছে, ওদের একজন আছে, আমাদেরও একজন আছে। আর প্রচুর ইঞ্জুরি হইছে। প্রচুর ইঞ্জুরড হইছে। বুঝছেন না? প্রচুর… দুই পক্ষেরই হইছে ওইখানে। ওইখানে আমরা একপাশে আছি। মুরাদপুরে একপাশে, মোড়ের ওপাশে ওরা, এইপাশে..."

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "নাছির ভাই?"

নাছির: "জি জি জি।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আমাদের যেটা মারা গেছে, সেটার জানাজা-টানাজা করেন। ওইটাকে ইস্যু করেন।"

নাছির: "ওয়েটাকে একটু ইস্যু করার চেষ্টা করতেছি। ওইটা এখন মেডিকেলে পাঠাইছে। ওইটা কনফার্ম করে… কনফার্ম করে তারপর ইয়া করবে।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "ওয়েটাকে ইস্যু করেন, ওইটাকে ইস্যু করেন, হ্যাঁ? বি অ্যালার্ট, ওদের কিন্তু খুব খারাপ মতলব। বি অ্যালার্ট।"

নাছির: "হ্যাঁ, আর আর আর একটা বলি— আর সব পুরো একদম ১০০ পার্সেন্ট। ভার্সিটি থেকে আমি মানা করে দিছি যে, তোমরা ওখানেই থাকো। ভার্সিটি সবদিকে ঠিক আছে। ঠিক আছে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, একদম ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। আর চট্টগ্রাম শহরের সব জায়গায়, একটা জায়গায় ছোট্ট একটা জায়গায়..."

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আচ্ছা থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ..."

নাছির: "থ্যাংক ইউ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%