বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:২৮ পি.এম
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাতে চালানো এ হামলায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন ও গুদামঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি শিশু হাসপাতাল ও একটি স্কুলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী হতাহতের এ তথ্য জানিয়েছেন। দেশটির স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিস জানিয়েছে, রাতভর কিয়েভের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পর্যাপ্ত বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র না থাকায় এসব প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের কাছে পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকা পর্যন্ত রাশিয়া শান্তির কথা গুরুত্বের সঙ্গে ভাববে না। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকগুলোর মজুত এখনো পূরণ হয়নি এবং প্রতিদিনই এগুলোর প্রয়োজন হচ্ছে।
ইউক্রেন রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুতের বড় একটি অংশ ব্যবহৃত হওয়ায় ইউক্রেনে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ কমেছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর বৃহস্পতিবার সকালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাতের হামলায় ব্যবহৃত কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি।
ইউক্রেনের সংসদ সদস্য ওলেক্সি হনচারেঙ্কো বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া ইউক্রেন কার্যত কিছুই করতে পারছে না। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে শহরগুলো ‘সম্পূর্ণ অরক্ষিত’ হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় মধ্যরাতের দিকে কিয়েভে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠার পর হামলা শুরু হয়। প্রায় ২০টি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে হাজার হাজার স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং কিয়েভ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় রাশিয়া ১৬৮টি ড্রোন ও ৪৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৪৬টি ড্রোন ও ৩৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। সূত্র: বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে স্বদেশে ফেরায় রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজ আলহাজ্ব সৈয়দ খুবায়েব আলীকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে কুলাউড়ার সাংবাদিকদের সংগঠন টিম জার্নালিস্ট।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কুলাউড়ার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, শিক্ষক, সমাজসেবী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক দেশের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও টিম জার্নালিস্টের সদস্য রফিকুল ইসলাম মামুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দৈনিক ভোরের পাতার উপজেলা প্রতিনিধি ও টিম জার্নালিস্টের সদস্য রুবেল বখস পাভেল।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজ আলহাজ্ব সৈয়দ খুবায়েব আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ পরিচালক ও টিম জার্নালিস্টের উপদেষ্টা এম মোক্তাদির হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাল্লাকান্দি লংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী, রাশিদ আলী ও জকিয়া বেগম এতিমখানা ছাত্রাবাসের প্রধান শিক্ষক হাফিজ কারী আল আমিন সাজি, বিশিষ্ট সমাজসেবক জহিরুল ইসলাম কর্ণ, দৈনিক আমাদের পত্রিকার প্রতিনিধি সামসু উদ্দিন বাবু, দৈনিক গণকণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মিছবাহ, দৈনিক জনজাগরণের প্রতিনিধি কামরুজ্জামান জুয়েল, দৈনিক জনবাণীর প্রতিনিধি জামাল হোসেন তারেক, দৈনিক গণকণ্ঠের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী শোভন, দৈনিক প্রতিদিনের সময়ের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, আরটিভির প্রতিনিধি আব্দুল জব্বার বাহার, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান মাহী, দৈনিক স্বদেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি রেজাউল ইসলাম শাফি, দৈনিক আজকের জনবাণীর প্রতিনিধি আহমেদ আক্তার রানা, দৈনিক অভয়নগরের প্রতিনিধি তারিকুর রহমান, বিডি লাইন ২৪-এর পরিচালক আবরার শাহরিয়ার চৌধুরী, দৈনিক মৌমাছির কণ্ঠের প্রতিনিধি মুন্সি কাশেম, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রতিনিধি মনোয়ার আলম (মিনার) এবং দৈনিক কুলাউড়ার কণ্ঠের প্রতিনিধি ইকরাম সুয়েবসহ টিম জার্নালিস্টের সদস্যরা।
বক্তারা বলেন, হাফিজ আলহাজ্ব সৈয়দ খুবায়েব আলীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন টিম জার্নালিস্টসহ কুলাউড়াবাসীর জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। সমাজসেবা, মানবকল্যাণ ও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান প্রশংসনীয়। তাঁর মতো মানবিক ও সমাজসচেতন ব্যক্তিদের উদ্যোগ সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও তিনি দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্বদেশে ফিরে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে কুলাউড়ার মানুষের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এটাই প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে টিম জার্নালিস্টের পক্ষ থেকে হাফিজ আলহাজ্ব সৈয়দ খুবায়েব আলীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে সংবর্ধনা জানানো হয়। পাশাপাশি তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান সংগঠনের সদস্যরা।
পরে হাফিজ আলহাজ্ব সৈয়দ খুবায়েব আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ-সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ, জাতি ও কুলাউড়াবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধিত অতিথির প্রতি টিম জার্নালিস্টের সদস্যদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভকামনা প্রকাশ পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে নিহত ৯ ব্যক্তির মধ্যে অন্তত ৭ জন বাংলাদেশের নাগরিক বলে কলকাতা পুলিশ ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতদের নিজ এলাকা ও পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠক শেষে কোলকাতায় অগ্নিকাণ্ডকে দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, মর্মান্তিক এই ঘটনায় যা যা করণীয়, সব ব্যবস্থা নেবে ভারত সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছেন, তারেক রহমানের ভারত সফরের অপেক্ষায় রয়েছে নয়াদিল্লী।
এটি সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কোলকাতায় অগ্নি দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহতের বিষয়টি আলোচনায় আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলায় ২০২৬ সালের নৌযান শুমারির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নৌপথে চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সঠিক তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এবং একটি ডাটাবেইজ তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই শুমারির মাধ্যমে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উল্লেখ্য, নৌযান শুমারি চলবে আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় বেলুন উড়িয়ে শুমারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিন্দ্য মন্ডল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহ আব্দুর রহিম নূরনবী, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক মাকসুদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের সময় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে মৎস্যজীবীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সংগৃহীত এসব তথ্য ভবিষ্যতে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নৌযানের নিরাপত্তা এবং নৌপথ আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। শুমারির কার্যক্রম সফল করতে নৌযান মালিক, চালক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য আয়োজকরা আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ অঞ্চলে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে সংঘটিত একটি হত্যামামলায় তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। এই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান। এর আগে বুধবার বিকেলে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোল্ল্যা সাইফুল আলম এ রায় প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত তিন সহোদর হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ব্যাপারির পুত্র আবদুল হালিম (৩৯), আবদুল হামিদ (৩৭) ও মাহাবুর রহমান (৩৫)। রায় ঘোষণার সময়ে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর (বাড়াইকান্দি) গ্রামে আসামিরা বিরোধপূর্ণ একটি জমির আইল কাটার সময় বাধা পান ওয়ারিশ শাহাদাৎ হোসেন ও তার স্বজনদের থেকে। তখন আসামিরা কোদাল ও লাঠি দিয়ে শাহাদাত হোসেন, সাজেদা বেগম, সামছুল হক এবং আবেদা বেগমকে গুরুতর আঘাত করে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শাহাদাৎ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সেদিনই চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরদিন ৫ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এই ঘটনার পর নিহতের স্বজন আতাউর রহমান সুন্দরগঞ্জ থানায় গত ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার বিকেলে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৩ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান এবং অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান বলেন, মামলার দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাক্ষ্য ও প্রমাণের পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ