বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০৪ পি.এম
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মেডিকেল সেন্টারে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে ২৩টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ১০টি প্রজেক্টর বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর মেডিকেল সেন্টারে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম হাতেই হন। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানও উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরকারি হাসপাতালের তুলনায় কম খরচে সিবিসি, লিপিড প্রোফাইল, ক্রিয়েটিনিন, গ্লুকোজ, ইউরিক অ্যাসিড, এসজিপিটি, এএলপি, ডেঙ্গু পরীক্ষা, ইসিজিসহ আরও অনেক ধরনের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
এরপর সকালের ১১টায় উপাচার্য তার কার্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের প্রধানদের হাতে ২৩টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ১০টি প্রজেক্টর তুলে দেন।
এ সময় অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে 'জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬' যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম মহোদয়।
সভায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। বক্তারা তাঁদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেম চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।
তিনি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর না হলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।
জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে।
তিনি যোগ করেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের কারণে বিজ্ঞাপনের বৃহৎ অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে। এ সময় তিনি সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাকেই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি হিসাবে উল্লেখ করে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে খাল পুনর্খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদার, স্থানীয় যুবদল নেতা ও কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে উপজেলার জারিরদোনা শাখা খাল পুনর্খননে এমন অনিয়ম করা হয়েছে।
অভিযোগ ওঠেছে, এ খাল পুনর্খনন প্রকল্পটিতে প্রায় এক কোটি চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও মাত্র ১০ লাখ টাকা চুক্তিতে এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে মানা হয়নি প্রকল্পের প্রাক্কলনের কোনো শর্ত। যে কারণে স্থানীয় এলাকাবাসীর ভাষ্য, এ খাল পুনর্খনন প্রকল্পে পুকুর নয়, যেন সাগর চুরি হয়েছে।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে সারাদেশে পুকুর ও খাল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আওতায় কমলনগর উপজেলার জারিরদোনা শাখা খালের হাজিরহাট মেঘনা সিনেমা হল প্রান্ত থেকে দক্ষিণ দিকে পাঁচ দশমিক ৬৯ কিলোমিটার পুনর্খনেনর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ‘মেসার্স নীলিমা ট্রেডার্স’ নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার টাকায় প্রকল্পটির কার্যাদেশ পায়। কার্যাদেশে খালটির উপর অংশে ১৫ মিটার ও নিচের অংশে দুই দশমিক ৫মিটার প্রস্থ এবং খালটির গভীরে ১০ মিটার খনন করার পাশাপাশি ১৩টি স্পটে রেফারেন্স বেড ব্লক ও ২৬টি টিবিএম নির্মাণের কথা উল্লেখ রয়েছে।
কিন্তু সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রাক্কলন অনুযায়ী খালের গভীরতা ও প্রশস্ততা নিশ্চিত করা হয়নি। কোথাও খালের পরিবর্তে নালার মতো মাটি কেটে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার এলাকাবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। তাছাড়া খাল পুনর্খননের প্রস্থ ও গভীরতা নিশ্চিতকরণ ও শনাক্তকরণের লক্ষে ১৩টি স্পটে রেফারেন্স বেড ব্লক ও ২৬টি টিবিএম নির্মাণের কথা থাকলেও সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই।
স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় যুবদলের কয়েকজন নেতা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স নীলিমা ট্রেডার্স’র সত্ত্বাধিকারী রামগতি পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি অপরূপ দাস থেকে ২৩ লাখ টাকা দিয়ে কাজটি কিনে নেন। এর পর তারা এক্সক্যাভেটর (ভেকু) মালিকের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা চুক্তির মাধ্যমে কাজটি নামে মাত্র সম্পন্ন করেন। এক্ষেত্রে প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী মোট কাজের অন্তত ৩০ শতাংশ শ্রমিক ব্যবহার করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও কোনো শ্রমিক ব্যবহার করা হয় নাই। এছাড়া খালের দুই পাড়ে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও স্থাপনা অপসারণ না করে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মাঝখান থেকে সীমিত পরিসরে মাটি কেটে খনন কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
তাদের অভিযোগ, প্রকল্পের নকশা ও প্রাক্কলন অনুযায়ী খালের গভীরতা ও প্রস্থ বজায় রাখা হয়নি। ফলে পর্যাপ্ত মাটি দুই পাড়ে ফেলা সম্ভব হয়নি। এতে খালের গাইডওয়াল ধসে পড়ছে এবং পাড়সংলগ্ন সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তাদের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন খাল খনন প্রকল্পটি যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়। এলাকাবাসী যেন এর সুফল ভোগ করতে পারেন। তাই তারা কোটি টাকার এ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত দাবি করেছেন। পাশাপাশি এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতিকারীদের বিরুদ্ধে যেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় সে দাবিও করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেন বলেন, এটি একটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রকল্প। কিন্তু দায়সারাভাবে কাজ করে প্রকল্পটির অধিকাংশ অর্থ লোপাট করা হয়েছে। এ যেন সাগর চুরি। ঠিকাদার ও যুবদলের নেতারা অফিসারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এমনটি করেছেন। তাই পুরো বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত।
পাটারীরহাট ইউনিয়ন বিএনপিার সদস্য শঙ্কর মজুমদার বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকাবাসী সুফল পাওয়ার কথা থাকলেও উল্টোটা হয়েছে। কাজের অনিয়মের কারণে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
জানতে চাইলে হাজিরহাট ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, নীলিমা ট্রেডার্স থেকে নিয়ে তারা কয়েকজন মিলে কাজটি করেছেন। প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ীই এটি সম্পন্ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করা হয়নি।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স নীলিমা ট্রেডার্স’র সত্ত্বাধিকারী রামগতি পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি অপরূপ দাস বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। এর বেশি কিছু জানতে হলে আপনারা এলজিইডির ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে দেখা করেন।
প্রকল্পটির তদারকি কর্মকর্তা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী প্রকল্পে কোনো শ্রমিক ব্যবহার না করার কথা স্বীকার করে বলেন, ভেকু মেশিন দিয়ে হলেওতো কাজ করা হয়েছে। আমি কাজটি পরিদর্শনের জন্য দুইদিন গিয়েছি। তখন অন্য সব কিছু ঠিক পেয়েছি। ইতোমধ্যে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উত্তোলন করে নিয়েছেন। তবে, রেফারেন্স বেড ব্লক ও টিবিএম নির্মাণের অস্তিত্ব না থাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।
এব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল কাদের মোজাহিদের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি বলেন, অসুস্থ ছেলের চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে রয়েছেন। এব্যাপারে তিনি পরে কথা বলবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম, শান্ত, ওমর ফারুকসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম মহোদয়। এ সময় তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ, সুধীজন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ