ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্রেফতার নয়, আমাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি


গ্রেফতার নয়, আমাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি

জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি অভিযোগ করেছেন যে, তাকে অপহরণ করা হয়েছিল। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে গুরুগ্রাম পুলিশের কাছে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি এক ভিডিও বার্তায় এই দাবি করেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার ভোরে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার আগে গুরুগ্রাম পুলিশ ধ্রুব রাঠিকে আটক করে।

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে ধ্রুব রাঠি উল্লেখ করেছেন, ‘আমাকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি, অপহরণ করা হয়েছিল।’

আরও পড়ুন: রাজস্থানে বাস খাদে পড়ে ৮ নিহত, ১৭ আহত

তিনি আরও বলেন, ‘যখন আমি বিক্ষোভে অংশ নিতে যাচ্ছিলাম, তখন হয়তো আমাকে আটক করা হতো। কিন্তু আমি যখন ঘুমিয়ে ছিলাম, তখনই সাধারণ পোশাক পরা কিছু লোক আমাকে অপহরণ করে।’

ধ্রুব অভিযোগ করেন যে, ঘটনার আকস্মিকতায় তিনি জানতে পারেন যে তার বাড়ির বাইরে ৫০ জনেরও বেশি লোক উপস্থিত ছিল। তাকে অপরাধীর মতো বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়, কোনো সুযোগ না দিয়েই। সূত্র অনুযায়ী, রাত ৩টার দিকে রাঠিকে মুক্তি দিয়ে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আদালত মুক্তি দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন।

এর আগে, শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে একটি উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তাদের আটক করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে ছাত্রীকে ফেন্টানাইল মাদক খাইয়ে ধর্ষণ, পরে মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিপুরার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


ত্রিপুরার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

ভারতের ত্রিপুরার ব্যবসায়ী ও স্থলবন্দর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট পণ্য আমদানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দুই দেশের বাণিজ্য স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, নিষেধাজ্ঞার ফলে রাজ্যের বাজারে কিছু পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে এবং দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৫ সালের ১৭ মে, ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা কয়েক ধরনের পণ্যের ওপর স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পানীয়, তুলা ও তুলার বর্জ্য, নির্দিষ্ট প্লাস্টিকপণ্য এবং কাঠের আসবাব। এসব পণ্য আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আখাউড়া চেকপোস্টের ব্যবস্থাপক দেবাশিস নন্দী মন্তব্য করেন, ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ত্রিপুরা বাংলাদেশের ওপর বেশ কিছু পণ্যের জন্য নির্ভরশীল। অন্য রাজ্য থেকে এসব পণ্য আনতে পরিবহন খরচ বেশি হয়ে যায়। এর ফলে আমদানিতে বিধিনিষেধের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ছে।

তিনি জানান, পূর্বে ৮ থেকে ১০ রুপিতে বিক্রি হওয়া কিছু পণ্যের দাম বেড়ে ১৫ থেকে ২০ রুপি হয়ে গেছে। তবে তিনি কোন পণ্যের দাম বেড়েছে, তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেননি।

দেবাশিস নন্দী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ত্রিপুরা—উভয় পক্ষই সীমান্ত বাণিজ্য থেকে উপকৃত হয়। কোন পণ্য আমদানি করা যাবে এবং কীভাবে স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য সহজ করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এদিকে, ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ত্রিপুরা শাখা নির্বাচিত বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং সাবরুম স্থলবন্দর চালুর দাবি জানিয়েছে। ৯ অক্টোবর আগরতলায় ব্যবসায়ীদের বৈঠকে সীমান্ত বাণিজ্যের বাধা দূর করা ও পণ্য পরিবহন সহজ করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

ত্রিপুরায় ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে আগরতলা, শ্রীমন্তপুর ও সাবরুম—এই তিনটি স্থলবন্দর রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে, পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবহন ব্যয় কমে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারির পরিকল্পনা করছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারির পরিকল্পনা করছে সরকার

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছেন ক্ষমতাসীন জোটের দুই প্রধান শরিক, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) শীর্ষ নেতারা। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন-এর বরাতে এ তথ্য জানা যায়। তবে সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রোববার (১১ অক্টোবর) ফেডারেল মন্ত্রিসভার বৈঠক আহ্বান করেছেন। এছাড়া, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জাতীয় পরিষদ ও সিনেটের পৃথক অধিবেশন আহ্বানের সিদ্ধান্তও নিয়েছে ক্ষমতাসীন জোট।

বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিবাদ মিছিলের কারণে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি সংঘাত এড়ানোর উপায় নিয়ে শনিবার প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজলের (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা করার জন্য মধ্যস্থতা করছেন মাওলানা ফজলুর রহমান। তিনি পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলী খান এবং আসাদ কায়সারের সঙ্গেও বৈঠক করেন। ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পিটিআই প্রতিবাদ মিছিল অব্যাহত রাখলে সরকারের সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি মন্তব্য করেছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি এড়ানোর আর কোনো উপায় নেই। তিনি বলেন, "পিটিআইয়ের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে, কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই।"

তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার নিশ্চিত করেছেন, প্রদেশটিতে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করতে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকা হয়েছে। তবে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি তিনি। স্বরাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরীও বলেছেন, বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক বিকল্প বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডনের একটি সূত্র জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির জন্য সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদের আওতায় একাধিক পদক্ষেপ মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও সংবিধানে এ ধরনের পদক্ষেপের জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন বাধ্যতামূলক নয়, অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে অনুমোদন নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও নাশকতা মোকাবিলার জন্য নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার পুলিশপ্রধান জুলফিকার হামিদ। প্রতিবাদ মিছিলের পথে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রদেশের সব ডেপুটি কমিশনার ও জেলা পুলিশপ্রধানকে নিজ নিজ জেলায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ, বহিঃশত্রুর আক্রমণ অথবা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান রয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রাদেশিক পরিষদের প্রস্তাবের বিধান রয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিজ উদ্যোগে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে সংবিধান অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে তা সংসদের উভয় কক্ষে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করতে হয়।

সংবিধানের ২৩৩ অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থার সময়ে নির্দিষ্ট কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত করার ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ২৩৪ অনুচ্ছেদে কোনো প্রদেশে সাংবিধানিক ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়লে গভর্নরের শাসন জারির বিধান রয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রাদেশিক গভর্নরের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট সংবিধান অনুযায়ী প্রাদেশিক সরকারের কিছু বা সব ক্ষমতা নিজের হাতে নিতে পারেন অথবা গভর্নরের ওপর ন্যস্ত করতে পারেন। তথ্যসূত্র: দ্য ডন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী উদ্যোক্তা মা ইয়ানলি কর্মীদের ৫৫ লাখ টাকার গাড়ি উপহার দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


নারী উদ্যোক্তা মা ইয়ানলি কর্মীদের ৫৫ লাখ টাকার গাড়ি উপহার দিলেন

চীনের হেনান প্রদেশের জিয়াওজুও শহরে এক নারী উদ্যোক্তা তার রেস্তোরাঁর সেরা কর্মীদের নতুন গাড়ি উপহার দিয়েছেন। উপহার পাওয়া কর্মীদের মধ্যে একটি নারী ওয়েটারও রয়েছেন, যিনি শীতকালেও ইলেকট্রিক স্কুটারে করে কাজে আসতেন।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (এসসিএমপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা ইয়ানলি নামের ওই নারী চীনের হেনান প্রদেশে গরুর মাংসের হটপট রেস্তোরাঁর একটি চেইন পরিচালনা করেন। কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার হিসেবে তিনি এই গাড়িগুলো কিনে দেন।

প্রতিটি গাড়ির দাম ছিল ৩ লাখ চীনা ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৫ লাখ টাকারও বেশি। গাড়িগুলোর পুরো দাম মা ইয়ানলি কর্মীদের হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পরিশোধ করেন।

গাড়ি উপহার পাওয়া কর্মীদের একজন লি জিয়ে। এই উপহার পেয়ে তিনি রীতিমতো অবাক হয়ে যান। লি জানান, গাড়ির শোরুমে যাওয়ার পথে মা ইয়ানলি শুধু বলেছিলেন, তারা একটি ‘বড় খেলনা’ পেতে যাচ্ছেন। সেদিন একটি নতুন সাদা গাড়ি লি জিয়ের নামে নিবন্ধন করা হয়।

লি জিয়েকে গাড়ি উপহার দেওয়ার চিন্তা গত শীতকালে মা ইয়ানলির মাথায় আসে। আট বছর ধরে রেস্তোরাঁয় কাজ করা এই কর্মীকে একদিন প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে ইলেকট্রিক স্কুটারে করে কাজে আসতে দেখে তিনি উদ্বিগ্ন হন। হিমেল বাতাসে লি জিয়ের মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল, কান ছিল বেগুনি রঙের এবং হাত ছিল ঠান্ডায় জমে যাওয়ার মতো শক্ত।

কর্মীর এমন কষ্ট দেখে মা ইয়ানলি ভাবতে থাকেন, তিনি নিজে যখন আরামে গাড়িতে যাতায়াত করতে পারেন, তখন তার কর্মীদের কেন এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে? সেই উপলব্ধি থেকেই কর্মীদের গাড়ি উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

চীনে কর্মীদের মূল্যায়নে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের বড় অঙ্কের বোনাস ও দামি উপহার দেওয়ার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনায় এসেছে।

এর আগে ২০২৫ সালে চীনের হেনান কুয়াংশান ক্রেন কোম্পানির চেয়ারম্যান সুই পেইজুন চীনা নববর্ষ উপলক্ষে কর্মীদের মধ্যে মোট ১৮ কোটি ইউয়ান বোনাস বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবানল থেকে উদ্ধার ৮ ওরাংওটাংকে সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করল ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


দাবানল থেকে উদ্ধার ৮ ওরাংওটাংকে সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করল ইন্দোনেশিয়া

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : ভয়াবহ দাবানল থেকে উদ্ধার করা আটটি ওরাংওটাংকে ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আগুনের কবল থেকে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করার পর শুক্রবার পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের বাতু নিয়াম্বু সংরক্ষিত বনে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

রোববার ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং বন্য প্রাণী উদ্ধারকর্মীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

দেশটির বন মন্ত্রণালয় এবং বন্য প্রাণী পুনর্বাসন সংস্থা ওয়াইআইএআরআইয়ের যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাসে বোর্নিও দ্বীপের ইন্দোনেশীয় অংশের পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে দাবানলে পুড়ে যাওয়া স্থান থেকে ওরাংওটাংগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত স্থানগুলোর বেশির ভাগই ছিল বনসংলগ্ন কৃষি ও বাণিজ্যিক বাগান।

আটটি উদ্ধার করা ওরাংওটাংয়ের মধ্যে তিন জোড়া মা ও শাবক এবং দুটি কিশোর বয়সী পুরুষ ওরাংওটাং অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তাদের পশ্চিম কালিমান্তানের ২৩ হাজার হেক্টর আয়তনের বাতু নিয়াম্বু সংরক্ষিত বনে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই বনটিতে প্রাকৃতিক ও পুনরায় গড়ে ওঠা—দুই ধরনের বনাঞ্চল বিদ্যমান।

ওয়াইআইএআরআইয়ের প্রধান নির্বাহী কারমেলে ইয়ানো সানচেজ মন্তব্য করেন, "যদি কোনো প্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিরাপদ না থাকে, তবে তাকে অন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "ওরাংওটাং যেন নিরাপদে বনে বসবাস করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণ সব সময়ই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে। তবে আবাসস্থল যত দিন হুমকির মুখে থাকবে, তত দিন তাদের বেঁচে থাকতে সহায়তা করার অন্যতম কার্যকর উপায় হবে উদ্ধার করা।"

সংস্থাটির পরিচালন বিভাগের পরিচালক আরগিতোয়ে রান্তিং জানান, নতুন আবাসস্থল হিসেবে বাতু নিয়াম্বু সংরক্ষিত বনকে বেছে নেওয়ার পেছনে পর্যাপ্ত খাবার ও পানির উৎস এবং আশপাশের অন্যান্য বনের সঙ্গে সংযোগ থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "আমরা নিশ্চিত করতে চাই, উদ্ধার করা ওরাংওটাংগুলোকে শুধু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, বরং তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে টিকে থাকার প্রকৃত সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।"

ইন্দোনেশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার স্থানীয় প্রধান মুরলান দামেরিয়া পানে জানান, আগস্ট থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দাবানলের ঝুঁকি থেকে দেশটির কর্তৃপক্ষ ও ওয়াইআইএআরআই যৌথভাবে মোট ৪৬টি ওরাংওটাংকে উদ্ধার করেছে।

বর্তমানে ওরাংওটাং বিলুপ্তির অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম।

বিশ্ব বন্য প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা ডব্লিউডব্লিউএফের তথ্য অনুযায়ী, বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপ মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ওরাংওটাং রয়েছে। এক শতাব্দী আগে এ সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি।

গত মাসে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) সতর্ক করে জানায়, বোর্নিও দ্বীপের এমন সব বনাঞ্চলে আগুন জ্বলছে, যেখানে দ্বীপটির মোট ওরাংওটাংয়ের প্রায় ৫২ শতাংশের বসবাস।

শুষ্ক মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই দাবানল দেখা দেয়। তবে এ বছর এল নিনো আবহাওয়াব্যবস্থার প্রভাবে আগুনের তীব্রতা বেড়েছে। গত চার দশকে তুলনামূলক তথ্য সংরক্ষণ শুরুর পর এবার অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বনভূমি পরিষ্কার করতে গাছপালা কেটে পুড়িয়ে ফেলার প্রচলিত পদ্ধতিকেও দাবানল বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে প্রাকৃতিকভাবে আগুন প্রতিরোধে সক্ষম বনাঞ্চলের পরিবেশ ও গঠন বদলে যাচ্ছে।

দাবানলের কারণে স্থানীয়ভাবে ঘন ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছেন কয়েক হাজার নয়, বরং কয়েক দশ হাজার মানুষ। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াতেও বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়েছে।

বনাঞ্চল ধ্বংস ও দাবানলের ঝুঁকির মধ্যে ওরাংওটাংগুলোকে নিরাপদ আবাসস্থলে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সংরক্ষণকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%