শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ এম
বলিউডে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বরাবরই খোলামেলা তাপসী পান্নু। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি সিনেমা থেকে বাদ পড়ার দুটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় তাকে কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্য একটি ঘটনায়, তাকে যে কারণ দেখানো হয়েছিল, সেটিকে তিনি নিজের পাওয়া ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এক সাক্ষাৎকারে তাপসী জানান, একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তার সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছিল এবং তিনি নিজের সময়ও বরাদ্দ করেছিলেন। কিন্তু পরে সিনেমাটির নায়কই তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তাপসীর ভাষায়, "আমাকে বলা হয়েছিল, সিনেমার নায়কই আমাকে বাদ দিয়েছেন। ঈশ্বরই জানেন কেন। আমি নানা কারণ কল্পনা করতে থাকি। তার অনিরাপত্তা থাকতে পারে, হয়তো এমন কাউকে চেয়েছিলেন যার সঙ্গে তার বেশি ঘনিষ্ঠতা ছিল। অনেক কারণই কল্পনা করতে পারি। কিন্তু আমাকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।"
তিনি আরও বলেন, বাদ দেওয়ার কারণ জানতে বারবার প্রশ্ন করায় তাকে জানানো হয়েছিল, নায়ক আর তাকে সিনেমাটিতে চান না।
তবে এর চেয়েও অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তাপসী। একটি সিনেমা থেকে তাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তরে তাকে বলা হয়েছিল, "নায়কের স্ত্রী আপনাকে পছন্দ করেন না।" তাপসীর কাছে এটিই ছিল কোনো সিনেমা থেকে বাদ পড়ার ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’। তবে ওই অভিনেত্রী নায়ক কিংবা তার স্ত্রী কারও নাম প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে নিজেকে একই ধরনের চরিত্রে আটকে রাখতে চান না তাপসী। এ কারণে তিনি কিছু সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েও দিয়েছেন।
তাপসীর মতে, গ্ল্যামারাস চরিত্রের জন্য কয়েকজন নির্দিষ্ট অভিনেত্রী এবং কঠিন বা সামাজিক ইস্যুভিত্তিক সিনেমার জন্য অন্য কয়েকজনকে বেছে নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। দর্শক যেন সিনেমার শেষ সহজেই অনুমান করতে না পারেন, সে কারণেই তিনি কিছু প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি তাপসীকে ‘আসসি’ ও ‘গান্ধারি’ সিনেমায় দেখা গেছে। অনুভব সিনহা পরিচালিত ‘আসসি’তে তিনি আইনজীবী রাভি ভাটকলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে দেবাশিস মাখিজা পরিচালিত ‘গান্ধারি’ সিনমায় তাপসীকে দেখা গেছে মেয়েকে অপহরণের পর তাকে খুঁজতে বের হওয়া এক মায়ের চরিত্রে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৩ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে সকাল ৫টায় দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়া, খুলনা ও যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও দেশের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রবীণ অভিনেতা মুস্তাক খানকে সহকর্মী ও ভক্তদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরবিদায় জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ে তাঁর শেষকৃত্যে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্র, মনীশ ওয়াধওয়া, শাহজাদ খান, জায়েদ দরবার, সুনীল পাল ও অনীস বাজমি এ সময় শ্রদ্ধা জানান।
বৃহস্পতিবার মুস্তাক খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ার কারণে তাঁকে নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসা চললেও ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু ঘটে।
পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং সহকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধা ও শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে মুস্তাক খানের অবদান এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মুস্তাক খানের ছেলে মোহসিন খান বলেন, তাঁর বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমে ক্যানসারটি প্রথম পর্যায়ে ছিল, কিন্তু পরে এটি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে। এক পর্যায়ে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তাঁরা বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই অনেক দেরি হয়ে যায়। তবে শেষ সময়ে তাঁর বাবার মুখে হাসি ছিল।
বাবার সঙ্গে শেষ কথোপকরণের স্মৃতিচারণ করে মোহসিন বলেন, তখন মুস্তাক খান খুব খুশি ছিলেন এবং হাসছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে আমি খুব আনন্দিত। জীবনে যে কাজ করেছি, আশা করি তা মানুষের কাছে পৌঁছেছে।"
মোহসিন জানান, মুস্তাক খানের বেশ কয়েকটি সিনেমা, টেলিভিশন ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মোহসিন জানান, মৃত্যুর এক দিন আগে রাজপাল যাদব হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁকে দেখে মুস্তাক খান খুব খুশি হয়েছিলেন। অভিনেতা অনুপম খেরও ফোন করে সহানুভূতি ও অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেছেন বলে জানান তিনি।
১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিয়ো আতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে মুস্তাক খানের অভিনয়জীবন শুরু হয়। তিন দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলকাম’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’ ও ‘হাম হ্যায় রাহি পেয়ার কে’।
‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাঁর ‘মেরি এক টাং নাকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া প্লেয়ার হু’ সংলাপের দৃশ্যটি দর্শকদের কাছে এখনও জনপ্রিয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনায় নিখোঁজের সাত দিন পর নাজু আক্তার (৩৪) নামের এক নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে বাড়ির পাশের একটি মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নাজু আক্তারের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন নাজুকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। নাজু ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর নাজু আক্তার নিখোঁজ হন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে ২২ সেপ্টেম্বর নেত্রকোনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর ভাই শুভ।
জিডির পর পুলিশ নাজু আক্তারের সন্ধানে তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে তাঁর সাবেক স্বামী নুরুল আমীনের ওপর সন্দেহ হয় পুলিশের। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নাজুকে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নুরুল আমীনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় নগুয়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। পরে বাড়ির পাশের মাঠের মাটির নিচ থেকে নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন দাবি করেছেন, বিচ্ছেদের পর ক্ষোভ থেকে তিনি নাজুকে হত্যা করেন।
ওসি জানান, নুরুল আমীন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। নাজু আক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নগরীর পরিবেশ, জলাশয় ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় বিরূপ প্রভাবের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বালু সরবরাহে ব্যবহৃত অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। একই সঙ্গে এসব কেন্দ্রের ইজারার মেয়াদ আর না বাড়ানো এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত বালু সরবরাহের পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক (মেয়রের দায়িত্বে) অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের নির্দেশনা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (দায়িত্বপ্রাপ্ত) রুম্পা সিকদারের স্বাক্ষর করা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের চিঠিতে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে জানানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিএমপি পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নগর এলাকায় বালু অবতরণ কেন্দ্রের জন্য ১৮টি কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে বর্তমানে ১৩টি কেন্দ্র কার্যকর রয়েছে। এসব কার্যাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলেও তা অনুমোদন করা হয়নি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, পরিবেশবিদদের মতামত এবং জনসাধারণের আবেদনের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে গত ২৭ আগস্ট সিটি করপোরেশনের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সভায় বিষয়টি আলোচনা হয়। সভার ৭ নম্বর আলোচ্যসূচির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নগরীর বালু অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিল এবং ইজারার মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকার বালু সরবরাহের পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের চিঠিতে বালু সরবরাহের পাইপলাইন ব্যবস্থার কারণে নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাশয় ও জমি ভরাট, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
কিছু এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে পাইপলাইন নেওয়ার ফলে সড়কের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাইপের মাধ্যমে বালু পরিবহনের সময় আশপাশের জমি ও জলাশয়ে বালু পড়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায়ও সমস্যা তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ ও তীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। এর প্রভাবে নদীতীরবর্তী বসতি, কৃষিজমি ও জীববৈচিত্র্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। অতিরিক্ত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর জলজ পরিবেশ ও মাছের আবাসস্থলও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বরিশাল নদীবেষ্টিত নগরী হওয়ায় নদী ও জলাশয় রক্ষা এবং নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
সিটি করপোরেশনের এ সিদ্ধান্তের পর নগরীর বালু সরবরাহ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা বালু সরবরাহের বর্তমান ব্যবস্থার পরিবর্তনে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অসন্তুষ্ট হতে পারে-এমন আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যসহ তা যাচাই করে প্রকাশ করা হবে।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, বালু অবতরণ কেন্দ্র ও পাইপলাইন অপসারণের সিদ্ধান্ত শুধু কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ, নদী, জলাশয় ও সড়ক নিরাপত্তার স্বার্থে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি আইনসম্মতভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ