মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে একটি জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
মাছের পোনা অবমুক্ত করার কাজটি করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
তিনি এ সময় বলেন, "১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন ইউনিটের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।" একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণও করা হয়েছে।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ আরও বলেন, "প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবেশ রক্ষায় গণমুখী কর্মসূচি পালন করছি। আমরা শুধু কেক কাটা কিংবা র্যালির মধ্যে কর্মসূচি সীমাবদ্ধ না রেখে দলের নির্দেশনায় দেশের মানুষ ও পরিবেশের জন্য পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি পালন করছি। বিএনপি সবসময় জনমুখী দল। জনগণ বিএনপির প্রতি আশ্বস্ত হয়েই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছে।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মাজহারুল হক ময়ূর, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সহসভাপতি গোলজার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন মুক্তুল, বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এর আগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ককরোচ পার্টি ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল প্রত্যাহার করেছে এফআইআর প্রত্যাহারের আশ্বাসে।
ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্র বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা বিরাজমান। এর মধ্যেই ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নির্ধারিত প্রতিবাদ মিছিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
গত জুলাই মাসের আন্দোলনের ফলস্বরূপ ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কোনো মামলার অগ্রগতি হবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের এই ইতিবাচক পদক্ষেপের পর সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে গত ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর খারিজ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, দেশের সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এই সংক্রান্ত সমস্ত মামলা খারিজ বলে গণ্য হবে এবং ভবিষ্যতে এই আন্দোলনের সূত্র ধরে নতুন কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।
কেন্দ্র সরকারের আইন কর্মকর্তা তুষার মেহতা আদালতকে জানান, গত ২৫ জুলাই সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই দিল্লি পুলিশসহ বিহার, অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র সরকার এই মামলাগুলো খারিজ করার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।
তুষার মেহতা দিল্লি পুলিশের আবেদনের বিভিন্ন বিষয়ও আদালতকে ব্যাখ্যা করেন। তিনি ২ হাজার ৮৭৩ জন ব্যক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে। ওই ‘দুষ্কৃতদের’ বিরুদ্ধে নতুন করে একটি এফআইআর দায়ের করা হবে।
ক্ষতিপূরণের বিষয়ে মেহতা বলেন, ‘সরকার ক্ষতিপূরণ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে কিভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।’
এরপর সংগঠনের মুখপাত্র সৌরভ দাস আদালতে সিজেপির বিবৃতি পড়ে শোনান এবং ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন।
একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। সিজেপির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।
তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, দু’পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকলে একের পর এক সমস্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব। খোলা মনে আলোচনা করলে পৃথিবীতে এমন কোনো বিষয় নেই, যার সমাধান করা যায় না।
এর আগে গত ২০ জুলাই রাজধানীতে আন্দোলনের পর থেকেই ছাত্রসমাজের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। সিজেপি অভিযোগ তুলেছিল, সরকার মামলা তুলে নেওয়ার বিষয়ে কথা দিলেও প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অনীহা দেখাচ্ছে এবং লিখিত কোনো আশ্বাস দিচ্ছে না। ফলস্বরূপ, পুলিশি পদক্ষেপের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও নিট পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া গেট থেকে দিল্লি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পর্যন্ত বিশাল প্রতিবাদ মার্চের ডাক দিয়েছিল সংগঠনটি। কিন্তু আদালতের এই হস্তক্ষেপে সেই আন্দোলনের আবহ মুহূর্তে বদলে গেল।
সৌরভ দাস সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কেন্দ্রের ইতিবাচক মনোভাব এবং আদালতের এই বিচারিক সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রতিবাদ মিছিলের ডাক তাঁরা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।
আদালতের এই রায় দেশজুড়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটি বড় আইনি স্বস্তি নিয়ে এসেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, বলেছেন, "প্রচলিত আইনকানুন মেনে সবাই মিলে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করা, সুখে-শান্তিতে মিলেমিশে থাকা এবং মৌলিক অধিকার নির্বিঘ্নে ভোগ করাই গণতন্ত্রের আসল রূপ।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিএনপি শুরু থেকেই এই সুস্থ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা লালন করে আসছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী অতীতের সরকারের সময়কালের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের সভা-সমাবেশ পণ্ড করতে ১৪৪ ধারা জারি এবং নির্মম নির্যাতন পরিচালনা করেছিল।" তবে তিনি দাবি করেন যে, শত অত্যাচার ও ধকল সয়ে হাটহাজারীর মাটিতে দাঁড়িয়ে বিএনপি পরিবার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে আসছে। তিনি বলেন, "দেশের জনগণ যেমন অতীতে পাশে ছিল, তেমনি বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।"
তিনি আরো বলেন, "বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশে এই চর্চা অব্যাহত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি।" প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিএনপি শুধুমাত্র সরকার হিসেবেই নয়, দলীয়ভাবেও দেশকে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখ থেকে রক্ষা করতে প্রস্তুত। তিনি আশ্বাস দেন যে, বিগত সরকারের জঘন্য অত্যাচার ও অন্যায়ের অশুভ পুনরাবৃত্তি ভবিষ্যতে আর কখনোই ঘটার সুযোগ দেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের (ইফা) নতুন বোর্ড অব গভর্নরস গঠন করা হয়েছে। এই নতুন বোর্ডে দেশের বিশিষ্ট আলেমদের মধ্যে কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুনভাবে তিনজন আলেম গভর্নর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। উল্লেখ্য, পদাধিকারবলে চার গভর্নরের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন ১৯৮৩-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংস্থা-১ শাখা থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ধর্মমন্ত্রী পদাধিকারবলে বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, পদাধিকারবলে গভর্নর হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক। মহাপরিচালক বোর্ডের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন বোর্ডে সরকার মনোনীত দুই সংসদ সদস্যও গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তারা হলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
নতুন বোর্ডে দেশের প্রখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত ও ধর্মীয় তাত্ত্বিকদের মধ্যে পাঁচজন আলেমকে গভর্নর হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নতুনভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। নতুন যুক্ত তিন আলেম হলেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী; মারকাজুল হুদা আল-ইসলামী বাংলাদেশের মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মুফতি আজহারুল ইসলাম এবং নূরে মদিনা আল-আরাবিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও যাত্রাবাড়ীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের খতিব, সম্মিলিত ইমাম-খতিব পরিষদের মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ।
এছাড়া বোর্ডে পূর্ব থেকে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এবং চরমোনাই আহসানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্যান্য গভর্নরদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও তাদের স্থলে সরকার নতুন গভর্নর মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
এছাড়া, সরকার প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্য গভর্নর বা গভর্নরদের পরিবর্তন কিংবা তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের আল আকসা জামে মসজিদের ইমামের থাকার কক্ষে বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে কক্ষটির টিনের বেড়া ও চালার একাংশ উড়ে গেছে। পুড়ে গেছে ঘরে থাকা আসবাবসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মালেক আকনের বাড়িতে অবস্থিত আল আকসা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ আকাশ দুই দিন আগে ছুটিতে বাড়িতে যান। এরপর থেকে তাঁর থাকার কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিল। কক্ষটির চাবি ছিল মসজিদ কমিটির কয়েকজন সদস্যের কাছে।
মঙ্গলবার বিকেলে আসরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরে যান। এর কিছুক্ষণ পরই তালাবদ্ধ ওই কক্ষের ভেতর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। শব্দ পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁরা দেখতে পান, বিস্ফোরণের কারণে কক্ষটির টিনের চাল ও বেড়ার একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালামালও পুড়ে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ধারণা, কক্ষটির ভেতরে আগে থেকেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক রাখা থাকতে পারে। তবে কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেখানে বিস্ফোরক রেখেছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আকন বংশের লোকজন মসজিদের ভেতরে বোমা রেখে থাকতে পারেন। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানান।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাকিম আকন। তিনি বলেন, “মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে কে বা কারা বোমা রেখেছে, আমরা জানি না। আমাদের ফাঁসানোর জন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। প্রশাসনের কাছে আমরা সঠিক তদন্তের দাবি জানাই।”
মসজিদ কমিটির সদস্য মালেক আকন বলেন, “ইমামের থাকার কক্ষে কে বা কারা বিস্ফোরক রেখেছে, তা আমরা জানি না। নামাজরত অবস্থায় বোমাটি বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।”
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কে বা কারা এবং কী কারণে সেখানে বোমা রেখেছে, তদন্ত শেষে তা জানা যাবে। এটি নাশকতার ঘটনা কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামত ও বিস্ফোরণের ধরন পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য বা এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ