সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৪ এম
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের কারণে চার হাজার একরেরও বেশি বনভূমি ভস্মীভূত হয়েছে। 'লিউকাস ফায়ার' নামক এই দাবানল মেন্ডোসিনো ন্যাশনাল ফরেস্টের সংলগ্ন এলাকায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অগ্নিনির্বাপক সংস্থা ক্যাল ফায়ারের তথ্য অনুযায়ী, লেক কাউন্টি ও মেন্ডোসিনো কাউন্টির সীমান্তের কাছে পটার ভ্যালিতে লাগা এই দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ৪ হাজার ১০৯ একর এলাকা গ্রাস করেছে। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর টানা প্রচেষ্টায় এ পর্যন্ত আগুনের ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও তাণ্ডব থামেনি।
পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে লেক কাউন্টি ও মেন্ডোসিনো কাউন্টির একাধিক ব্লকে জরুরি উচ্ছেদ আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়েছেন শত শত মানুষ। স্থানীয় প্রশাসন অন্তত এক ডজন অঞ্চলে সতর্কবার্তা জারি করে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছে। দ্রুত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া গবাদিপশু ও গৃহপালিত প্রাণীদের আশ্রয়ের জন্য লেকপোর্টে বিশেষ পশুর শেড গড়ে তোলা হয়েছে।
দাবানলের তীব্রতার কারণে স্থানীয় জাতীয় বনাঞ্চলের রাস্তাঘাট, ট্রেইল এবং ক্যাম্পগ্রাউন্ড সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইউএস ফরেস্ট সার্ভিস। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক ‘র্যাঞ্চ ফায়ার’-এর সেই একই দগ্ধ এলাকায় নতুন করে এই আগুনের তাণ্ডব শুরু হলো। চলতি বছরে এই অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে বড় দাবানলের ঘটনা।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত তাপমাত্রা নাকি অন্য কোনো কারণে এই আগুনের সূত্রপাত, তা অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক এমপিদের ‘প্রটেকশন’ এবং পুনর্বাসনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন আসিফ।
রাশেদ খান একইসঙ্গে আসিফের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব দাবি উত্থাপন করেন।
স্ট্যাটাসে রাশেদ লেখেন, "আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি!"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদের জানালে তারা বলতো, ভাই, আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোন সম্পর্ক নাই!"
রাশেদ খান আরও লেখেন, "আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম।"
তিনি বলেন, "তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?"
রাশেদ খান পোস্টে লেখেন, "দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সে রকম হয়েছে!"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর আলুপট্টি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক এক শিক্ষার্থীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এই ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদেরকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বোয়ালিয়া থানার শেখপাড়া এলাকার মোহাম্মদ তৌকির জাহান স্মরণ (২৯), রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া এলাকার আবু রায়হান (২৪) ও শাহরিয়ার মনন (২৯) এবং বহরমপুর এলাকার জুনাইরা ইসলাম (২২)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২৮ বছর বয়সী ওই সাবেক শিক্ষার্থী শনিবার দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে রাজশাহী শহরে আসেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বচ্ছ টাওয়ারের পশ্চিম পাশে একটি বিসিএস কোচিং সেন্টার থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় তার সঙ্গে এক ব্যক্তির ধাক্কা লাগে। এ ঘটনার পর সেখানে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে এক তরুণী ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে তাকে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বচ্ছ টাওয়ারের ১৫ তলার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। সেখানে প্রবেশ করার পর তার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে তিন ব্যক্তি মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় ওই নারীকে পাশে বসিয়ে তার ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে মুক্তিপণের পরিমাণ কমিয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন থেকে তার বড় বোনের কাছে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়। এরপর তার বোনের স্বামী কৃষি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শাহরিয়ার মননের পূবালী ব্যাংকের রাজশাহী শাখার অ্যাকাউন্টে ৩০ হাজার ১০ টাকা পাঠান। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর কাছে থাকা ১০ হাজার টাকা জোর করে নেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মুক্তিপণের টাকা ব্যবসায়িক লেনদেন হিসেবে দেখিয়ে ডায়েরিতে লিখিয়ে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। টাকা পাওয়ার স্ক্রিনশট নেওয়ার পর তাঁকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে আসামিরা পেছন পেছন গিয়ে তাকে অটোরিকশায় তুলে দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শনিবার রাতেই ভুক্তভোগী বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেন। পরে ভোররাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, যে ফ্ল্যাটে ওই যুবককে আটকে রাখা হয়েছিল, সেটির মালিক রাজশাহীর হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী খন্দকার হাসান কবির। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তৌকির জাহান স্মরণের সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের সূত্রে স্মরণ হোটেলের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ফ্ল্যাটের চাবি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন।
তবে খন্দকার হাসান কবির দাবি করেছেন, আসামিরা হোটেলের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে চাবি নেননি; বরং ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছিলেন।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার আবু রায়হানের বাবা রাজপাড়া থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, তার ছেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং বন্ধুরা বিপদে পড়ায় তাঁদের উদ্ধার করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার ছেলে ‘ফাঁদে ফেলার’ সঙ্গে জড়িত পুলিশের এমন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, তার ছেলে বেশি কথা বলায় পুলিশ এমনটি বলতে পারে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো অপেরা অর্কেস্ট্রার সংগীতশিল্পীরা আকস্মিক ধর্মঘটের ডাক দেওয়ার ফলে প্রতিষ্ঠানটির নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী প্রদর্শনীগুলো বাতিল হয়ে গেছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতালীয় সুরকার ভার্দির বিখ্যাত অপেরা ‘সাইমন বোক্কানেগ্রা’-এর পরিবেশনের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় সান ফ্রান্সিসকো অপেরা অর্কেস্ট্রার সংগীতশিল্পীরা। এর ফলে কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানটি বাতিল করতে বাধ্য হয়। একই কারণে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পার্কের ঐতিহ্যবাহী ‘অপেরা ইন দ্য পার্ক’ কনসার্টটিও বাতিল করা হয়েছে।
শিল্পীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমেরিকান ফেডারেশন অব মিউজিশিয়ানস লোকাল ৬’ জানায়, ধর্মঘট একটি গুরুতর বিষয়; যারা আজ সন্ধ্যায় অপেরায় সময় কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তারা আরও জানান, "আমাদের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর আমরা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা শুরু করি। তবে আলোচনা চলাকালীন আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলাম যে কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবগুলো ছিল অপর্যাপ্ত এবং একটি ন্যায্য চুক্তি ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।"
যৌথ এক বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করে, "মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রস্তাবিত মজুরি স্থগিতের অর্থ হলো প্রকৃতপক্ষে তাদের ২০ শতাংশ বেতন কমানো। যেখানে গত তিন বছরে ছয়টি প্রদর্শনীর সব টিকিট বিক্রি হয়েছে এবং অনুদান লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে, সেখানে এই বাজেট ছাঁটাই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।"
অন্যদিকে, সান ফ্রান্সিসকো অপেরা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক পৃথক বিবৃতিতে জানায়, প্রদর্শনী কিংবা অনুদান বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিগত কয়েক দশক ধরে আয়ের চেয়ে ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে এবং তাদের বাৎসরিক ঘাটতির পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি (১৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।
সান ফ্রান্সিসকো অপেরার জেনারেল ডিরেক্টর ম্যাথিউ শিভলক জানান, "শিল্পমাধ্যমের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ৪৫ বছর আগের বেতন কাঠামো আর বয়ে বেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।" তবে তিনি দ্রুত সমাধান শেষে সংগীতশিল্পীদের অর্কেস্ট্রা পিটে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এদিকে শনিবারের বাতিল হওয়া নাটকের টিকিটধারীদের জন্য টিকেটের পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ার কিংবা পরবর্তীতে অন্য কোনো প্রদর্শনীতে তা সামঞ্জস্য করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে অপেরা কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের অবস্থানরত আওয়ামী লীগের যশোর জেলার সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওতায় থাকা দলের এক নেতাকে হুমকি প্রদান করেছেন। সম্প্রতি, তিনি কেশবপুর উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়কে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন।
ভুক্তভোগী গৌতম রায় যুগান্তরকে জানান, ৯ সেপ্টেম্বর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এএইচকে সাদেকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাতে ভার্চুয়ালি উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সভাপতি রুহুল আমিন, এবং এতে সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ উপজেলা কমিটির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে শাহীন, মনিরুলসহ অন্যান্যরা সভা থেকে বের হয়ে যান।
গৌতম জানান, সভা শেষে তিনি এবং অন্য কয়েকজন একটি ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। রাত ১২টার দিকে শাহীন চাকলাদার আবারও সভায় যোগ দেন। গৌতম রায় অভিযোগ করেন, আলোচনার এক পর্যায়ে শাহীন চাকলাদার তাকে বলেন, ‘তোমার দল করার দরকার নেই। তোমাকে দল করতে কে বলেছে।’ প্রতিবাদ জানালে শাহীন বলেন, ‘আমি এখনো বেঁচে আছি, তুই কীভাবে নেতা হোস আমি দেখে নেব।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই ভার্চুয়াল সভা থেকে তাকে বের করে দেওয়ার জন্য সভাপতিকে শাসান শাহীন চাকলাদার। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে দলের কয়েকজন নেতা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন, তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আনোয়ারুল কবীর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহীন চাকলাদারের গৌতম রায়কে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।
গৌতম রায় বলেন, বিভিন্ন অত্যাচারে আমরা জর্জরিত। তবুও, দলের শীর্ষ নেতাদের হুমকি দিলে আমরা কোথায় যাব।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, শাহীন চাকলাদার বিরোধীদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারলেও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি মারমুখী আচরণ করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে শাহীন চাকলাদার দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এই কারণে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ