শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৫ পি.এম
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ডিইউডিএস-অ্যাকশনএইড বার্ষিক বিতর্ক উৎসবের সূচনা হয়েছে।
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এ বিতর্ক উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মো. সাজিদ হাসানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. আমিরুস সালাত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েম এবং অ্যাকশন এইডের নাজমুল আহসান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মিফতাহুল জান্নাত রিফাত।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে যুক্তিবোধ, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণ তৈরি করা প্রয়োজন। পদ-পদবী বা ক্ষমতার পিছনে না ছুটে তাদের আত্মমর্যাদাশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে সবার মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক ও যুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটিকে বিতর্ক উৎসব আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
নিয়মিত বিতর্ক চর্চার উপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। যুক্তির মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশের পাশাপাশি ভিন্নমত গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে হবে। সৎ, দেশপ্রেমিক, দক্ষ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজ এই বিতর্ক উৎসবে অংশগ্রহণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলছে।
আগামীকাল ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পর্যটন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের পাহাড়ি ঝরনা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি, সবুজ পাহাড়, বৌদ্ধবিহার, অজস্র নদ-নদীর ধারা, সবুজ ফসলের মাঠ, ষড়ঋতুর অপার সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা এবং নিজস্ব সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সব মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য। পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে শক্তিশালী নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যটন খাতও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ বিশ্বব্যাপী পর্যটনের কাঠামো, ব্যবস্থাপনা ও সেবাদানের ধরন বদলে দিচ্ছে-ভ্রমণ পরিকল্পনা, তথ্যপ্রাপ্তি, যাতায়াত, আবাসন থেকে শুরু করে সর্বত্র এর প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’
তিনি জানান, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ ও আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে পর্যটনের ডিজিটাল রূপান্তরও ত্বরান্বিত হবে। অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যসেবা বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য, নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে পর্যটন শিল্পকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রপতি সরকারি-বেসরকারি সকল অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তর হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।’
রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের পেশাজীবীদের যে কোনো ধরনের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক। চট্টগ্রামের আইনজীবীদের দীর্ঘদিন ধরে চেম্বারের যে সমস্যা রয়েছে তা সমাধানে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
আজ চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নবীন আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ সমাপনী সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা দেশের আইন প্রাঙ্গণ। তাই ভবন নির্মাণের পাশাপাশি আইনজীবীদের অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ, এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার মীর হেলাল নবীন আইনজীবীদের জন্য কিছু পরামর্শও প্রদান করেন, নিজের পেশাগত জীবনের স্মৃতিচারণ করে। তিনি বলেন, ‘আইনজীবী পেশা হিসেবে খুব সহজ, আবার খুব কঠিন। আপনারা আজকে যে যাত্রা শুরু করেছেন, সেটা আমি শুরু করেছিলাম ২০০৪ সালে। আমার সিনিয়র ছিলেন বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন আইনজীবী, যাকে ‘মাস্টার অব ফ্যাক্ট’ বলে সবাই চিনত খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। আমি যখন উনার সঙ্গে জয়েন করলাম, আমাদের সময় ল-ইয়ার্সদের কোর্স তো অত ইনটেনসিভ না। মোটামুটি একটা কোর্স ছিল। চার বছর ল’ পড়ার পর বার কাউন্সিলের পরীক্ষা দিয়ে আমরা ঢুকেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে কয় বছর আইন পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলাম, একটা অভিজ্ঞতা আমি আপনাদের শেয়ার করতে পারি—যত ট্রেনিং-ই হোক, যত রিসার্চের ব্যবস্থাই করা হোক, সবচেয়ে বড় ট্রেনিং এবং রিসার্চ হচ্ছে- যদি আপনি সিনিয়রের সঙ্গে থেকে তিনি কি কাজ করছেন, তা শিখতে পারেন, তাকে ফলো করতে পারেন এবং তিনি যে কেসগুলো ডিল করেন, এগুলো যদি আপনি নিজেই রিসার্চ করেন, এর বাইরে আর কোনো রিসার্চের প্রয়োজন হবে বলে আমি মনে করি না।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রফেশনে ডিসিপ্লিনের কোনো বিকল্প নাই। যেহেতু আমি নিজে উকিল, আমার বাবাও এই বারেরই একজন সিনিয়র আইনজীবী। আমি দেখেছি, নিয়মানুবর্তিতা এবং সততা যদি না থাকে, এই পেশায় খুব বেশি দূর এগোনো যায় না। আর দুর্নীতিপরায়ণ হলে, এটা আসলে পেশার মধ্যেই পড়ে না। ওইটা অন্য কিছু হবে, হয়তো আর্থিকভাবে আপনি লাভবান হবেন। কিন্তু আইনজীবী হিসেবে আপনি যে জ্ঞান বা প্রজ্ঞাবান, সমাজের মানুষ আপনাকে যে ভাবে মনে করে, সেটা হয়ত আপনি অর্জন করতে পারবেন না।
অনুষ্ঠানের শেষে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নবীন আইনজীবীদের হাতে প্রশিক্ষণ সমাপনী সনদপত্র তুলে দেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে অ্যাডভোকেটশিপ সনদ অর্জন করে চলতি বছর ১১১৩ জন নবীন আইনজীবী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ লাভ করেন। তাদের পেশাগত উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করতে একটি সংস্থা আদালতের রায়কে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।
মীর শাহে আলম মন্তব্য করেন, কক্সবাজার দেশের ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান ঠিকানা। এটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে কক্সবাজারের পর্যটন এবং সার্বিক উন্নয়ন যাতে থমকে না যায়, সে জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক মানের উন্নয়ন ও পর্যটনের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায়কে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে।”
পরিদর্শনের সময়, প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি নিত্যদিনের পচনশীল বর্জ্য থেকে সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নির্মিত কেন্দ্রটির সার্বিক অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে দক্ষিণ মাটিকাটা গ্রামবাসী ও প্রবাসীদের উদ্যোগে নটরডেম কলেজের প্রভাষক মো.ওমর আলীর সভাপতিত্বে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা “দক্ষিণ মাটিকাটা নৌকা বাইচ-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জি.মঈনুল ইসলাম খান শান্ত। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুন্নাহার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন কবীর, সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের প্রোগ্রাম অফিসার শেখ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শুভ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আবু সায়েম, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য আলাউদ্দিন ও মো.আমজাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট কাজী ইয়াকুব হোসেন রাজাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নৌকা বাইচ খেলায় ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন গোবিন্দল কশাই বাড়ী(নৌকা) এবং রানার আপ হন জামশার মাসুদ রানা নৌকা বাইচ। নৌকা বাইচ চলাকালীন সময়ে নদীতে নৌযান চলাচল ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। খেলাটি পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ