বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৩ পি.এম
ভোলায় ২০২৬ সালের নৌযান শুমারির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নৌপথে চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সঠিক তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এবং একটি ডাটাবেইজ তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই শুমারির মাধ্যমে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উল্লেখ্য, নৌযান শুমারি চলবে আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় বেলুন উড়িয়ে শুমারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিন্দ্য মন্ডল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহ আব্দুর রহিম নূরনবী, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক মাকসুদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের সময় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে মৎস্যজীবীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সংগৃহীত এসব তথ্য ভবিষ্যতে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নৌযানের নিরাপত্তা এবং নৌপথ আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। শুমারির কার্যক্রম সফল করতে নৌযান মালিক, চালক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য আয়োজকরা আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ অঞ্চলে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে সংঘটিত একটি হত্যামামলায় তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। এই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান। এর আগে বুধবার বিকেলে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোল্ল্যা সাইফুল আলম এ রায় প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত তিন সহোদর হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ব্যাপারির পুত্র আবদুল হালিম (৩৯), আবদুল হামিদ (৩৭) ও মাহাবুর রহমান (৩৫)। রায় ঘোষণার সময়ে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর (বাড়াইকান্দি) গ্রামে আসামিরা বিরোধপূর্ণ একটি জমির আইল কাটার সময় বাধা পান ওয়ারিশ শাহাদাৎ হোসেন ও তার স্বজনদের থেকে। তখন আসামিরা কোদাল ও লাঠি দিয়ে শাহাদাত হোসেন, সাজেদা বেগম, সামছুল হক এবং আবেদা বেগমকে গুরুতর আঘাত করে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শাহাদাৎ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সেদিনই চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরদিন ৫ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এই ঘটনার পর নিহতের স্বজন আতাউর রহমান সুন্দরগঞ্জ থানায় গত ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার বিকেলে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৩ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান এবং অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান বলেন, মামলার দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাক্ষ্য ও প্রমাণের পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন তার নাম সংসদে জানিয়ে দেওয়া হবে। এ সময় ভোট দেওয়া ও গণনাকালে সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।
তিনি বলেন, আসুন আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে সফল করি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণের শুরুতে সিইসি এ কথা বলেন। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী ৪৮/১ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা ভোট দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।
নির্বাচনি কর্তা হিসেবে স্বাগত বক্তব্যে সিইসি বলেন, এই নির্বাচনে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। ব্যালটের মুড়িতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নাম উল্লেখ থাকবে। ভোটাররা পূর্ণ নাম সই করে ব্যালট গ্রহণ করবেন। ব্যালট পেপারে নাম আছে কি না, তা দেখারও জন্য বলেছেন তিনি। এছাড়া, ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর নাম রয়েছে বলেও জানান সিইসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তিন কেজি গাঁজাসহ বিটলু রহমান (৫১) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিটলু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের হাবিবের বাইগুনী এলাকার করোনা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিটলু রহমান সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকার মৃত জোবান আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় করোনা বাজার থেকে বিটলু রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে তিন কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বিটলু রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিটলু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টলিউডের জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী। সম্প্রতি আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের অভিনয়জীবন, পরিবার, টলিউড, হিন্দি চলচ্চিত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
নিজের ব্যক্তিগত জীবন সব সময় আড়ালে রাখতে পছন্দ করা এই অভিনেতা জানিয়েছেন, হলিউডের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন। তবে সেখানে শয্যাদৃশ্য থাকার কারণে তিনি সেই প্রস্তাব বিনম্রভাবে ফিরিয়ে দেন। নির্মাতাদের থেকে দৃশ্যটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, অন্যথায় তার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব নয়।
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য হাতছাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে টোটা জানিয়েছেন, তার স্ত্রী শর্মিলি রায়চৌধুরী এ জাতীয় দৃশ্য পছন্দ করেন না। স্ত্রী মানসিকভাবে কষ্ট পান এমন কোনো কাজ তিনি পেশাগত প্রয়োজনেও করতে চান না।
কাজের জায়গা এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখা নিয়ে টোটা বেশ সচেতন। তিনি জানান, শুটিং সেটে স্ত্রীকে না আসার বিষয়ে প্রথম থেকেই বোঝাপড়া ছিল। কারণ, সেটে স্ত্রী থাকলে অভিনয়ে মনোযোগ বিঘ্নিত হতে পারে।
ক্যারিয়ারের শুরু এবং অতীত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, পারিবারিক গহনার ব্যবসা ছেড়ে বাবার পরামর্শ মেনে ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোপুরি অভিনয়কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় কাজ না পাওয়ার কঠিন সময়কে তিনি এখন অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন এবং অতীতের অভিমান ভুলে পেশাদার মনোভাব নিয়ে সকলকে গ্রহণ করেন।
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘ফেলুদা’ সিরিজ, ধারাবাহিক ‘শ্রীময়ী’, হিন্দি ছবি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এবং ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’-এর মতো কাজের মাধ্যমে তিনি নতুন করে দর্শকের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন। তবে বলিউডে একঘেয়ে চরিত্র এড়িয়ে গল্পনির্ভর কাজই করতে চান তিনি।
বাংলা সিনেমার ঐতিহ্য নিয়ে বলতে গিয়ে সত্যজিৎ রায় এবং তপন সিনহা এর উদাহরণ টেনে ভালো গল্প এবং দক্ষ নির্মাণের ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ব্যক্তিজীবনে তার মেয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন এবং অভিনয়ে আগ্রহ তার নেই।
নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনা এবং অবসর পরিকল্পনা নিয়ে টোটা জানান, ২০৩৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি পুরোপুরি নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যাবেন। এরপর পেশাদার অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে পার্টটাইম কাজ করবেন। এবং বাকি সময় ধ্যানযোগ, রাজযোগ, ভক্তিযোগ চর্চা ও আধ্যাত্মিক ভাবনায় আত্মনিয়োগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ