ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রীবরদীর হারিয়াকোনা: গারো পাহাড়ের নিঝুম অরণ্য ও উপজাতিদের জীবনধারা


শ্রীবরদীর হারিয়াকোনা: গারো পাহাড়ের নিঝুম অরণ্য ও উপজাতিদের জীবনধারা

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে অবস্থিত একটি অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি রয়েছে। এই স্থানটি দেখলে মনে হয় যেন হারিয়ে যাই এর অপরূপ সৌন্দর্যে। যেখানে ঝর্ণার বুকে জেগে ওঠা চরের বালু চকচক করছে। এর পাশেই উঁচু টিলা রয়েছে। টিলার কোল ঘেঁষে সাজানো রয়েছে নানা কারুকার্য। এই গ্রামের নাম ‘হারিয়াকোনা’।

হারিয়াকোনা, গারো পাহাড়ের নিঝুম অরণ্য গ্রাম। উপজাতিদের বসবাসের কারণে এই গ্রামে সৌন্দর্যের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখানে পা রাখলে যে কারোরই মন চাইবে হারিয়ে যেতে। ঝর্ণার দুই পাশে সবুজ বৃক্ষ আচ্ছাদিত অসংখ্য উচুনিচু পাহাড় রয়েছে। গভীর মমতা ও ভালোবাসায় গড়া উপজাতিদের বর্ণিল জীবনধারা এখানে বিদ্যমান। গারো পাহাড়ের শেষ গ্রাম হিসেবে হারিয়াকোনা আজও আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে মুক্ত। এখানে ঘরবাড়িগুলো পাহাড়ি টিলার ওপর অবস্থিত। দূর থেকে দেখা গেলে মনে হবে যেন আকাশছোঁয়া কুটির। তাদের জীবনযাত্রা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাদের চেহারা দেখলেই বোঝা যায় প্রকৃতির সঙ্গে তাদের লেনদেন যেন বহুদিনের। ভারত থেকে নেমে আসা বন্য হাতির তাণ্ডবে এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে তাদের জীবন-জীবিকা। প্রকৃতির নিয়মে গারো পাহাড়ের এই গ্রামটি প্রাকৃতিকভাবে বৈচিত্র্যময়।

শ্রীবরদী শহর থেকে হারিয়াকোনার দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১৫ কিলোমিটার সড়ক পাকা এবং পাঁচ কিলোমিটার সড়ক কাঁচা। এর মধ্যে আড়াই কিলোমিটার দুই পায়ের পাহাড়ি পথ রয়েছে। এখানে কোনো যানবাহন চলে না। প্রচলিত আছে যে, গ্রামটিতে কেউ একবার যে পথে এসেছে, সে পথে আর ফিরে যেতে পারেনি। এ কারণে এ গ্রামের নাম হয়েছে হারিয়াকোনা।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

এই গ্রামের উত্তর ও পূর্বে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পোড়াকাশিয়া অবস্থিত। দুই দেশের সীমানা পিলার নম্বর ১০৯৩-১০৯৪। পশ্চিমে দিঘলাকোনা এবং দক্ষিণে বাবেলাকোনা রয়েছে। আড়াই কিলোমিটার ব্যাসার্ধের গ্রামটিতে প্রায় অর্ধশত টিলাভূমি রয়েছে। টিলার ওপর বসতবাড়ি রয়েছে ১৫০টি উপজাতি পরিবারের। এদের মধ্যে বেশির ভাগ গারো, কোচ, হাজংসহ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। গ্রামের মাঝখানে একটি গির্জা, একটি জিবিসি পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি ফুটবল খেলার মাঠ ও কয়েকটি মুদি দোকানসহ রয়েছে চায়ের দোকান। প্রতি রবিবার এখানে একত্রিত হন গ্রামবাসীরা। উপাসনা ও ধর্মীয় কাজ সেরে তারা নানা আলোচনায় মেতে ওঠেন। এদিন যেন উপজাতিদের মিলনমেলা। পশ্চিম থেকে পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত গ্রামের মাঝে সড়কটির দুই পাশে প্রাকৃতিকভাবেই গাছের লতাপাতায় ছাওয়া। গ্রামে প্রবেশ করতেই মনে হয় প্রকৃতি যেন ভ্রমণপিপাসুদের স্বাগত জানাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা গংয়ের হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা গংয়ের হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা গংদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং ফলবান কলাগাছ কাটার ন্যায্য বিচার দাবি করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ১ অক্টোবর ) দুপুরে শেরপুর শহরের খরমপুর এলাকার নির্ঝর কমিউনিটি সেন্টারে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত আরাফ আল বেহেস্তী হক রিংকুর বড় ভাই মো. সারওয়ার জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত আরাফ আল বেহেস্তী হক রিংকু, তার স্ত্রী তাওহীদা লীম, বড় বোন সেহেলী পারভীন, শাহনেওয়াজ পারভীন, বোন জামাই মাসুদ আহমদ লেনিন, স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদআলমসহ আরো অনেকে।

লিখিত বক্তব্যে মো. সারওয়ার জাহান উল্লেখ করেন, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী এবং ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চাপ সৃষ্টি, মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চুরি-ডাকাতির নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সোলায়মান মোল্লা গংদের ভয়ে স্থানীয় লোকজন তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পান না। যারা প্রতিবাদ করতে যান, তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে থাকেন সোলায়মান মোল্লা গংরা।

সারওয়ার জাহান আরও বলেন, আসামীরা জামিনে বের হয়ে রিংকু, তার নয় বছরের শিশু সন্তান, স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অপহরণ, খুন ও গুম করার হুমকি দিয়ে আসছে। বাড়ির মালামাল এবং প্রায় তিন লক্ষ টাকা মূল্যের নীরিহ অবলা প্রাণী ষাড় গরু লুট করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রিংকু ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। বৃদ্ধা মা একাই ওই বাড়ি পাহাড়া দিচ্ছেন। আসামীপক্ষ ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা গংরা প্রতিনিয়ত অপহরণ, হত্যা, গুম, মালামাল লুটপাট ও জমি দখলের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক একটি প্রভাবশালী মহল আসামীদের পক্ষ নিয়ে গুরুতর এ ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান, প্রথমে অভিযোগ দায়েরের জন্য শ্রীবরদী থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলাটি নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের সাথে যোগাযোগ করলে তাঁর নির্দেশে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগটি গ্রহণ করেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর রাতেই প্রধান আসামী সোলায়মান মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স ও খোকা মিয়াকে গ্রেফতার করেন।

কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে ওই দুইজন জামিন পেয়ে যান। পরবর্তীতে প্রধান আসামী সোলায়মান মোল্লা ও অন্যান্য আসামী ঝাবরু, কালু মিয়া, মুসলিম, শুটকু মিয়া আদালতে হাজির হলে তাঁদেরকেও জামিন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, জেলার শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম বিলভরট এলাকায় অবস্থিত রিংকুর বাড়ি থেকে ১৫০ ফিট পশ্চিম পার্শ্বে তার ৩০ শতাংশ জমির উপর রোপিত প্রায় ৪ শত কলাগাছ অনৈতিক চাঁদা দাবীর টাকা দিতে না পারায় কেটে ফেলা হয়। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিল ফলবান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে রাণীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলভরট এলাকার ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী মো. সোলায়মান মোল্লা ও তাঁর ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স গংরা গভীর রাতে রাম দা, কিরিচ, রড, লোহার পাইপ, বর্শাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলাবাগানে হামলা চালিয়ে ফলবানসহ সকল কলাগাছ কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে। ওই কলাবাগানে সাথী ফসল হিসেবে লাগানো বেগুন, মরিচ, লাউ, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন গাছের চারাও নষ্ট করা হয়। পাহারারত অবস্থায় রিংকু, তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট করা হয়। এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে সোলায়মান গংরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোগীরা ওষুধ ছাড়া হাসপাতাল ছাড়বেন না: লিটন এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


রোগীরা ওষুধ ছাড়া হাসপাতাল ছাড়বেন না: লিটন এমপি

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন মন্তব্য করেছেন, “একজন রোগীও যেন হাসপাতাল থেকে ওষুধ ছাড়া খালি হাতে ফিরে না যান।” তিনি চিকিৎসাসেবাকে আরও গতিশীল, মানসম্মত ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বৃহ-্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম জিয়াউল বারী।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান, ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহাম্মদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান প্রমূখ। এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে ছয় পুলিশ সদস্যের সন্তানদের মেধা বৃত্তি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ এম


শেরপুরে ছয় পুলিশ সদস্যের সন্তানদের মেধা বৃত্তি প্রদান

শেরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি ২০২৪ ও ২০২৫-এর আওতায় ছয় পুলিশ সদস্যের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে বৃত্তির অর্থ, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় শেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের হাতে এসব অর্থ ও সম্মাননা তুলে দেন।

পুলিশ সুপার কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের মেধা ও কৃতিত্বের স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।" তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং তাঁদের অভিভাবকদেরও শুভেচ্ছা জানান।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সব বিষয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করায় শেরপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ছয় কর্মরত সদস্যের মেধাবী সন্তানকে এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাউথ এ্যাপোলোতে প্রথম ব্যাচের চিকিৎসকদের সংবর্ধনা ও শপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম. মোছাদ্দেক হাওলাদার

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ এম


সাউথ এ্যাপোলোতে প্রথম ব্যাচের চিকিৎসকদের সংবর্ধনা ও শপথ

বরিশালের সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসক হিসেবে নতুন জীবনে প্রবেশের মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা ও শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার কলেজের হলরুমে প্রথম ইন্টার্ন ও নবাগত চিকিৎসক ব্যাচের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চিকিৎসাশিক্ষার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে পেশাজীবনে প্রবেশের এই আয়োজনে ছিল আনন্দ, আবেগ ও দায়িত্ববোধের আবহ।

অনুষ্ঠানে কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক মানিক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আব্দুল হামিদ শেখ, অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফয়জুল বাশার, পরিচালক অধ্যাপক ডা. এস এম সারওয়ার, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম খান, উপপরিচালক ডা. দেলোয়ার হোসেনসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, হাসপাতালের চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবাগত চিকিৎসকদের উদ্দেশে বক্তারা চিকিৎসা পেশার মানবিক ও নৈতিক দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, একজন চিকিৎসকের কাছে রোগীর আস্থা ও মানবিক আচরণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত জীবনে সততা, দায়িত্বশীলতা ও রোগীর প্রতি সহমর্মিতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ডা. ইসরাত জাহান মিম। তিনি চিকিৎসক হিসেবে পথচলার শুরুতে শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রোগীদের সেবা ও মানবিক মূল্যবোধকে পেশাজীবনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরে নবাগত চিকিৎসকেরা শপথ গ্রহণ করেন। শপথের মধ্য দিয়ে তাঁরা চিকিৎসা পেশার নৈতিকতা, রোগীর প্রতি দায়িত্ব এবং মানবিক সেবার অঙ্গীকার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%