সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৮ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগ আর কখনো রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারবে না। তিনি উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ এবং পচে-গলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই দলের নেতাদের দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। দেশের জনগণ তাদের চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনকি শেখ হাসিনা মারা গেলেও, তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো শেখ পরিবারের কোনো সদস্য আর অবশিষ্ট নেই।
সোমবার সকালে সদর উপজেলার তেঁতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যমান জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রাশেদ খান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি এখন একটি জাতীয় সমস্যা, যার সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন। কিন্তু জামায়াত সংকট সমাধানে সহায়তার হাত না বাড়িয়ে ‘লং মার্চের’ নামে ‘লং ড্রাইভ’ শুরু করেছে। ১৯৯৬ সালে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে জামায়াত যেভাবে আওয়ামী লীগকে পাশে টেনে নিয়েছিল, ঠিক একইভাবে বর্তমান জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে তারা অপশক্তিকে আবারও মাঠে নামার সাহস জোগাচ্ছে।
রাশেদ খান বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাসুদ নিজেকে বিরাট শক্তির অধিকারী বা ‘হ্যাডমওয়ালা’ দাবি করে বলেছেন, তার শক্তির খবর নাকি শেখ হাসিনাও জানতেন। জামায়াত নেতারা দেশের সেনাবাহিনী কিংবা কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে মানতে চান না, কারণ তাদের চালিকাশক্তি হলো একটি ‘গুপ্ত বট বাহিনী’। এই সাইবার বাহিনীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের চরিত্রহননের নিকৃষ্ট খেলায় মেতে উঠেছেন।
মাঠ পর্যায়ে সারসংকট ও কৃষকদের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশে বাস্তবে সারের কোনো ঘাটতি নেই। বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের আমলে নিয়োগ পাওয়া অসাধু ডিলাররা কৃত্রিমভাবে গুদামে সার মজুদ করে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং সার সরবরাহের পুরো কাঠামোটি নতুন করে পুনর্গঠন করবে। একই সঙ্গে তিনি এই সংকট চলাকালে মাঠের কৃষকদের কিছুটা ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানান।
এর আগে সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নুর সভাপতিত্বে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাশেদ খান। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমার তারকা থালাপতি বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণানের প্রেমের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি দুজনেই। কিন্তু একাধিক স্থানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণে সেই গুঞ্জন যেন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের সিলভারস্টোন রেসিং সার্কিটে বিজয় ও তৃষাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। এর আগে নরওয়েতে এই জনপ্রিয় জুটির দেখা মিলেছিল। সিলভারস্টোনে তাঁদের পাশাপাশি উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সিলভারস্টোন রেসিং সার্কিটে ৪৪টি গাড়ির একটি মেগারেসের উদ্বোধন করেন থালাপতি বিজয়। তিনি সবুজ পতাকা নেড়ে রেস শুরুর ঘোষণা দেন। গ্যালারিতে বিজয়ের পাশে ছিলেন তৃষা, যিনি জিনস, টি-শার্ট এবং মেরুন জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। রেসিং ট্র্যাকের উত্তেজনার মধ্যে বিজয়কে রেসার অজিত কুমারকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায়। দুই তারকার বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি ভক্তদের নজর কাড়ে।
এদিনের অনুষ্ঠানে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রাধিকা শরৎকুমারও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, রাজনীতির ময়দানে পুরোপুরি মনোনিবেশ করতে থালাপতি বিজয় সম্প্রতি দীর্ঘ তিন দশকের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের ‘আলবিদা’ জানিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তৃষার সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা দাবি সামনে এসেছে। তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতার অভিযোগ, স্বামী বিজয় দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় লিপ্ত। তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে যাঁর নাম শোনা যায়, তিনিই তৃষা কৃষ্ণান। তবে এসব দাবি নিয়ে বিজয় বা তৃষার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি বিজয় ও তৃষা। তাঁরা একসঙ্গে ‘ঘিলি’, ‘থিরুপতি’, ‘আথি’, ‘কুরুভি’, ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ (গোট) ও ‘লিও’-সহ একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। পর্দায় তাঁদের রসায়ন দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে।
বিনোদন দুনিয়ায় শোনা যাচ্ছে, ২০২১ সাল থেকেই বিজয় ও তৃষার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। যদিও এর সত্যতা নিয়ে কোনো পক্ষই মুখ খোলেনি। তবে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণে সেই জল্পনায় নতুন করে হাওয়া লাগছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাগরদাঁড়ীতে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ৫০০ ফুট দীর্ঘ একটি খাল পরিষ্কার করা হয়েছে। খালটি পরিষ্কার করার ফলে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হয়ে কাদার বিল এলাকার প্রায় ৬০০ থেকে ৬৫০ বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়ীর কপোতাক্ষ নদের পার্শ্ববর্তী ২ নম্বর সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাদার বিল এলাকায় চলতি মৌসুমে বিপুল পরিমাণ জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে খালের সরু মুখ দিয়ে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এর সঙ্গে খালে কলমি শাক, কচুরিপানা, শ্যাওলা, ঘাস ও বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা জমে পানি চলাচলের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে ২ নম্বর সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের আনসার প্লাটুন কমান্ডার ও স্থানীয় দলনেতা মো. ইয়াছিন আলীর উদ্যোগে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমে খালে নেমে জলজ আগাছা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করেন। দীর্ঘ প্রায় ৫০০ ফুট খাল পরিষ্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের পথ সচল করা হয়। জনকল্যাণমূলক এ কার্যক্রমে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অংশ নেন।
খাল পরিষ্কারের পর পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হওয়ায় প্রায় ৬০০ থেকে ৬৫০ বিঘা ফসলি জমি সম্ভাব্য জলাবদ্ধতার ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে। এতে আমন ধান চাষে কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও অনেকাংশে দূর হয়েছে। কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও কৃষিবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেন ২ নম্বর সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর ইসলাম।
বাহিনীর ডিজিটাল মোতায়েন কার্যক্রম এসটিডিএমএস-এর আওতায় এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবার ডাটাবেইজ রেকর্ড অন্তর্ভূক্তি বাহিনীর কার্যক্রমে দেশসেবার মানসিকতা আগামীতে গণপ্রতিরক্ষায় নবদিগন্ত উন্মোচিত করবে।
স্থানীয় জনদুর্ভোগ লাঘব, কৃষি ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং জনকল্যাণে স্বেচ্ছাশ্রমের এমন উদ্যোগের মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনে নিযুক্ত এক মার্কিন কূটনীতিকের বাসভবনে অভিযান চালানোর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শিশু পর্নোগ্রাফি সামগ্রী উদ্ধার করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষ গোপনে ওই কূটনীতিককে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠিয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই কূটনীতিকের ভাইয়ের বিরুদ্ধে চলমান একটি আলাদা তদন্তের সূত্র ধরে মার্কিন তদন্তকারীরা শিশু পর্নোগ্রাফির সন্ধান পান। এর ভিত্তিতে গত আগস্টের শেষের দিকে মার্কিন মেরিন সেনারা লন্ডনে ওই কূটনীতিকের বাসভবনে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। ২৪ আগস্ট, একটি মার্কিন সামরিক বিমানে করে তাকে ব্রিটেনে অবস্থিত একটি বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে, এই অভিযানের বিষয়ে ব্রিটিশ পুলিশ এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। কূটনীতিককে নিয়ে বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর বিষয়টি যুক্তরাজ্যকে অবহিত করা হয়। মার্কিন সামরিক অভিযানের আইনি বৈধতা নিয়ে ব্রিটেনের সরকার ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির এমপি বেন ওবেস-জেকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, "ব্রিটিশ এখতিয়ারকে এড়িয়ে এভাবে মেরিন সেনা পাঠিয়ে কূটনীতিক আটক ও সামরিক বিমানে করে নিজ দেশে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।"
ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানান, বিদেশি কূটনীতিকদের স্থানীয় আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান থাকায় তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। অন্যদিকে, লন্ডনের মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং তাদের কর্মীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ মানের পেশাদার আচরণ প্রত্যাশা করা হয়। মার্কিন কূটনৈতিক সূত্র অবশ্য দাবি করেছে, আইনি জটিলতায় যেন বিলম্ব না হয়, তাই দ্রুত ওই কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক এক সেমিনারে এই কথা বলেন।
মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজধানীসহ সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গু রোগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ভবিষ্যতে এ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে।’
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘সুস্থ থাকা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ