১১:০৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ এ টি এম তুরাব হত্যার সাথে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে।
তিনি তুরাব হত্যার বিষয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলকে সোচ্চার হবার পরামর্শ দেন।
জুলাই গণঅভ্যূত্থান চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকী অনুষ্ঠান এবং সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য সিলেট প্রেসক্লাব প্রবর্তিত ‘এ টি এম তুরাব পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ
আজ শনিবার সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনূর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নূর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলাম, এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ ছাড়াও, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীনও বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করেন এ টি এম তুরাব পদকের জন্য মনোনীত দৈনিক নয়া দিগন্তের ব্যুরো প্রধান আবদুল কাদের তাপাদার।
ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির আরো বলেন, জুলাই আন্দোলনে দেড় হাজার মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা উন্নতি করেছি। শহীদ তুরাবের রক্ত বাংলাদেশের মাটিতে ঝরেছে। তুরাব হত্যার বিচার বিলম্বিত হওয়া নিয়ে আলোচনার সময় তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলবেন। যাতে তুরাবসহ এ ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং যথাযথ শাস্তি হয়।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘যমজ শিশু’ বলে কটাক্ষ ইরানের জেনারেলের
সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালার সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে তুরাব শহীদ হয়েছেন। গত ১৫ বছরে অপতথ্যের মাধ্যমে দেশে তথ্যসন্ত্রাস কায়েম হয়েছিল। বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থিমিত হয়েছে। বিগত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে মিডিয়া স্বাধীনভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কলম ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভেদাভেদ থাকতে পারে। তবে দেশের বিষয়ে আমাদের সকলকে এক হয়ে থাকতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন-ক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী এবং ইকরামুল কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ হান্নান, সিলেট মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বদর, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্লাব সদস্য কবির আহমদ।
পরে, পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক আব্দুল কাদের তাপাদারের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধান অতিথি।
আরও পড়ুন: রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন কারাবন্দি বিএনপি নেতা রেন্টুর পরিবারের পাশে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন