প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লন্ডনে নিযুক্ত এক মার্কিন কূটনীতিকের বাসভবনে অভিযান চালানোর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শিশু পর্নোগ্রাফি সামগ্রী উদ্ধার করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষ গোপনে ওই কূটনীতিককে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠিয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই কূটনীতিকের ভাইয়ের বিরুদ্ধে চলমান একটি আলাদা তদন্তের সূত্র ধরে মার্কিন তদন্তকারীরা শিশু পর্নোগ্রাফির সন্ধান পান। এর ভিত্তিতে গত আগস্টের শেষের দিকে মার্কিন মেরিন সেনারা লন্ডনে ওই কূটনীতিকের বাসভবনে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। ২৪ আগস্ট, একটি মার্কিন সামরিক বিমানে করে তাকে ব্রিটেনে অবস্থিত একটি বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে, এই অভিযানের বিষয়ে ব্রিটিশ পুলিশ এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। কূটনীতিককে নিয়ে বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর বিষয়টি যুক্তরাজ্যকে অবহিত করা হয়। মার্কিন সামরিক অভিযানের আইনি বৈধতা নিয়ে ব্রিটেনের সরকার ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির এমপি বেন ওবেস-জেকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, "ব্রিটিশ এখতিয়ারকে এড়িয়ে এভাবে মেরিন সেনা পাঠিয়ে কূটনীতিক আটক ও সামরিক বিমানে করে নিজ দেশে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।"
ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানান, বিদেশি কূটনীতিকদের স্থানীয় আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান থাকায় তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। অন্যদিকে, লন্ডনের মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং তাদের কর্মীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ মানের পেশাদার আচরণ প্রত্যাশা করা হয়। মার্কিন কূটনৈতিক সূত্র অবশ্য দাবি করেছে, আইনি জটিলতায় যেন বিলম্ব না হয়, তাই দ্রুত ওই কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন