প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের ত্রিপুরার ব্যবসায়ী ও স্থলবন্দর-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট পণ্য আমদানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দুই দেশের বাণিজ্য স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, নিষেধাজ্ঞার ফলে রাজ্যের বাজারে কিছু পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে এবং দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালের ১৭ মে, ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা কয়েক ধরনের পণ্যের ওপর স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পানীয়, তুলা ও তুলার বর্জ্য, নির্দিষ্ট প্লাস্টিকপণ্য এবং কাঠের আসবাব। এসব পণ্য আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আখাউড়া চেকপোস্টের ব্যবস্থাপক দেবাশিস নন্দী মন্তব্য করেন, ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ত্রিপুরা বাংলাদেশের ওপর বেশ কিছু পণ্যের জন্য নির্ভরশীল। অন্য রাজ্য থেকে এসব পণ্য আনতে পরিবহন খরচ বেশি হয়ে যায়। এর ফলে আমদানিতে বিধিনিষেধের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ছে।
তিনি জানান, পূর্বে ৮ থেকে ১০ রুপিতে বিক্রি হওয়া কিছু পণ্যের দাম বেড়ে ১৫ থেকে ২০ রুপি হয়ে গেছে। তবে তিনি কোন পণ্যের দাম বেড়েছে, তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেননি।
দেবাশিস নন্দী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ত্রিপুরা—উভয় পক্ষই সীমান্ত বাণিজ্য থেকে উপকৃত হয়। কোন পণ্য আমদানি করা যাবে এবং কীভাবে স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য সহজ করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এদিকে, ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ত্রিপুরা শাখা নির্বাচিত বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং সাবরুম স্থলবন্দর চালুর দাবি জানিয়েছে। ৯ অক্টোবর আগরতলায় ব্যবসায়ীদের বৈঠকে সীমান্ত বাণিজ্যের বাধা দূর করা ও পণ্য পরিবহন সহজ করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
ত্রিপুরায় ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে আগরতলা, শ্রীমন্তপুর ও সাবরুম—এই তিনটি স্থলবন্দর রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে, পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবহন ব্যয় কমে যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন