বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৫ পি.এম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন তার নাম সংসদে জানিয়ে দেওয়া হবে। এ সময় ভোট দেওয়া ও গণনাকালে সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।
তিনি বলেন, আসুন আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে সফল করি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণের শুরুতে সিইসি এ কথা বলেন। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী ৪৮/১ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা ভোট দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।
নির্বাচনি কর্তা হিসেবে স্বাগত বক্তব্যে সিইসি বলেন, এই নির্বাচনে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। ব্যালটের মুড়িতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নাম উল্লেখ থাকবে। ভোটাররা পূর্ণ নাম সই করে ব্যালট গ্রহণ করবেন। ব্যালট পেপারে নাম আছে কি না, তা দেখারও জন্য বলেছেন তিনি। এছাড়া, ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর নাম রয়েছে বলেও জানান সিইসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তিন কেজি গাঁজাসহ বিটলু রহমান (৫১) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিটলু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের হাবিবের বাইগুনী এলাকার করোনা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিটলু রহমান সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকার মৃত জোবান আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় করোনা বাজার থেকে বিটলু রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে তিন কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বিটলু রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিটলু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা সরবরাহ করে আসছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টলিউডের জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী। সম্প্রতি আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের অভিনয়জীবন, পরিবার, টলিউড, হিন্দি চলচ্চিত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
নিজের ব্যক্তিগত জীবন সব সময় আড়ালে রাখতে পছন্দ করা এই অভিনেতা জানিয়েছেন, হলিউডের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন। তবে সেখানে শয্যাদৃশ্য থাকার কারণে তিনি সেই প্রস্তাব বিনম্রভাবে ফিরিয়ে দেন। নির্মাতাদের থেকে দৃশ্যটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, অন্যথায় তার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব নয়।
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য হাতছাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে টোটা জানিয়েছেন, তার স্ত্রী শর্মিলি রায়চৌধুরী এ জাতীয় দৃশ্য পছন্দ করেন না। স্ত্রী মানসিকভাবে কষ্ট পান এমন কোনো কাজ তিনি পেশাগত প্রয়োজনেও করতে চান না।
কাজের জায়গা এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখা নিয়ে টোটা বেশ সচেতন। তিনি জানান, শুটিং সেটে স্ত্রীকে না আসার বিষয়ে প্রথম থেকেই বোঝাপড়া ছিল। কারণ, সেটে স্ত্রী থাকলে অভিনয়ে মনোযোগ বিঘ্নিত হতে পারে।
ক্যারিয়ারের শুরু এবং অতীত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, পারিবারিক গহনার ব্যবসা ছেড়ে বাবার পরামর্শ মেনে ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোপুরি অভিনয়কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় কাজ না পাওয়ার কঠিন সময়কে তিনি এখন অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন এবং অতীতের অভিমান ভুলে পেশাদার মনোভাব নিয়ে সকলকে গ্রহণ করেন।
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘ফেলুদা’ সিরিজ, ধারাবাহিক ‘শ্রীময়ী’, হিন্দি ছবি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এবং ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’-এর মতো কাজের মাধ্যমে তিনি নতুন করে দর্শকের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন। তবে বলিউডে একঘেয়ে চরিত্র এড়িয়ে গল্পনির্ভর কাজই করতে চান তিনি।
বাংলা সিনেমার ঐতিহ্য নিয়ে বলতে গিয়ে সত্যজিৎ রায় এবং তপন সিনহা এর উদাহরণ টেনে ভালো গল্প এবং দক্ষ নির্মাণের ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ব্যক্তিজীবনে তার মেয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন এবং অভিনয়ে আগ্রহ তার নেই।
নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনা এবং অবসর পরিকল্পনা নিয়ে টোটা জানান, ২০৩৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি পুরোপুরি নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যাবেন। এরপর পেশাদার অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে পার্টটাইম কাজ করবেন। এবং বাকি সময় ধ্যানযোগ, রাজযোগ, ভক্তিযোগ চর্চা ও আধ্যাত্মিক ভাবনায় আত্মনিয়োগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ওপর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হল।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণের কাজ শুরু হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেছে সিইসিকে সহায়তা করার জন্য।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই নির্বাচনে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও (এমপি) ভোট দিচ্ছেন।
এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজাকে পাট ক্ষেতের মধ্যে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সাথে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতদের ৫০ হাজার টাকা করে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। এই রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন— সাখাওয়াত (২৩), সোহেল (২১), আল আমিন (২১), সাদ্দাম (২১), উজ্জ্বল (২১), অন্তর (২১) এবং ফয়জুর (২৩)। অপরদিকে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন— চাঁন মিয়া (৩১), মো. জিয়ার (৩৬), শাহ আলম (২০), কাওসার (২২), রিফাত (২২), সুমন (২১) এবং মোস্তফা (৪০)।
তাদের সকলের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার গজারিয়া এলাকায়।
আদালত এবং এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় আসামিরা মহর আলী ও স্বপনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান গান-বাজনার কথা বলে। পরে আসামি সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে তাদের বানিয়াপাড়া চর এলাকায় একটি পাটখেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহর আলীকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করা হয়।
একইভাবে স্বপন মিয়াকে হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন দিন পরে, ১৯ মে, পাটখেত থেকে পুলিশ তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশের দীর্ঘ তদন্তের পর ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।
নিহত মহর আলী ছিলেন গজারিয়ার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে এবং মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে স্বপন মিয়া একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তারা আপন চাচা-ভাতিজা।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও মৃত্যুদণ্ডে প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ