ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিরপুর ১০ নম্বরে যান চলাচল স্বাভাবিক, পুলিশ সতর্ক অবস্থায়


মিরপুর ১০ নম্বরে যান চলাচল স্বাভাবিক, পুলিশ সতর্ক অবস্থায়

মিরপুর এলাকায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিকভাবে চলছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেনি।

সোমবার (২ নভেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের পুলিশ বক্সের সামনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির প্রেক্ষিতে গতকাল (রবিবার) শ্রমিক মজুরি বোর্ড গঠনের খবর গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছে। বোর্ড গঠনের খবর জানার পর শ্রমিকদের আন্দোলন বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। আজ শ্রমিকরা কেউ আসেননি। এলাকার পরিবেশ ও পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

মহিদুল ইসলাম আরও বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর কিংবা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে, সেজন্য পুলিশের ব্যাপক মোতায়েন রয়েছে। এলাকায় পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি টহল দলও দায়িত্ব পালন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো স্যালি রুনির উপন্যাসের চাহিদা মেটাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো স্যালি রুনির উপন্যাসের চাহিদা মেটাচ্ছে

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : লেখক স্যালি রুনির প্রতি ফিলিস্তিনপন্থী একটি সংগঠনের সমর্থনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশনা সংস্থা ফ্যাবার যুক্তরাজ্যে তার বই বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আয়ারল্যান্ডের বইয়ের দোকানগুলো রুনির উপন্যাস পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য উদ্যোগী হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানা গেছে।

ফ্যাবার জানিয়েছে, রুনি তার বই বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফিলিস্তিন অ্যাকশন নামক একটি সংগঠনে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ব্রিটেনে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়ায়, সেই অর্থ লেখকের কাছে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে যুক্তরাজ্যে তার বই বিতরণ অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের লন্ডনডেরিতে অবস্থিত লিটল অ্যাকর্নস বুকস্টোরের মালিক জেনি ডোহার্টি আয়ারল্যান্ডের প্রজাতন্ত্রের সরবরাহকারীদের কাছ থেকে রুনির বই সংগ্রহ করে বিক্রি অব্যাহত রেখেছেন।

ডোহার্টি, যিনি ৫৫ বছর বয়সী, রুনির ‘নরমাল পিপল’, ‘ইন্টারমেজো’ এবং ‘বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড, হোয়ার আর ইউ’সহ বিভিন্ন উপন্যাসের পাশে দাঁড়িয়ে এএফপিকে বলেন, ‘বইগুলো বিক্রির ওপর আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আমরা এখনো বইগুলো সংগ্রহ করতে পারছি।’

উত্তর আয়ারল্যান্ডের অংশ লন্ডনডেরি যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য আয়ারল্যান্ডের সীমান্তসংলগ্ন। এই ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগে ডোহার্টি আয়ারল্যান্ডের পরিবেশকদের কাছ থেকে বই সংগ্রহ করে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে পাঠাতে সক্ষম হচ্ছেন।

ফ্যাবার অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জানায়, ‘কোনো লেখকের বই বিক্রি করে সেই অর্থ তাকে দিতে না পারা প্রকাশকের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য পরিস্থিতি।’

রুনির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশনা সংস্থাটি জানায়।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রিটিশ সরকার সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনের আওতায় ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে রুনি যে আয়ারল্যান্ডে বসবাস করেন, সেখানে সংগঠনটি নিষিদ্ধ নয়।

যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর তালিকায় লেবাননের ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের পাশাপাশি ফিলিস্তিন অ্যাকশনের নামও রয়েছে।

ফলে দেশটিতে সংগঠনটির সদস্য হওয়া, সমর্থন দেওয়া কিংবা অর্থায়ন করা বেআইনি।

ফ্যাবার জানিয়েছে, তারা এখনো রুনির প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এবং যুক্তরাজ্যের বাইরে তার বই বিক্রি অব্যাহত রাখবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, রুনির বই নিষিদ্ধ করা হয়নি। যুক্তরাজ্যের দোকানগুলোতে আগে থেকে থাকা বই বিক্রির ওপরও কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে ফ্যাবারের স্বাভাবিক যুক্তরাজ্যভিত্তিক সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে নতুন করে বই সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতিতে ডোহার্টির দোকানে নতুন ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক নতুন ক্রেতা এসেছেন, যারা আগে কখনো আমাদের দোকানে আসেননি।’

তার মতে, এই বিতর্কের কারণে আরও বেশি পাঠকের কাছে রুনির বই পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আগে বইগুলো দোকানের সাধারণ তাকেই বর্ণানুক্রমে সাজানো থাকত। এখন ক্রেতাদের নজরে পড়ার জন্য সামনের কাউন্টারে বিশেষভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের সঙ্গে বই নিয়ে খোলামেলা ও ব্যক্তিগত আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান ডোহার্টি।

বিকল্প সরবরাহকারীর খোঁজে ব্রিটেনের অন্যান্য বই বিক্রেতারাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

ডোহার্টি বলেন, ‘আপনি চাইলে বইটি না-ও পড়তে পারেন। কিনতে না চাইলে সেটিও আপনার সিদ্ধান্ত।’

আয়ারল্যান্ডের অন্য বইয়ের দোকানগুলোতেও রুনির উপন্যাসের চাহিদা বেড়েছে। ফ্যাবারের সিদ্ধান্তের পর গলওয়ের কেনিস বুকশপে তার বই বিক্রি আগের তুলনায় ১০ গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডোহার্টি বলেন, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েক দশকব্যাপী সংঘাতের ইতিহাসে গড়ে ওঠা শহরটিতে এই বিতর্ক বিশেষভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনা তাকে আয়ারল্যান্ডের সাহিত্য সেন্সরশিপের ইতিহাসের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে। অতীতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন এডনা ও’ব্রায়েন, স্যামুয়েল বেকেট ও জন ম্যাকগাহার্নের মতো বিখ্যাত লেখকরা।

তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে, আমরা সামনে এগোনোর পরিবর্তে আবার পেছনের দিকে ফিরে যাচ্ছি।’

তবে ডোহার্টির মতে, কোনো বইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ পাঠকদের মধ্যে সেটি পড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

এর ফলে স্যালি রুনিসহ অন্যান্য আইরিশ লেখকের বইও নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধ বইই বেশি বিক্রি হয়। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা বইটির প্রতি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের আগ্রহ তৈরি করে।’

এদিকে ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন সংগঠনটির সহপ্রতিষ্ঠাতা হুদা আম্মোরি।

এ বিষয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্যালি রুনির উপন্যাসের কয়েক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। আধুনিক সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরার কারণে তার বইয়ের প্রতি বিশেষ পাঠকগোষ্ঠী তৈরি হয়েছে।

বিবিসিতে তার উপন্যাস ‘নরমাল পিপল’-এর টেলিভিশন রূপান্তর প্রচারের পর তিনি আরও ব্যাপক পরিচিতি পান।

লন্ডনের বার্ড বুকসের মালিক ভিকি শেনকিন কের বলেন, ‘তিনি বর্তমান সময়ের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে যেভাবে তুলে ধরেন, তা সত্যিই অনন্য। মানুষ তার বই ও লেখাকে ভালোবাসে।’

ফ্যাবারের সিদ্ধান্তের পর তার দোকানেও রুনির বই বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়। দোকানে থাকা অবশিষ্ট বইগুলো কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়।

তবে বিদেশ থেকে আমদানি করে নতুন করে বইয়ের মজুত না করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হ্যাকের পর বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলার তুলে নিলেন গ্রাহকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


হ্যাকের পর বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলার তুলে নিলেন গ্রাহকরা

ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স থেকে গ্রাহকরা ৩৬০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ তুলে নিয়েছেন। ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর রোববার (১ নভেম্বর) লেনদেন পুনরায় চালু হলে তারা এই অর্থ উত্তোলন করেন।

সাইবার হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে বাইন্যান্স সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইসহ একাধিক সংস্থা এই সাইবার হামলার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছে।

বাইন্যান্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া সম্পদের প্রায় ৯৫ শতাংশের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বাকি অর্থের সংস্থান করতে আরও সময় লাগতে পারে। হামলায় গ্রাহকদের যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার পুরোটাই বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বাইন্যান্স জানায়, ১ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট (জিএমটি) পর্যন্ত গ্রাহকরা ৪৬৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের সম্পদ তুলে নিয়েছেন। একই সময়ে জমা পড়েছে ১০১ কোটি ডলার। ফলে নিট অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, লেনদেন চালুর পরপরই অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ বেড়ে যায়। তবে পরে তা কমে আসে এবং পরিস্থিতি প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থিতিশীল হচ্ছে। বাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনায় থাকা মোট ১৭ হাজার ১০০ কোটি ডলারের সম্পদের তুলনায় এই নিট উত্তোলনের পরিমাণ ২ শতাংশের কিছু বেশি।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, হামলার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় তাদের কাছে ৬৩০ কোটি ডলারের বেশি তহবিল সংরক্ষিত রয়েছে।

বাইন্যান্স আরও জানিয়েছে, বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামসহ দুই ডজনের বেশি প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সির উত্তোলন আবার চালু হয়েছে। নিরাপত্তা যাচাই শেষ হলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সেবাও চালু করা হবে।

হামলার জন্য উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী ট্রেডারট্রেইটরকে দায়ী করা হচ্ছে। গোষ্ঠীটি লাজারাস গ্রুপ নামেও পরিচিত। ২০২৫ সালে ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বাইবিট থেকে রেকর্ড ১৫০ কোটি ডলারের সম্পদ চুরির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

গত শনিবার এফবিআই ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের ঠিকানা প্রকাশ করে। এসব ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত লেনদেন বন্ধ করতে ক্রিপ্টো খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতাও চেয়েছে সংস্থাটি।

বাইন্যান্সের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একজন প্রকৌশলীর ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মধ্য দিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। ওই ল্যাপটপের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পর হ্যাকাররা অননুমোদিত লেনদেনের সুযোগ তৈরি করে।

এই হামলায় বিন্যান্সের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম Binance.com ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকদের জন্য পরিচালিত প্ল্যাটফর্মটি আক্রান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চুরি হওয়া সম্পদের ক্ষতিপূরণ দিতে বাইন্যান্স তাদের করপোরেট তহবিল, ফিউচার্স ইন্স্যুরেন্স এবং জরুরি রিজার্ভ ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, হামলার কারণে গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির পুরো দায় তারা বহন করবে।

চীনে প্রতিষ্ঠিত বাইন্যান্স বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কয়েকশ মিলিয়ন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর উদ্যোগ: টিসিবির নতুন পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর উদ্যোগ: টিসিবির নতুন পরিকল্পনা

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অর্জন করা হবে।

সংস্থাটি আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে, বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানান, সংস্থাটির আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য পণ্য কেনার খরচ, ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "চলতি অর্থবছরে আমরা ভর্তুকির ব্যয় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নিয়েছি।" তবে, উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ভর্তুকির প্রয়োজনও বাড়তে পারে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে টিসিবির ভর্তুকি ব্যয় ছিল ২ হাজার ৫১৪ কোটি ২২ লাখ টাকা, যেখানে বাজেটে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পণ্য কেনা ও বিক্রির দামের পার্থক্য এবং ব্যাংক ঋণের সুদ ভর্তুকির প্রধান দুটি উৎস।

ফয়সল আজাদ আরও জানান, টিসিবির মূল সমস্যা হলো, পণ্য কেনার দামের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি করতে হয়। কিছু পণ্য ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কম দামে বিক্রি করা হয়, যার মধ্যে ভোজ্যতেলে ভর্তুকির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

২০২২ সাল থেকে টিসিবি প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১০০ টাকায় বিক্রি করছে, যদিও বর্তমানে প্রতি লিটার তেল কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। ব্যাংক ঋণের সুদ যোগ করলে এ খরচ প্রায় ২০০ টাকায় দাঁড়ায়।

ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর লক্ষ্যে টিসিবি এখন নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংক ঋণের সুদ বাবদ প্রায় ১৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনায় এলসি চার্জ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমেছে প্রায় ৪২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

বর্তমানে টিসিবির বার্ষিক ব্যাংক ঋণের সুদ ব্যয় প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা, যা থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। ফয়সল আজাদ বলেন, "আমরা ঋণপত্র (এলসি) এবং ব্যাংক ও সরকারের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার নির্ভরতা কমাচ্ছি।"

টিসিবি বিক্রির অর্থ দ্রুত ব্যাংক হিসাবে জমা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) চালু করেছে। আগে বিক্রির অর্থ জেলা প্রশাসকদের হিসাবের মাধ্যমে আসত, কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় ডিলারদের কাছ থেকে বিক্রির অর্থ দ্রুত টিসিবির হিসাবে জমা হবে।

ভর্তুকির বাইরেও আয় বাড়াতে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বাজারে এনেছে টিসিবি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা মুনাফা করেছে সংস্থাটি। ফয়সল আজাদ বলেন, "শুধু ব্যয় কমিয়ে ভর্তুকির চাপ কমানো সম্ভব নয়। আমাদের আয়ও বাড়াতে হবে।"

পরিবহন, পণ্য ওঠানো-নামানোসহ সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমাতে বিতরণব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আঞ্চলিক গুদাম থেকেই সরাসরি পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জরিপের কাজে পুনরাবৃত্তি ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টিসিবির চেয়ারম্যান জানান, জরিপ ও এ-সংক্রান্ত কাজে বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। একই ধরনের জরিপের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা গেলে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব।

তবে, উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়লে ভর্তুকির মোট পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন টিসিবির চেয়ারম্যান। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ টিসিবির কার্যক্রমের আওতায় পণ্য কিনছেন। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "চলতি বছর ৮০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারলে আগামী অর্থবছরে এক কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর আশা করছি।"

বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই জানিয়ে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, এসব পণ্য আগের দামেই বিক্রি হবে। নতুন বাণিজ্যিক পণ্যও যুক্ত করা হচ্ছে, তবে সেগুলো কেনা উপকারভোগীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ফয়সল আজাদ বলেন, "উপকারভোগীরা চাইলে নতুন পণ্য কিনতে পারবেন।"

টিসিবি চেয়ারম্যানের আশা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধি, ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলনে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


শ্রমিক আন্দোলনে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিগুলি সম্মিলিতভাবে ষড়যন্ত্রের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে এই মন্তব্য করেন।

মো. রাশেদ খান বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করছে। সরকার শ্রমিকদের দাবির প্রতি আন্তরিক এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে তাদের দাবি পূরণ করা হবে। কিন্তু পতিত শক্তি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গাড়িতে আগুন দিচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ডিসেম্বরের দিকে ’৭১-এর পতিত শক্তি এবং ’২৪-এর পতিত শক্তি একত্রে দেশের অগ্রগতিকে ব্যাহত করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে ঘটে যাওয়া অগ্নিসন্ত্রাসের দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। তারা বলেছে, সব কিছু তছনছ করে দেয়া হবে। এটি তাদের কার্যক্রমের একটি অংশ।

এ সময় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

তিনি উল্লেখ করেন, পিরোজপুরের এই ঘটনা আমাদের জন্য কলঙ্কের। ’৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি রাজনৈতিক কারণে এখনো টিকে আছে এবং তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি।

মো. রাশেদ খান বলেন, জামায়াত শিবির পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনের বাধা সৃষ্টি করেছে। তারা এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, কিন্তু সেই তদন্তের বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%