শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২১ এম
ব্যস্ত জীবনের প্রতিদিনের রুটিনে সব খেলা দেখা সম্ভব নয়। তাই নিজের সময় ও পছন্দ অনুযায়ী কিছু খেলা বেছে নিতে হবে। লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখার প্রতি আপনার আগ্রহ নিশ্চয়ই রয়েছে, যা অন্যদের মতোই। খেলার সময় ও স্থান জানার জন্য খোঁজাখুঁজি করে সময় নষ্ট না করে, দেখে নিন এই শিডিউল। এরপর ঠিক করুন, কখন কোন খেলায় আপনার নজর থাকবে।
আজ উয়েফা নেশনস লিগে মুখোমুখি হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং ইংল্যান্ড। একই প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। চলুন, জেনে নেয়া যাক আজকের টিভিতে খেলার সূচি, কোন খেলা কখন এবং কোন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে।
ফিফা আসিয়ান কাপ
পাকিস্তান-থাইল্যান্ড
সরাসরি, বেলা ৩টা, টি স্পোর্টস
ভিয়েতনাম-ফিলিপাইন
সরাসরি, সন্ধ্যা ৬-৩০ মিনিট, টি স্পোর্টস
এশিয়ান গেমস: ক্রিকেট
জাপান-নেপাল
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ১
মালয়েশিয়া-ওমান
বেলা ১১টা, সনি স্পোর্টস ১
এশিয়ান গেমস
বিভিন্ন খেলা
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫
উয়েফা নেশনস লিগ
স্লোভেনিয়া-স্কটল্যান্ড
সন্ধ্যা ৭টা, সনি স্পোর্টস ১
বুলগেরিয়া-লুক্সেমবুর্গ
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ২
আইসল্যান্ড-এস্তোনিয়া
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ৫
চেক প্রজাতন্ত্র-ক্রোয়েশিয়া
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
ইংল্যান্ড-স্পেন
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
উত্তর মেসিডোনিয়া-সুইজারল্যান্ড
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইএইচটিতেও অনুপস্থিতির অভিযোগ; চিকিৎসা ব্যয়, রোগীসেবা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে একের পর এক প্রশ্ন মাইশার মৃত্যুর পর ডা. তহুরা কোথায়? বরিশালের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইশা নামের এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন যেন থামছেই না। মৃত্যুর কারণ, চিকিৎসার ধরণ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়ে স্বজনদের অভিযোগের পাশাপাশি এবার সামনে এসেছে ডা. তহুরা আক্তারের অবস্থান এবং তার কর্মস্থলে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন।
স্বজনদের অভিযোগ, মাইশার মৃত্যুর পর ডা. তহুরাকে তারা নিয়মিতভাবে সামনে পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে বরিশালের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি)-তেও তার অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
তবে তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণ কী-এসব বিষয়ে ডা. তহুরার বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও নথিপত্র যাচাই জরুরি। ডা. তহুরার কাছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এবং অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি নিয়েও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন রোগীর স্বজন।
তাদের অভিযোগ, সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন চিকিৎসা-সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়ে রোগীর স্বজনদের অনেক সময় ডা. তহুরার স্বামী বাবলুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। কয়েকজন স্বজনের দাবি, অন্যান্য চিকিৎসকের ক্ষেত্রে যেখানে সিজারিয়ান ডেলিভারির ব্যয় তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়, সেখানে ডা. তহুরার কাছে চিকিৎসা নিতে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-অভিযোগ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, এর মধ্যে চিকিৎসা ও হাসপাতাল ব্যয় কত এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনো অর্থ লেনদেন হয়ে থাকলে তার প্রকৃতি কী? এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রয়োজন চিকিৎসা বিল, হাসপাতালের নির্ধারিত মূল্যতালিকা, রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, চিকিৎসার খরচ সম্পর্কে সরাসরি ডা. তহুরার কাছে জানতে চাইলে অনেক সময় তার স্বামী বাবলুর সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। এতে রোগীর স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে-চিকিৎসাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, হাসপাতাল ব্যয় এবং রোগীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার কী দায়িত্ব রয়েছে?
তবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বক্তব্য জানা প্রয়োজন। ডা. তহুরার কাছে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকার কারণে তাড়াহুড়ো করে চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার করার ফলে কিছু রোগী পরবর্তী সময়ে জটিলতায় পড়েছেন-এমন অভিযোগও করেছেন কয়েকজন স্বজন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট রোগীদের চিকিৎসা নথি, অপারেশন রেকর্ড, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র এবং পরবর্তী চিকিৎসার তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রশ্ন হলো-রোগীর সংখ্যা, চিকিৎসার সময়, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তা এবং পরবর্তী জটিলতার মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা কি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে? মাইশার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দায় প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিযোগের পাশাপাশি চিকিৎসা নথি, রোগীর শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা প্রটোকল এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করেই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা সম্ভব।
একই ফ্লোরে হাম আক্রান্ত ও সাধারণ শিশু? রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন মাইশার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েও অভিযোগ সামনে এসেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাম আক্রান্ত শিশু এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের কাছাকাছি বা একই ফ্লোরের এলাকায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ শিশু ও নবজাতকদের সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া নবজাতক, সর্দি-কাশি কিংবা অন্যান্য সাধারণ অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের একই ভবনের শিশু ওয়ার্ড বা কেবিন এলাকায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। একই সময়ে হাম আক্রান্ত শিশুদেরও কাছাকাছি এলাকায় চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কিছু স্বজনের দাবি, সাধারণ অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার কয়েকদিন পর কোনো কোনো শিশুর মধ্যে হাম-সদৃশ উপসর্গ দেখা গেছে। তবে কোনো শিশুর হাম হাসপাতাল থেকেই সংক্রমিত হয়েছে-এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য এই প্রতিবেদনে নেই। এ ধরনের অভিযোগ নিশ্চিত করতে চিকিৎসা পরীক্ষা, রোগীর ইতিহাস এবং সংক্রমণ অনুসন্ধান প্রয়োজন।
তবে অভিযোগটি সামনে আসায় হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীকে অন্য রোগীদের থেকে পৃথক রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ব্যবস্থা আছে কি? সাধারণ শিশু ও নবজাতকদের থেকে তাদের কীভাবে পৃথক রাখা হচ্ছে? একই চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মী উভয় ধরনের রোগীর সেবা দিলে সংক্রমণ প্রতিরোধে কী প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে? হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে এসব ব্যবস্থা তদারকি করেন কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই পাওয়া প্রয়োজন।
মাইশার মৃত্যুর ঘটনা, ডা. তহুরার অবস্থান ও কর্মস্থলে উপস্থিতি, চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে অভিযোগ এবং শিশুদের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ-সবকিছু মিলিয়ে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। স্বজনদের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগেভাগে দায়ী না করে প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা না থাকলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো হোক। কারণ চিকিৎসাসেবায় আস্থা তৈরি হয় শুধু চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে নয়-স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেও। এরপর- রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের অন্দরমহলের আরও কিছু অভিযোগ, নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে আসছে পরবর্তী পর্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বরাবরই খোলামেলা তাপসী পান্নু। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি সিনেমা থেকে বাদ পড়ার দুটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় তাকে কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্য একটি ঘটনায়, তাকে যে কারণ দেখানো হয়েছিল, সেটিকে তিনি নিজের পাওয়া ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এক সাক্ষাৎকারে তাপসী জানান, একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তার সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছিল এবং তিনি নিজের সময়ও বরাদ্দ করেছিলেন। কিন্তু পরে সিনেমাটির নায়কই তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তাপসীর ভাষায়, "আমাকে বলা হয়েছিল, সিনেমার নায়কই আমাকে বাদ দিয়েছেন। ঈশ্বরই জানেন কেন। আমি নানা কারণ কল্পনা করতে থাকি। তার অনিরাপত্তা থাকতে পারে, হয়তো এমন কাউকে চেয়েছিলেন যার সঙ্গে তার বেশি ঘনিষ্ঠতা ছিল। অনেক কারণই কল্পনা করতে পারি। কিন্তু আমাকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।"
তিনি আরও বলেন, বাদ দেওয়ার কারণ জানতে বারবার প্রশ্ন করায় তাকে জানানো হয়েছিল, নায়ক আর তাকে সিনেমাটিতে চান না।
তবে এর চেয়েও অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তাপসী। একটি সিনেমা থেকে তাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তরে তাকে বলা হয়েছিল, "নায়কের স্ত্রী আপনাকে পছন্দ করেন না।" তাপসীর কাছে এটিই ছিল কোনো সিনেমা থেকে বাদ পড়ার ‘সবচেয়ে খারাপ কারণ’। তবে ওই অভিনেত্রী নায়ক কিংবা তার স্ত্রী কারও নাম প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে নিজেকে একই ধরনের চরিত্রে আটকে রাখতে চান না তাপসী। এ কারণে তিনি কিছু সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েও দিয়েছেন।
তাপসীর মতে, গ্ল্যামারাস চরিত্রের জন্য কয়েকজন নির্দিষ্ট অভিনেত্রী এবং কঠিন বা সামাজিক ইস্যুভিত্তিক সিনেমার জন্য অন্য কয়েকজনকে বেছে নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। দর্শক যেন সিনেমার শেষ সহজেই অনুমান করতে না পারেন, সে কারণেই তিনি কিছু প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি তাপসীকে ‘আসসি’ ও ‘গান্ধারি’ সিনেমায় দেখা গেছে। অনুভব সিনহা পরিচালিত ‘আসসি’তে তিনি আইনজীবী রাভি ভাটকলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে দেবাশিস মাখিজা পরিচালিত ‘গান্ধারি’ সিনমায় তাপসীকে দেখা গেছে মেয়েকে অপহরণের পর তাকে খুঁজতে বের হওয়া এক মায়ের চরিত্রে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৩ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে সকাল ৫টায় দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়া, খুলনা ও যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও দেশের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রবীণ অভিনেতা মুস্তাক খানকে সহকর্মী ও ভক্তদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরবিদায় জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ে তাঁর শেষকৃত্যে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্র, মনীশ ওয়াধওয়া, শাহজাদ খান, জায়েদ দরবার, সুনীল পাল ও অনীস বাজমি এ সময় শ্রদ্ধা জানান।
বৃহস্পতিবার মুস্তাক খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ার কারণে তাঁকে নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসা চললেও ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু ঘটে।
পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং সহকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধা ও শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে মুস্তাক খানের অবদান এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মুস্তাক খানের ছেলে মোহসিন খান বলেন, তাঁর বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমে ক্যানসারটি প্রথম পর্যায়ে ছিল, কিন্তু পরে এটি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে। এক পর্যায়ে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তাঁরা বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই অনেক দেরি হয়ে যায়। তবে শেষ সময়ে তাঁর বাবার মুখে হাসি ছিল।
বাবার সঙ্গে শেষ কথোপকরণের স্মৃতিচারণ করে মোহসিন বলেন, তখন মুস্তাক খান খুব খুশি ছিলেন এবং হাসছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে আমি খুব আনন্দিত। জীবনে যে কাজ করেছি, আশা করি তা মানুষের কাছে পৌঁছেছে।"
মোহসিন জানান, মুস্তাক খানের বেশ কয়েকটি সিনেমা, টেলিভিশন ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মোহসিন জানান, মৃত্যুর এক দিন আগে রাজপাল যাদব হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁকে দেখে মুস্তাক খান খুব খুশি হয়েছিলেন। অভিনেতা অনুপম খেরও ফোন করে সহানুভূতি ও অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেছেন বলে জানান তিনি।
১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিয়ো আতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে মুস্তাক খানের অভিনয়জীবন শুরু হয়। তিন দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলকাম’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’ ও ‘হাম হ্যায় রাহি পেয়ার কে’।
‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাঁর ‘মেরি এক টাং নাকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া প্লেয়ার হু’ সংলাপের দৃশ্যটি দর্শকদের কাছে এখনও জনপ্রিয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ