শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১২ এম
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
ফজর- ভোর ৪: ৩৪ মিনিট
যোহর- দুপুর ১১: ৫৪ মিনিট
আসর- বিকাল ৪: ১০ মিনিট
মাগরিব- সন্ধ্যা ৫: ৫৫ মিনিট
এশা- রাত ৭: ০৯ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গেতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কেঙ্গেতে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন পাইলট। কিন্তু সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানিয়েছেন, জরুরি অবতরণের চেষ্টা করা সত্ত্বেও রানওয়ে অভাবের কারণে বিমানটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিমানে থাকা সকলেই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া যায়।
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন। এছাড়া, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
মেজর জেনারেল একেনগে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে।
মধ্য আফ্রিকার খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডা সীমান্তসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। গত বছর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দখলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর পুনর্দখলে দেশটির সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যস্ত জীবনের প্রতিদিনের রুটিনে সব খেলা দেখা সম্ভব নয়। তাই নিজের সময় ও পছন্দ অনুযায়ী কিছু খেলা বেছে নিতে হবে। লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখার প্রতি আপনার আগ্রহ নিশ্চয়ই রয়েছে, যা অন্যদের মতোই। খেলার সময় ও স্থান জানার জন্য খোঁজাখুঁজি করে সময় নষ্ট না করে, দেখে নিন এই শিডিউল। এরপর ঠিক করুন, কখন কোন খেলায় আপনার নজর থাকবে।
আজ উয়েফা নেশনস লিগে মুখোমুখি হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং ইংল্যান্ড। একই প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। চলুন, জেনে নেয়া যাক আজকের টিভিতে খেলার সূচি, কোন খেলা কখন এবং কোন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে।
ফিফা আসিয়ান কাপ
পাকিস্তান-থাইল্যান্ড
সরাসরি, বেলা ৩টা, টি স্পোর্টস
ভিয়েতনাম-ফিলিপাইন
সরাসরি, সন্ধ্যা ৬-৩০ মিনিট, টি স্পোর্টস
এশিয়ান গেমস: ক্রিকেট
জাপান-নেপাল
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ১
মালয়েশিয়া-ওমান
বেলা ১১টা, সনি স্পোর্টস ১
এশিয়ান গেমস
বিভিন্ন খেলা
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫
উয়েফা নেশনস লিগ
স্লোভেনিয়া-স্কটল্যান্ড
সন্ধ্যা ৭টা, সনি স্পোর্টস ১
বুলগেরিয়া-লুক্সেমবুর্গ
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ২
আইসল্যান্ড-এস্তোনিয়া
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ৫
চেক প্রজাতন্ত্র-ক্রোয়েশিয়া
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
ইংল্যান্ড-স্পেন
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
উত্তর মেসিডোনিয়া-সুইজারল্যান্ড
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইএইচটিতেও অনুপস্থিতির অভিযোগ; চিকিৎসা ব্যয়, রোগীসেবা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে একের পর এক প্রশ্ন মাইশার মৃত্যুর পর ডা. তহুরা কোথায়? বরিশালের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইশা নামের এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন যেন থামছেই না। মৃত্যুর কারণ, চিকিৎসার ধরণ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়ে স্বজনদের অভিযোগের পাশাপাশি এবার সামনে এসেছে ডা. তহুরা আক্তারের অবস্থান এবং তার কর্মস্থলে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন।
স্বজনদের অভিযোগ, মাইশার মৃত্যুর পর ডা. তহুরাকে তারা নিয়মিতভাবে সামনে পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে বরিশালের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি)-তেও তার অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
তবে তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণ কী-এসব বিষয়ে ডা. তহুরার বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও নথিপত্র যাচাই জরুরি। ডা. তহুরার কাছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এবং অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি নিয়েও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন রোগীর স্বজন।
তাদের অভিযোগ, সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন চিকিৎসা-সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়ে রোগীর স্বজনদের অনেক সময় ডা. তহুরার স্বামী বাবলুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকজন স্বজনের দাবি, অন্যান্য চিকিৎসকের ক্ষেত্রে যেখানে সিজারিয়ান ডেলিভারির ব্যয় তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়, সেখানে ডা. তহুরার কাছে চিকিৎসা নিতে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-অভিযোগ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, এর মধ্যে চিকিৎসা ও হাসপাতাল ব্যয় কত এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনো অর্থ লেনদেন হয়ে থাকলে তার প্রকৃতি কী? এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রয়োজন চিকিৎসা বিল, হাসপাতালের নির্ধারিত মূল্যতালিকা, রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, চিকিৎসার খরচ সম্পর্কে সরাসরি ডা. তহুরার কাছে জানতে চাইলে অনেক সময় তার স্বামী বাবলুর সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। এতে রোগীর স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে-চিকিৎসাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, হাসপাতাল ব্যয় এবং রোগীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার কী দায়িত্ব রয়েছে?
তবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বক্তব্য জানা প্রয়োজন। ডা. তহুরার কাছে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকার কারণে তাড়াহুড়ো করে চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার করার ফলে কিছু রোগী পরবর্তী সময়ে জটিলতায় পড়েছেন-এমন অভিযোগও করেছেন কয়েকজন স্বজন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট রোগীদের চিকিৎসা নথি, অপারেশন রেকর্ড, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র এবং পরবর্তী চিকিৎসার তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রশ্ন হলো-রোগীর সংখ্যা, চিকিৎসার সময়, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তা এবং পরবর্তী জটিলতার মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা কি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে? মাইশার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দায় প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিযোগের পাশাপাশি চিকিৎসা নথি, রোগীর শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা প্রটোকল এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করেই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা সম্ভব।
একই ফ্লোরে হাম আক্রান্ত ও সাধারণ শিশু? রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন মাইশার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েও অভিযোগ সামনে এসেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাম আক্রান্ত শিশু এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের কাছাকাছি বা একই ফ্লোরের এলাকায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ শিশু ও নবজাতকদের সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া নবজাতক, সর্দি-কাশি কিংবা অন্যান্য সাধারণ অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের একই ভবনের শিশু ওয়ার্ড বা কেবিন এলাকায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। একই সময়ে হাম আক্রান্ত শিশুদেরও কাছাকাছি এলাকায় চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কিছু স্বজনের দাবি, সাধারণ অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার কয়েকদিন পর কোনো কোনো শিশুর মধ্যে হাম-সদৃশ উপসর্গ দেখা গেছে। তবে কোনো শিশুর হাম হাসপাতাল থেকেই সংক্রমিত হয়েছে-এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য এই প্রতিবেদনে নেই। এ ধরনের অভিযোগ নিশ্চিত করতে চিকিৎসা পরীক্ষা, রোগীর ইতিহাস এবং সংক্রমণ অনুসন্ধান প্রয়োজন।
তবে অভিযোগটি সামনে আসায় হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীকে অন্য রোগীদের থেকে পৃথক রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ব্যবস্থা আছে কি? সাধারণ শিশু ও নবজাতকদের থেকে তাদের কীভাবে পৃথক রাখা হচ্ছে? একই চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মী উভয় ধরনের রোগীর সেবা দিলে সংক্রমণ প্রতিরোধে কী প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে? হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে এসব ব্যবস্থা তদারকি করেন কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই পাওয়া প্রয়োজন।
মাইশার মৃত্যুর ঘটনা, ডা. তহুরার অবস্থান ও কর্মস্থলে উপস্থিতি, চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে অভিযোগ এবং শিশুদের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ-সবকিছু মিলিয়ে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। স্বজনদের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগেভাগে দায়ী না করে প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা না থাকলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো হোক। কারণ চিকিৎসাসেবায় আস্থা তৈরি হয় শুধু চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে নয়-স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেও। এরপর- রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের অন্দরমহলের আরও কিছু অভিযোগ, নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে আসছে পরবর্তী পর্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বরাবরই খোলামেলা তাপসী পান্নু। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি সিনেমা থেকে বাদ পড়ার দুটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় তাকে কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্য একটি ঘটনায়, তাকে যে কারণ দেখানো হয়েছিল, সেটিকে তিনি নিজের পাওয়া ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এক সাক্ষাৎকারে তাপসী জানান, একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তার সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছিল এবং তিনি নিজের সময়ও বরাদ্দ করেছিলেন। কিন্তু পরে সিনেমাটির নায়কই তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তাপসীর ভাষায়, "আমাকে বলা হয়েছিল, সিনেমার নায়কই আমাকে বাদ দিয়েছেন। ঈশ্বরই জানেন কেন। আমি নানা কারণ কল্পনা করতে থাকি। তার অনিরাপত্তা থাকতে পারে, হয়তো এমন কাউকে চেয়েছিলেন যার সঙ্গে তার বেশি ঘনিষ্ঠতা ছিল। অনেক কারণই কল্পনা করতে পারি। কিন্তু আমাকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।"
তিনি আরও বলেন, বাদ দেওয়ার কারণ জানতে বারবার প্রশ্ন করায় তাকে জানানো হয়েছিল, নায়ক আর তাকে সিনেমাটিতে চান না।
তবে এর চেয়েও অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তাপসী। একটি সিনেমা থেকে তাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তরে তাকে বলা হয়েছিল, "নায়কের স্ত্রী আপনাকে পছন্দ করেন না।" তাপসীর কাছে এটিই ছিল কোনো সিনেমা থেকে বাদ পড়ার ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’। তবে ওই অভিনেত্রী নায়ক কিংবা তার স্ত্রী কারও নাম প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে নিজেকে একই ধরনের চরিত্রে আটকে রাখতে চান না তাপসী। এ কারণে তিনি কিছু সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েও দিয়েছেন।
তাপসীর মতে, গ্ল্যামারাস চরিত্রের জন্য কয়েকজন নির্দিষ্ট অভিনেত্রী এবং কঠিন বা সামাজিক ইস্যুভিত্তিক সিনেমার জন্য অন্য কয়েকজনকে বেছে নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। দর্শক যেন সিনেমার শেষ সহজেই অনুমান করতে না পারেন, সে কারণেই তিনি কিছু প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি তাপসীকে ‘আসসি’ ও ‘গান্ধারি’ সিনেমায় দেখা গেছে। অনুভব সিনহা পরিচালিত ‘আসসি’তে তিনি আইনজীবী রাভি ভাটকলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে দেবাশিস মাখিজা পরিচালিত ‘গান্ধারি’ সিনমায় তাপসীকে দেখা গেছে মেয়েকে অপহরণের পর তাকে খুঁজতে বের হওয়া এক মায়ের চরিত্রে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ