বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৮ পি.এম
টলিউডের জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী। সম্প্রতি আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের অভিনয়জীবন, পরিবার, টলিউড, হিন্দি চলচ্চিত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
নিজের ব্যক্তিগত জীবন সব সময় আড়ালে রাখতে পছন্দ করা এই অভিনেতা জানিয়েছেন, হলিউডের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন। তবে সেখানে শয্যাদৃশ্য থাকার কারণে তিনি সেই প্রস্তাব বিনম্রভাবে ফিরিয়ে দেন। নির্মাতাদের থেকে দৃশ্যটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, অন্যথায় তার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব নয়।
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য হাতছাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে টোটা জানিয়েছেন, তার স্ত্রী শর্মিলি রায়চৌধুরী এ জাতীয় দৃশ্য পছন্দ করেন না। স্ত্রী মানসিকভাবে কষ্ট পান এমন কোনো কাজ তিনি পেশাগত প্রয়োজনেও করতে চান না।
কাজের জায়গা এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখা নিয়ে টোটা বেশ সচেতন। তিনি জানান, শুটিং সেটে স্ত্রীকে না আসার বিষয়ে প্রথম থেকেই বোঝাপড়া ছিল। কারণ, সেটে স্ত্রী থাকলে অভিনয়ে মনোযোগ বিঘ্নিত হতে পারে।
ক্যারিয়ারের শুরু এবং অতীত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, পারিবারিক গহনার ব্যবসা ছেড়ে বাবার পরামর্শ মেনে ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোপুরি অভিনয়কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় কাজ না পাওয়ার কঠিন সময়কে তিনি এখন অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন এবং অতীতের অভিমান ভুলে পেশাদার মনোভাব নিয়ে সকলকে গ্রহণ করেন।
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘ফেলুদা’ সিরিজ, ধারাবাহিক ‘শ্রীময়ী’, হিন্দি ছবি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এবং ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’-এর মতো কাজের মাধ্যমে তিনি নতুন করে দর্শকের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন। তবে বলিউডে একঘেয়ে চরিত্র এড়িয়ে গল্পনির্ভর কাজই করতে চান তিনি।
বাংলা সিনেমার ঐতিহ্য নিয়ে বলতে গিয়ে সত্যজিৎ রায় এবং তপন সিনহা এর উদাহরণ টেনে ভালো গল্প এবং দক্ষ নির্মাণের ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ব্যক্তিজীবনে তার মেয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন এবং অভিনয়ে আগ্রহ তার নেই।
নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনা এবং অবসর পরিকল্পনা নিয়ে টোটা জানান, ২০৩৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি পুরোপুরি নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যাবেন। এরপর পেশাদার অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে পার্টটাইম কাজ করবেন। এবং বাকি সময় ধ্যানযোগ, রাজযোগ, ভক্তিযোগ চর্চা ও আধ্যাত্মিক ভাবনায় আত্মনিয়োগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ওপর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হল।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণের কাজ শুরু হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেছে সিইসিকে সহায়তা করার জন্য।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই নির্বাচনে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও (এমপি) ভোট দিচ্ছেন।
এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজাকে পাট ক্ষেতের মধ্যে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সাথে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতদের ৫০ হাজার টাকা করে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। এই রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন— সাখাওয়াত (২৩), সোহেল (২১), আল আমিন (২১), সাদ্দাম (২১), উজ্জ্বল (২১), অন্তর (২১) এবং ফয়জুর (২৩)। অপরদিকে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন— চাঁন মিয়া (৩১), মো. জিয়ার (৩৬), শাহ আলম (২০), কাওসার (২২), রিফাত (২২), সুমন (২১) এবং মোস্তফা (৪০)।
তাদের সকলের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার গজারিয়া এলাকায়।
আদালত এবং এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় আসামিরা মহর আলী ও স্বপনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান গান-বাজনার কথা বলে। পরে আসামি সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে তাদের বানিয়াপাড়া চর এলাকায় একটি পাটখেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহর আলীকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করা হয়।
একইভাবে স্বপন মিয়াকে হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন দিন পরে, ১৯ মে, পাটখেত থেকে পুলিশ তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশের দীর্ঘ তদন্তের পর ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।
নিহত মহর আলী ছিলেন গজারিয়ার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে এবং মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে স্বপন মিয়া একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তারা আপন চাচা-ভাতিজা।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও মৃত্যুদণ্ডে প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আগের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলা করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদীপক্ষ হয়ে এই মামলা দায়েরের আবেদন করেন।
আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছে এবং এ বিষয়ে পরে আদেশ দেওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় উল্লেখ করা অন্যান্য আসামিরা হলেন- সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, সংসদ সদস্য মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্নেল নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামিরা গত বছরের ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে ১ থেকে ৯ নম্বর আসামিদের উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও মূল নির্দেশনায় বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনে ভাঙচুর করতে দেখা যায়। এর ফলে রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল্যবান দলিলপত্র, সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে চিরতরে ধ্বংস করা হয়।
বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সফলতা অর্জন করতে হলে শিক্ষার্থীদেরকে ডিভাইসের ওপর আসক্তি কমাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কাজী ফারুকী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে, প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এসএসসিতে জিপি-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য গোলাম রব্বানী বলেন, ‘যদি সফলতা অর্জন করতে চাও, তাহলে ডিভাইসের ওপর আসক্তি কমাও, দয়া করে আসক্তি কমাও। অনেক ভালো লাগবে, অনেক কিছু দেখবে, শুধু সময় অপচয়।’ তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের খুব প্রয়োজনীয় জিনিস, কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এটি আমাদের অনেক সময় কেড়ে নিচ্ছে। আমরা যতটুকু ইতিবাচকভাবে এটি ব্যবহার করছি, তার চেয়ে বেশি নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করছি। ইতিবাচক-নেতিবাচক বাদ দিয়ে আমরা আমাদের সময় অপচয় করছি। অতএব ডিভাইস ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’
প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক সায়মা বিনতে ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার, রায়পুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জেডএম নাজমুল ইসলাম মিঠু, প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কাজী রাসেল, কাজী ফারুকী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, কেএফএসসি শিশু কাননের প্রধান শিক্ষক শফিউল আলম টিপুসহ প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, ‘তোমরা হবে স্বপ্নে-রাঙা সূর্যোদয়, লক্ষ আশার শপথ বুকে দীপ্তি ছড়াও বিশ্বময়’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী শিক্ষা কমপ্লেক্সের সামনে একটি ‘জলছত্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ