ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোহাম্মদপুরে ডগ স্কোয়াড নিয়ে অভিযান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর


মোহাম্মদপুরে ডগ স্কোয়াড নিয়ে অভিযান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মাদক, চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে ডগ স্কোয়াড নিয়ে যৌথ অভিযান শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে অংশগ্রহণ করেন পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং এসআরবির সদস্যরা।

তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা, উত্তর বাড্ডা ও যমুনা ফিউচার পার্কসহ মার্কেট বন্ধ

অভিযানের অংশ হিসেবে মোহাম্মদপুরের লোহার গেট, জেনেভা ক্যাম্প এবং মোহাম্মদপুর থানার সংলগ্ন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। মোহাম্মদপুর এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ এবং কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম প্রতিরোধে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহানবী (সা.)-এর ৬ সুন্নত প্রতিদিনের পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ এম


মহানবী (সা.)-এর ৬ সুন্নত প্রতিদিনের পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব

বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে, প্রযুক্তি ও সমাজের পরিবর্তনের সাথে নতুন রোগের উদ্ভব এবং পুরোনো রোগের পুনরুত্থান দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগ, যা পানি, খাদ্য ও বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগ মোকাবিলার জন্য শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস অপরিহার্য। মহানবী (সা.)-এর সুন্নত আমাদের এমন পদ্ধতি শিখিয়েছে, যা আধুনিক স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১. পবিত্র অবস্থায় থাকা : ইসলামে পবিত্রতা ইমানের অর্ধেক। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনি তাঁদের ভালোবাসেন, যাঁরা তাঁর দিকে ফিরে আসেন এবং নিজেদের পবিত্র রাখেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২২২)

এই বাণী থেকে বোঝা যায়, ইসলামে শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পবিত্রতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নবীজির জীবনাচরণে আমরা এমন অনেক অভ্যাস দেখতে পাই, যা আজকের বিজ্ঞানও স্বাস্থ্যকর বলে প্রমাণ করেছে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘পবিত্রতা ইমানের অর্ধেক।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২২৩)

২. হাঁচি-কাশিতে মুখ ঢাকার সুন্নত : হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢাকা আধুনিক স্বাস্থ্যবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০১৪ সালে এমআইটির (ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) গবেষণায় দেখা গেছে, হাঁচি বা কাশির সময় নির্গত গ্যাসের মেঘ দীর্ঘ সময় বাতাসে ভাসতে পারে এবং এর কণা ৫ থেকে ২০০ গুণ দূরে ভ্রমণ করতে পারে। এটি বায়ুবাহিত রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়। মুহাম্মদ (সা.) হাঁচির সময় মুখ ঢাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। (মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস: ৭৫৮৮)

৩. হাত ধোয়া : স্বাস্থ্য রক্ষার প্রথম ধাপ। হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। অনেক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাক বা মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। ফেকাল-ওরাল পথে ছড়ানো রোগগুলো অপরিচ্ছন্ন হাতের মাধ্যমে খাদ্য বা বস্তুতে ছড়ায়। আধুনিক বিজ্ঞান এখন হাত ধোয়াকে স্বাস্থ্য রক্ষার প্রধান পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করে। মহানবী (সা.) বিভিন্ন সময়ে হাত ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তিনি বলেন, সকালে হাত না ধুয়ে কোনো কিছু স্পর্শ করা উচিত নয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৬২)

৪. অজু করা : অজু নিজেই একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরিষ্কার রাখে এবং রোগের বিস্তার রোধ করে। মহানবী (সা.) সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করতেন এবং দুই-তিনবার জোরে ঝাড়া দিয়ে পানি বের করতে বলেছেন। মহানবী (সা.) বলেন, কোন মুসলিম বান্দা অজুর সময় যখন মুখম-ল ধৌত তখন তার চোখ দিয়ে অর্জিত গুনাহ পানির সঙ্গে অথবা (তিনি বলেছেন) পানির শেষ বিন্দুর সঙ্গে বের হয়ে যায়। যখন সে দুই হাত ধৌত করে তখন তার দুই হাতের স্পর্শের মাধ্যমে সব গুনাহ পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সঙ্গে ঝরে যায়। তারপর যখন সে পা দুই ধৌত করে, তখন তার দুই পা দিয়ে হাঁটার মাধ্যমে অর্জিত সব গুনাহ পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সঙ্গে ঝরে যায়, এভাবে সে যাবতীয় গুনাহ থেকে মুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নণ হয়ে যায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৪)

৫. নাক পরিষ্কার রাখা : নাক আমাদের শ্বাসতন্ত্রের প্রথম প্রতিরক্ষা। এটি বাতাস পরিশ্রুত করে ধুলো, পরাগ, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসকে ফুসফুসে পৌঁছাতে বাধা দেয়। নিয়মিত নাক পরিষ্কার না করলে সর্দি, সাইনাস সংক্রমণ, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে। নবী মুহাম্মদ (সা.) সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করতেন এবং দুই-তিনবার জোরে ঝাড়া দিয়ে পানি বের করতে বলেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৬২)

৬. দাঁতের যত্ন : আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগ (পিরিয়ডন্টাল ডিজিজ) হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। মুখের ব্যাকটেরিয়া শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। মুহাম্মদ (সা.) মুখের পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মিসওয়াক মুখ পরিষ্কার করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৮৮) তিনি আরও বলেন, যদি উম্মতের ওপর বোঝা হওয়ার আশঙ্কা না হতো, তবে প্রতি নামাজের আগে মিসওয়াক ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫২)

মিসওয়াক, যা সালভাডোরা পার্সিকা গাছের ডাল থেকে তৈরি, বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান (সালভাডোরিন ও ট্রাইমেথাইলামিন) ধারণ করে। এটি প্লাক ও মাড়ির প্রদাহ কমায় এবং টুথব্রাশের মতোই কার্যকর। (জার্নাল অব ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন, ২০১৩)

মহানবী (সা.)-এর প্রতিটি সুন্নত আমাদের এমন একটি জীবনধারা শিখিয়েছে। এই সুন্নতগুলো আমাদের রোগ থেকে রক্ষা করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করে। আসুন, আমরা নবীর এই শিক্ষাগুলো আমাদের জীবনে গ্রহণ করি এবং পবিত্রতার পথে এগিয়ে যাই। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংক অব আমেরিকার বিরুদ্ধে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ এম


ব্যাংক অব আমেরিকার বিরুদ্ধে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২১ কোটি (১.২১ বিলিয়ন) ডলার জরিমানা করেছে, যা অর্থপাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ লেনদেন শনাক্ত করতে মারাত্মক ব্যর্থতার কারণে হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম জরিমানা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ব্যাংকটি প্রায় ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য সরকারকে যথাসময়ে জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১০০ কোটি ডলারের লেনদেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ব্যাংকটি নিজেদের তদারকি ব্যবস্থা ও সিকিউরিটি জোরদার না করে নিজেদের আয় ও মুনাফাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যাংক অব আমেরিকাকে এখন একজন স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্তকারী নিয়োগ করতে হবে, যিনি অতীতের সব লেনদেন পরীক্ষা করে সন্দেহজনক তথ্যগুলো মার্কিন আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাকে জানাবেন। ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিশাল অঙ্কের জরিমানার কারণে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের নিট মুনাফা থেকে শেয়ার প্রতি প্রায় ১৭ সেন্ট করে কমে যাবে। খবরটি সামনে আসার পর লেনদেন-পরবর্তী সময়ে ব্যাংক অব আমেরিকার শেয়ারের দাম ২.৭% কমে গেছে।

আর্থিক বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ইউবিএস জানিয়েছে, এই জরিমানা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাংকটির শেয়ার পুনঃক্রয় করার ক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা তৈরি করতে পারে।

ব্যাংক অব আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আর্থিক অপরাধ দমনে প্রযুক্তিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং হাজার হাজার কর্মী নিয়োজিত রেখেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী তারা সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লভ্যাংশ বিতরণের অনিয়মে বিএসইসি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


লভ্যাংশ বিতরণের অনিয়মে বিএসইসি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ বিতরণের জন্য অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা এবং এ-সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহের নির্দেশনা মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতকাল বিএসইসির এক হাজার ৩৩তম কমিশন সভায়, যা চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) লভ্যাংশের প্রস্তাব উপস্থাপনের পূর্বে ঘোষিত লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে তা এজিএমে উপস্থাপন করতে হবে। এসব শর্ত পূরণ না হলে লভ্যাংশের প্রস্তাব এজিএমে উপস্থাপন করা যাবে না। এ বিষয়ে বিদ্যমান নির্দেশনা সংশোধন করা হবে।

বিএসইসি জানায়, বর্তমানে বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত বার্ষিক বা চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ এজিএমের অন্তত এক দিন আগে পৃথক ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করতে হয়। এ বিষয়ে ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও কোম্পানি সচিবের সত্যায়নসহ তা এজিএমে উপস্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দিতে হয়। সম্প্রতি কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা পালনে ব্যত্যয় দেখা গেছে।

এদিকে, কমিশন তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড, ২০১৮ অনুযায়ী, বিদ্যমান স্বতন্ত্র পরিচালকের পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে হালনাগাদ পরিচ্ছন্ন ঋণতথ্য প্রতিবেদন (ক্লিন সিআইবি রিপোর্ট) পাওয়ার শর্তে কমিশনের সম্মতি দেওয়া হবে।

এছাড়া যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্তে আগে অব্যাহতি পাওয়া কোনো স্বতন্ত্র পরিচালক অন্য তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নিয়োগ কিংবা একই কোম্পানিতে পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের অব্যাহতির সুবিধা পাবেন। এ জন্য নতুন করে অব্যাহতি নিতে হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলের পাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান, শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে ঝুঁকি: ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


স্কুলের পাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান, শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে ঝুঁকি: ইউনিসেফ

বড় শহরগুলোর ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টির আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান বিদ্যমান। এসব দোকান থেকে শিশুরা সহজেই চিপস, মিষ্টি, সসেজ রোল ও কোমল পানীয় কিনে নিতে পারে। শুধু তাই নয়, হাতখরচের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় কেনার সময় শিশুরা প্রায় সব সময়ই অস্বাস্থ্যকর খাবারকেই বেছে নেয়।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সোমবার নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনএল টাইমস এই খবরটি জানায়।

নেদারল্যান্ডসের পুষ্টিবিষয়ক সংস্থা ভোডিংসসেন্ট্রামের লিসবেথ ভেলেমা সংবাদমাধ্যম এনওএসকে বলেন, বিদ্যালয়ের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা উদ্বেগজনক। শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, চিনিযুক্ত ও চর্বিসমৃদ্ধ স্ন্যাকসের তুলনায় স্বাস্থ্যকর খাবার অনেক সময় তাদের কাছে কম সুস্বাদু মনে হয়।

ইউনিসেফের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের কেনা খাবারের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি অস্বাস্থ্যকর। স্কুলের বিরতিতে খাবার কিনতে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য সসেজ রোল, মিষ্টি, চিপস ও কোমল পানীয় সহজেই পাওয়া যায়। ফলে তাদের খাদ্যাভ্যাসে অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে স্কুলের কাছাকাছি অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির বিষয়ে কোনো নিয়ম-কানুন নেই, তবে পৌরসভাগুলো এই অবস্থার পরিবর্তন চায়। তারা চায়, অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির বিষয়ে আরো কঠোর আইন প্রয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা বাড়াতে সুপারমার্কেটগুলোকেও আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আমস্টারডাম ইউএমসির এক গবেষণায় দেখা যায়, দেশটির প্রায় ৯৪ শতাংশ মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে। ওই সময় ১৪টি পৌরসভার একটি জোট কোনো এলাকায় নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালুর বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর দাবিও জানায়।

গবেষণায় নেদারল্যান্ডসের আলমেরে, আমস্টারডাম, ডেন বশ, লেইডেন, রটারডাম, ইউট্রেখট, দ্য হেগ, ব্রেদা, গ্রোনিনজেন ও টিলবার্গ শহরের খাবারের সহজলভ্যতা পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত সব শহরেই স্বাস্থ্যকর খাবারের তুলনায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রাধান্য রয়েছে।

বিদ্যালয়ের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যাপক উপস্থিতি এবং শিশু-কিশোরদের এসব খাবারের প্রতি ঝোঁক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সূত্র : এনএল টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%