ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ট্রাম্পের ২০ হাজার ভোট গণনা বন্ধের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট


ট্রাম্পের ২০ হাজার ভোট গণনা বন্ধের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ২০ হাজারের বেশি ডাকযোগে দেওয়া ভোটের গণনা বন্ধের জন্য করা আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিযোগ করে বলেছে, এসব ভোটারের মধ্যে অ-মার্কিন নাগরিক রয়েছে, যার ভিত্তিতে তারা ভোটগুলো আটকে দিতে চেয়েছিল।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাক্কালে এই পদক্ষেপ নেয় মার্কিন বিচার বিভাগ। তাদের দাবি, ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটার তালিকায় অ-মার্কিন নাগরিকদের একটি তালিকা তাদের কাছে রয়েছে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্বে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিল।

সোমবার (২ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে আবেদন জমা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। আবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন ভোটগুলো বৈধ ভোটের সঙ্গে গণনা না করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। তবে, আবেদন জমা দেওয়ার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট ভোট গণনা বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

আরও পড়ুন: আমির হামজার নির্বাচনী হলফনামায় গরমিল, তদন্তের জন্য আবেদন

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তৈরি করা ভোটার তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এতে হাজারো বৈধ মার্কিন নাগরিকের নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া কর্তৃপক্ষের দাবি, অ-মার্কিন নাগরিক শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যবহৃত পদ্ধতিতে ভুল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে মামলাটি খারিজ করে বিচারক ডেভিড কার্টার সতর্ক করেছিলেন, প্রমাণ ছাড়া ভোট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমবে।

এদিকে, নির্বাচনে ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ জানাতে আইন বিশেষজ্ঞ, পর্যবেক্ষক দল ও বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম।

সূত্র: ডিডাব্লিউ

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে শব্দদূষণের দায়ে ৬ যানবাহনকে জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বাম পায়ের দক্ষতা নিয়ে হ্যারি কেইনের মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


মেসির বাম পায়ের দক্ষতা নিয়ে হ্যারি কেইনের মন্তব্য

লিওনেল মেসির বাঁ পায়ের অসাধারণ দক্ষতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার মনে করেন, যদি তার নিজের মধ্যে আর্জেন্টাইন মহাতারকার মতো বাঁ পায়ের দক্ষতা থাকত, তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য তাকে থামানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ত।

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ‘ফুটবল’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেইনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, অন্য কোনো ব্যালন ডি’অরজয়ী ফুটবলারের কোন দক্ষতাটি তিনি নিজের খেলায় যুক্ত করতে চাইবেন। এই প্রশ্নের জবাবে ইংলিশ ফরোয়ার্ড মেসির বাঁ পায়ের কথা উল্লেখ করেন।

হাস্যরসের ছলে কেইন মন্তব্য করেন, ‘আজ যদি মেসির বাঁ পা আমার থাকত, তাহলে মনে হয় আমাকে থামানো খুব কঠিন হতো।’

নিজের খেলার ধরন সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করেছেন কেইন। তিনি স্বীকার করেছেন, মেসির মতো একের পর এক প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে গোল করার সামর্থ্য তার নেই, তবে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে বিপদ তৈরি করতে সক্ষম বলে মনে করেন।

কেইনের ভাষায়, ‘আমি জানি, গোল করার আগে ১০ জন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে যাওয়ার মতো ফুটবলার আমি নই। তবে বিভিন্নভাবে প্রতিপক্ষকে বিপদে ফেলতে পারি।’

ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে নিজেকে সবচেয়ে পরিপূর্ণ খেলোয়াড় মনে করছেন ইংলিশ অধিনায়ক। তিনি জানিয়েছেন, শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই মাঠে নিজের সেরা অবস্থানে রয়েছেন।

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে কেইন দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটিয়েছেন। ৬৫ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ৭৩। এই মৌসুমকে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম হিসেবেও বিবেচনা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজের বিরুদ্ধে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজের বিরুদ্ধে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগ

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীদের তৎপরতা থেমে নেই। এই প্রেক্ষাপটে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের নাম সামনে এসেছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা এবং দেশ-বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ রিমান্ডে নিয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, হাফিজের ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম, বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক তৎপরতা খতিয়ে দেখার সময় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী সরকারের পতনের পর হাফিজ আরো সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ঢাকা ও টাঙ্গাইলের আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারণা চালানো এবং ঝটিকা মিছিলের মতো কর্মসূচিতে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও হাফিজের যোগাযোগ ছিল। তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য টেলিগ্রামে একটি গ্রুপ খুলেছিলেন। ওই গ্রুপে তার আরো দুই সহযোগী— কারাগারে থাকা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া আগে সক্রিয় ছিলেন।

বিশেষ করে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথের সঙ্গে হাফিজের যোগাযোগ ছিল বলে দাবি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের। পঙ্কজ দেবনাথ ছাড়াও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দামের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য তদন্তকারীরা পেয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের ভাষ্য, বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনার মাধ্যমে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারকে রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছিল। এ লক্ষ্যে নানা ধরনের তৎপরতার পরিকল্পনা করেছিলেন হাফিজ ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনার কথিত ভারত থেকে ফেরার বিষয়টি সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাইবার পরিসরে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। এ উদ্দেশ্যে সাইবার সেলে সমন্বিত প্রচারণার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, হাফিজের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। তাদের যোগাযোগের ধরন, অর্থায়ন এবং কথিত পরিকল্পনার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

গত শনিবার রাতে রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি বাসা থেকে হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ১৩ অক্টোবর রাজধানীর পল্লবী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করে। এতে গ্রেপ্তার দেখানো হয় হাফিজকে। মামলার অপর আসামিরা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

পরে তাকে সাইবার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় আদালতে হাজির করা হলে আদালত চার দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করে। বর্তমানে হাফিজ ডিবির হেফাজতে রয়েছেন এবং সেখানেই তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া হাফিজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন হাফিজ। এ সময় সামরিক বাহিনীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তাও যোগ দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন এবং টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য। ২০১৪ সালে মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। হাফিজ ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে তিনি মনোনয়ন পাননি।

সূত্র জানায়, হাফিজ নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নামে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলেন। সেখানে সংযুক্ত হন গুলশান আরা ও দেবাশীষ। এছাড়াও আরো একাধিক ব্যক্তি এতে জড়িত ছিলেন। তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ঢাকাসহ একাধিক জেলার নেতাদের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করে আওয়ামী নেতাকর্মীদের সাইবার সেলে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিতেন। ভারতে পলাতক আওয়ামী নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তাদের কাছ থেকে কোন অর্থ তার কাছে এসেছে কি না সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠজনদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুতি যাচাই করছে, প্রধানমন্ত্রী জানালেন নজরদারির কথা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


মালয়েশিয়া নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুতি যাচাই করছে, প্রধানমন্ত্রী জানালেন নজরদারির কথা

মালয়েশিয়া সরকার দেশের সরকারি বিভাগ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুতি যাচাই করবে। এ উদ্দেশ্যে সরকারি বিভাগের প্রধান সচিব এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আলাদাভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। মঙ্গলবার এই তথ্য জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ইউরোপ ও পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকারি প্রশাসন এবং ডিজিটাল ব্যবস্থায় সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও জাপানের নাগরিকদের খাবার মজুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, সরকার বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, ইয়েমেন ও লোহিত সাগরের পরিস্থিতি এবং ইউরোপের নিরাপত্তা হুমকি।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এসব ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে, বিদেশের সংকটও আমাদের জনগণের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এ পরিস্থিতি নিয়ে মালয়েশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠক করেছে। বৈঠকে দেশের বর্তমান প্রস্তুতি এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশকে প্রস্তুত রাখাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিন নিয়ে বিপাকে? বাতিল করতে পারবেন যেসব শর্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


টিন নিয়ে বিপাকে? বাতিল করতে পারবেন যেসব শর্তে

বর্তমানে অনেকের জন্য ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বা টিন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। বিভিন্ন উদ্দেশ্যে টিন সনদ করলেও পরে সেটির ব্যবহার করা হয় না। তবে টিন সক্রিয় থাকার কারণে আয়কর রিটার্ন দাখিল ও অন্যান্য কর-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা নিয়ে দুশ্চিন্তা সৃষ্টি হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর কাছে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা সম্ভব। কোন পরিস্থিতিতে বাতিল করা যাবে এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে?

ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা টিন হচ্ছে করদাতার জন্য নির্ধারিত একটি স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর। বাংলাদেশে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে এই নম্বর ব্যবহৃত হয়। আয়কর নথি শনাক্তকরণ, রিটার্ন দাখিল এবং বিভিন্ন আর্থিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে টিআইএন প্রয়োজন হয়।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ভিসার আবেদন, ব্যবসা পরিচালনা কিংবা অন্যান্য দাপ্তরিক প্রয়োজনে অনেকে টিআইএন নিবন্ধন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে টিন সক্রিয় থাকার কারণে কর-সংক্রান্ত দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।

তবে টিন থাকা মানেই সকলকে একই পরিমাণ কর দিতে হবে এমন নয়। আয়, সম্পদ ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী করদাতার দায়িত্ব নির্ধারিত হয়। তাই টিন আর প্রয়োজন নেই মনে করে রিটার্ন দাখিল বন্ধ না করে আগে নিজের কর-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

কোন পরিস্থিতিতে টিন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে?

নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এবং আইনগত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। যেমন—

১. ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে ব্যবসা বন্ধ করলে এবং সংশ্লিষ্ট টিআইএন আর প্রয়োজন না হলে বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে।

২. একাধিক টিআইএন তৈরি হলে: ভুলবশত একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে একাধিক টিআইএন তৈরি হলে প্রয়োজনীয় নম্বরটি রেখে অন্যটি বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে।

৩. টিআইএন ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকলে: নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য টিআইএন নেওয়ার পর সেটির আর প্রয়োজন না হলে এবং আইনগত শর্ত পূরণ হলে বাতিলের আবেদন বিবেচিত হতে পারে।

৪. করযোগ্য আয় না থাকলে: কোনো ব্যক্তির আয় করযোগ্য সীমার নিচে নেমে গেলে নির্দিষ্ট শর্তে টিআইএন বাতিলের সুযোগ থাকতে পারে। তবে আয় কমে যাওয়া বা করযোগ্য আয় না থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিআইএন বাতিল হয় না।

৫. দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করলে: কোনো বাংলাদেশি নাগরিক দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করলে, দেশে করযোগ্য আয় না থাকলে এবং টিআইএন রাখার আইনগত প্রয়োজন না থাকলে তার আবেদন বিবেচিত হতে পারে।

৬. করদাতার মৃত্যু হলে: কোনো করদাতার মৃত্যু হলে তার টিআইএন বাতিলের প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হয়। মৃত ব্যক্তির নামে ব্যবসা বা অন্য কোনো কার্যক্রম চলমান থাকলে আগে সংশ্লিষ্ট কর ও আইনগত বিষয় যাচাই করা জরুরি।

যেভাবে টিআইএন বাতিলের আবেদন করবেন

টিআইএন বাতিলের আবেদন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় করতে হয়। আবেদনের পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করদাতার পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে

প্রথমে এনবিআরের ওয়েবসাইটে গিয়ে টিআইএন-সংক্রান্ত অনলাইন সেবা ও বাতিলের আবেদনের বর্তমান নিয়ম যাচাই করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা থাকলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। আবেদনে সাধারণত টিআইএন নম্বর, ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি, বর্তমান অবস্থা এবং বাতিলের কারণ উল্লেখ করতে হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সমর্থনকারী কাগজপত্রও জমা দিতে হতে পারে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষ তা যাচাই করবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত তথ্য বা নথি চাওয়া হতে পারে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া টিআইএন বাতিল হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না।

সরাসরি আবেদন করতে চাইলে

অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা কর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আবেদনপদ্ধতি জেনে নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলো হলো—

- টিআইএন সনদ বা টিআইএন নম্বরের প্রমাণ;

- জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;

- ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রমাণপত্র, যদি প্রযোজ্য হয়;

- টিআইএন বাতিলের কারণের সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি;

- সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র।

কিছু ক্ষেত্রে আগের অর্থবছরগুলোর আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণও চাওয়া হতে পারে। তবে সবার জন্য একই সংখ্যক বছরের শূন্য রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%