কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৭:৪৩ এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জমি সংক্রান্ত সালিশ বৈঠকে গ্রামের বাইরে থেকে লোক আনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারকে সমাজচ্যুত (একঘরে) করা এবং মসজিদে নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ভুক্তভোগী খালিদ হাসান বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় অভিযোগটি জমা দেন।
অভিযোগে আবুল সরকার (৮৫), তাজ মোহাম্মাদ (৫৪) ও শেখ সাদী (৩৫)-সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা বিবাদী করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রফিক শেখের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী ওসমান গণির দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গত ২৪ ও ৩০ জুলাই দুই দফায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে জমি পরিমাপের মাধ্যমে বিরোধের সমাধান করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সালিশ বৈঠকে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রামের বাইরে থাকা কয়েকজন আত্মীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে উপস্থিত করায় স্থানীয় কয়েকজন মাতুব্বর ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩১ জুলাই ও ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় চর নওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সভা ডেকে আব্দুর রফিক শেখের পুরো পরিবারকে সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের স্থানীয় মসজিদে নামাজ আদায়েও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
বাদী খালিদ হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, মাতুব্বরদের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানার পর তিনি আবুল সরকার ও স্থানীয় সেলিম মিয়ার কাছে গিয়ে ক্ষমা চান। তবে তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেননি। বরং কেউ ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে তাকেও একঘরে করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ‘চর নওয়াপাড়া একতা যুব সমাজ’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে সমাজচ্যুতির সভার অডিও-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে পরিবারটির সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে হেয় হওয়া ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নিরাপত্তা এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।
আলফাডাঙ্গা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আল-আমিন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর পাংশায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ কালুখালী মাজবাড়ীর সংরক্ষিত দুই নারী ইউপি সদস্য (নারী মেম্বর)কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজবাড়ী ডিবি পুলিশের ওসি মোঃ মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই শিমুল শেখ সহ সঙ্গীয় অফিসার ও সদস্যরা বিকালে জেলার পাংশা মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পাংশা পৌরসভার কলেজ রোডের ‘উড ওয়ার্ড ফার্নিচার’ দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ৩০ পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ দুইজন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কালুখালীর মোহনপুরের আব্দুল মান্নান মন্ডলের স্ত্রী মোসাঃ হামিদা খাতুন (৪৭)। তিনি মাজবাড়ীর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর এবং চর কুলটিয়ার কদর আলী মন্ডলের স্বামী সাজেদা বেগম (৪০)। তিনি ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য।
মাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী শরিফুল ইসলাম জানান, তার পরিষদের দুইজন নারী মেম্বর ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছে বিষয়টি শুনেছেন। কিন্তু প্রশাসনিক ভাবে এখনও তাকে কিছু জানানো হয় নাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি মন্তব্য করেছে, দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি বর্তমানে এক ‘নতুন তলানিতে’ পৌঁছেছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয়ের ওই প্রতিবেদনে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির জন্য অনবরত বিমান হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং বেসামরিক নাগরিকদের বাস্তুচ্যুত করার ঘটনাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত সময়কালের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে সংঘাত-সহিংসতা ও অর্থনৈতিক পতনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়ের গভীর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সামরিক জান্তা তাদের নিপীড়নমূলক কৌশল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের মনে ভীতি সৃষ্টি ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। নাগরিকদের ওপর কঠোর নজরদারি চালাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হয়েছে। বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে নিয়মিত প্রাণঘাতী বিমান হামলা, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং সাধারণ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা এখন দেশটির নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।
জান্তা সরকারের আগ্রাসী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মিয়ানমারে অবৈধ খনিজ আহরণ, মাদক উৎপাদন, মানবপাচার এবং অনলাইনে পরিচালিত আর্থিক প্রতারণাকেন্দ্রগুলোর বিস্তার বর্তমান মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মিয়ানমারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, "এই প্রতিবেদন পুরো দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, চরম দুর্দশা ও নির্মম নিষ্ঠুরতার এমন এক চিত্র তুলে ধরেছে, যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।"
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "আমি বিশ্বের সব রাষ্ট্র, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতি নিজেদের ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানাই। তাদের ভাবা উচিত—মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এমন অবস্থান কতটা সুবিচারপূর্ণ।"
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল জান্তা বাহিনী। এরপর থেকেই দেশটিতে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। অভ্যুত্থানের মূল হোতা সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং চলতি বছরের এপ্রিল মাসে নিজেকে দেশটির বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজ সরকারের কূটনৈতিক বৈধতা আদায়ের লক্ষ্যে তিনি বর্তমানে নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পরিবর্তন ঘটেছে। সরকার স্থানীয় সরকার বিভাগের সংযুক্ত অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মনিরুজ্জামানকে প্রেষণে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন মো. আমিনুল ইসলাম। এবার তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ড. মো. মনিরুজ্জামান।
এনআইএলজির ডিজি হলেন আমিনুল ইসলাম
এদিকে, ঢাকা ওয়াসার সাবেক এমডি মো. আমিনুল ইসলামকে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের এনআইএলজি মহাপরিচালক ডিজি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সচিব পদমর্যাদায় এক বছরের চুক্তিতে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চুক্তিতে ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমিনুল ইসলামের আগের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে নতুন এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে এনআইএলজির মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তার এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর হবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব এবং কৃষিবান্ধব অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের মানুষের জীবনমানের আমূল পরিবর্তনে সরকারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি পর্যালোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে পাহাড়কে কৃষিবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার বড় সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, সমাজ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় পার্বত্য এলাকায় তামাক চাষ বন্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে পাহাড়ি কৃষকদের ইক্ষু, তুলা, কাজু বাদাম ও কফি চাষে উৎসাহিত করতে হবে।
তিনি কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে অর্গানিক ফলের বাগান বাড়ানোর পাশাপাশি রাম্বুটান চাষ সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। উৎপাদিত কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ এবং ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিংয়ের আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের সুপেয় পানির সংকট দূর করার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
ভূমি ব্যবস্থাপনা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি অধিগ্রহণের কাজও সময়মতো সম্পন্ন করা প্রয়োজন।
অধিগ্রহণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত পরিবারগুলোকে সরকারি খাসজমিতে যথাযথভাবে পুনর্বাসনের কথা জানান তিনি। ভূমির মালিকানা নিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রথাগত বিধি অনুযায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে তা সমাধান করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে। পাড়াকেন্দ্রের মেয়েদের জন্য বিশেষ শিক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সেন্ট্রাল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দ্রুত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের জুলাই মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি পর্যালোচনা উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পাহাড়ি মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি কাজু বাদাম, কফি, মাশরুম, লটকন চাষ এবং ভেড়া-মেষ পালনের মাধ্যমে পাহাড়ি অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ