শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৬ এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের (প্রেমিক যুগল) হাতেনাতে ধরেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা। প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে আগামীকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন- মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী।
জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে আনা হলে স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয় প্রেমিক যুগল। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে কাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েকমাস ধরে নিয়মিত নির্জন জায়গায় বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে এবার হাতেনাতে ধরে তারা। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। তবে ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া মেয়েটি যে মেসে থাকে ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশ কীভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বিশ্বনেতাদের সামনে কথা বলেন ৩৬ বছর বয়সি এই নেতা।
তবে বৃহস্পতিবার বক্তব্য দেওয়ার সময়ও তার চোখে ছিল পরিচিত কালো সানগ্লাস।
বালেন্দ্র শাহকে সাধারণত পুরো চোখ ঢেকে রাখা আয়তাকার ফ্রেমের কালো সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। তার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গেও সানগ্লাসটি এখন অনেকটা অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের মঞ্চেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এ সময় তার পরনে ছিল নেপালের ঐতিহ্যবাহী কালো টুপি ও কালো ব্লেজার।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কখন এবং কোথায় সানগ্লাস পরবেন, সে বিষয়ে বেশ সতর্ক শাহ। সংসদ অধিবেশন, সরকারি অনুষ্ঠান, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে ছবি তোলার সময় তিনি সানগ্লাস পরে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠক, ব্যক্তিগত আলোচনা কিংবা যৌথ বৈঠকে তিনি সাধারণত সানগ্লাস পরেন না।
কেন সানগ্লাস খুলতে চান না শাহ?
র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা শাহের এই সানগ্লাস তার পরিচয়ের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বেশি যোগাযোগ করেন এবং সাধারণত সাক্ষাৎকার বা সংবাদ সম্মেলনে খুব কমই অংশ নেন। ফলে তার সানগ্লাস তার ব্যক্তিত্বে এক ধরনের রহস্যময়তাও যোগ করেছে।
নেপালের অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান দারাজে এখন ‘বালেন শাহ গ্লাস’ লিখে খুঁজলে তার সানগ্লাসের আদলে তৈরি বিভিন্ন ধরনের চশমাও পাওয়া যায়।
২০২২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেন শাহ। কালো পোশাক ও কালো সানগ্লাসের পরিচিত চেহারা তাকে প্রচলিত দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা একজন নতুন মুখ হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে কে.পি. শর্মা অলির সরকার পতনের পরও রাজনৈতিক প্রচারে নিজের এই পরিচিত চেহারা ধরে রাখেন তিনি। পরবর্তী মার্চের সংসদ নির্বাচনে তার নতুন দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি বড় জয় পায়। পূর্বাঞ্চলের একটি আসনে অলিকে পরাজিত করে নিজেও প্রধানমন্ত্রী হন বালেন্দ্র শাহ।
তবে তিনটি ঘটনায় জনসাধারণের সামনে সানগ্লাস খুলে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। জুলাইয়ে দক্ষিণ নেপালে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে প্রাণহানির পর জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সানগ্লাস খুলেছিলেন। আগস্টে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময়ও একই কাজ করেন। এর আগে একবার সমর্থকদের উদ্দেশে ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি’ বলার সময়ও সানগ্লাস খুলেছিলেন তিনি।
আগস্টে সংসদে সানগ্লাস পরা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়েছিলেন শাহ। সংসদের কার্যক্রমে কালো সানগ্লাস পরা নিষিদ্ধ করেছিলেন স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল। তবে পরে কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, শাহের কার্যালয় তার সানগ্লাস পরার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিল, তীব্র আলো থেকে চোখ রক্ষায় চিকিৎসক তাকে সানগ্লাস পরার পরামর্শ দিয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) প্রায় ৩৮ হাজার কর্মীর সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি করেছে সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী ‘শাইনি হান্টার্স’। দাবিটি সত্য কি না, তা তদন্ত করছে এফবিআই।
হ্যাকারদের দাবি, তারা এফবিআইয়ের সব এজেন্টের নাম, পদ, ব্যাজ নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করেছে। এসব তথ্যের মধ্যে বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বর ও স্বামী বা স্ত্রীর তথ্যও রয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান অধ্যাপক সিয়ারান মার্টিন বলেন, দাবিটি সত্য প্রমাণিত হলে এটি তথ্য ফাঁসের ক্ষেত্রে যতটা গুরুতর হওয়া সম্ভব, ততটাই গুরুতর ঘটনা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এফবিআই জানিয়েছে, তারা হ্যাকারদের দাবির বিষয়ে অবগত এবং বিষয়টি ‘সক্রিয়ভাবে ও কঠোরভাবে’ তদন্ত করছে।
হ্যাকারদের দাবি, সোমবার রাতে তারা এফবিআইয়ের সার্ভারে ঢুকে পড়ে। মঙ্গলবার থেকে তারা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুরি করা তথ্যের নমুনা ও পর্দার ছবি পাঠাতে শুরু করে। এছাড়াও বিবিসি চুরি করা তথ্যের একটি ছোট অংশ দেখেছে, যা সত্যিকারের বলে মনে হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া কিছু তথ্যে এফবিআই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্মস্থল সম্পর্কিত তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে চীনা গুপ্তচর, রুশ গোয়েন্দা সংস্থা ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত সংবেদনশীল কর্মকাণ্ডের তথ্যও রয়েছে বলে জানা গেছে।
‘শাইনি হান্টার্স’ একটি আন্তর্জাতিক হ্যাকার গোষ্ঠী, যারা মূলত ফ্রান্স থেকে কার্যক্রম শুরু করেছিল বলে ধারণা করা হয়। এপ্রিল মাসে রকস্টার গেমস এবং মে মাসে শিক্ষাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ক্যানভাসে বড় ধরনের সাইবার হামলার পেছনেও গোষ্ঠীটির নাম উঠে এসেছে।
গোষ্ঠীটির দাবি, এফবিআই ব্যবহৃত ওরাকল ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবস্থার একটি দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে তারা একাধিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে। এসবের মধ্যে এফবিআইজবস, কর্মী ও চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা এফবিআই বিস্ট, এজেন্টদের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণকারী এফবিআই মেডলিংক এবং তদন্তসংক্রান্ত তথ্য রাখা এফবিআই বিকস রয়েছে।
তবে অর্থের জন্য এফবিআইয়ের ব্যবস্থা হ্যাক করা হয়নি বলে দাবি করেছে শাইনি হান্টার্স। বরং মে মাসে গোষ্ঠীটি সম্পর্কে এফবিআই প্রকাশিত একটি সতর্কবার্তা প্রত্যাহার বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে তারা।
এফবিআই ওই সতর্কবার্তায় শাইনি হান্টার্সকে ‘হুমকি সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিল, তারা প্রায়ই সংবেদনশীল বা ব্যক্তিগত তথ্যের মালিকানা দাবি করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে।
শাইনি হান্টার্স জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া ‘মিথ্যা অভিযোগ’ সংশোধন বা প্রত্যাহারের জন্য এফবিআইকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। তা না হলে চুরি করা পুরো তথ্যভান্ডার প্রকাশ করা হবে।
এফবিআই বলেছে, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থা নাকি কোনো তৃতীয় পক্ষের ব্যবস্থায় হামলা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম রাইট ঘটনাটিকে ‘প্রতিশোধমূলক হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ হামলা দেখিয়েছে যে গোষ্ঠীটির হাত থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানই পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
এদিকে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হান্ট্রেসের অ্যান্ড্রু ব্র্যান্ডট বলেন, এমন হুমকি এফবিআইকে হ্যাকারদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার জন্য আরও সক্রিয় করে তুলতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
ফজর- ভোর ৪: ৩৪ মিনিট
যোহর- দুপুর ১১: ৫৪ মিনিট
আসর- বিকাল ৪: ১০ মিনিট
মাগরিব- সন্ধ্যা ৫: ৫৫ মিনিট
এশা- রাত ৭: ০৯ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গেতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কেঙ্গেতে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন পাইলট। কিন্তু সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানিয়েছেন, জরুরি অবতরণের চেষ্টা করা সত্ত্বেও রানওয়ে অভাবের কারণে বিমানটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিমানে থাকা সকলেই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া যায়।
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন। এছাড়া, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
মেজর জেনারেল একেনগে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে।
মধ্য আফ্রিকার খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডা সীমান্তসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। গত বছর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দখলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর পুনর্দখলে দেশটির সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ