ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা


দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

এর আগে ১৩ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। অর্থাৎ, দুই দিনে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা বলা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনার গহনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার গহনার মতো রুপার গহনার দামও ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় বাগানের যত্নে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ এম


বর্ষায় বাগানের যত্নে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি

বর্ষার বৃষ্টি গাছের বৃদ্ধি যেমন ত্বরান্বিত করে, তেমনি অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও সামান্য অসতর্কতার কারণে শখের বাগানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ সময় ছত্রাকের সংক্রমণ, শিকড় পচা এবং পোকার আক্রমণ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই বর্ষাকালে বাগানকে সুস্থ ও সবুজ রাখতে কিছু বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।

মাটির আর্দ্রতা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। বর্ষাকালে বৃষ্টি হলেও সবসময় টবের মাটি ভেজা থাকে না। তাই শুধুমাত্র আবহাওয়ার ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত মাটির আর্দ্রতা পরীক্ষা করা উচিত। আঙুল দিয়ে মাটির উপরিভাগ ছুঁয়ে দেখুন। যদি শুকনো মনে হয়, তখনই প্রয়োজনমতো পানি দেওয়া উচিত। অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় পানি দেওয়া যেমন ক্ষতিকর, তেমনি দীর্ঘ সময় মাটি শুকনো থাকলেও গাছের জন্য ভালো নয়।

বর্ষা শুরুর আগে টব বা বাগানের পানি বের হওয়ার পথ ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা করা জরুরি। মাটি যদি খুব শক্ত হয়ে যায় বা বালির পরিমাণ কম থাকে, তখন পানি জমে থাকতে পারে। টবে দীর্ঘ সময় পানি আটকে থাকলে শিকড় পচে যেতে পারে এবং গাছ দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। পাশাপাশি, অতিরিক্ত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ছত্রাক ও অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

বর্ষার আর্দ্র পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ও পোকামাকড় দ্রুত বিস্তার লাভ করে। পাতায় হলুদভাব, সাদা তুলোর মতো দাগ বা কালচে ছোপ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। গাছের গোড়া পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত আগাছা অপসারণ এবং সময়মতো আক্রান্ত পাতা সরিয়ে ফেলার মাধ্যমে এসব সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।

টবের মাটি মাঝে মাঝে হালকা করে আলগা করে দিলে শিকড়ে পর্যাপ্ত বাতাস পৌঁছায় এবং পানি সহজে নিষ্কাশিত হয়। এতে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং শিকড় পচে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

বর্ষাকালে সামান্য যত্ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণই আপনার বাগানকে রাখতে পারে সতেজ, সবুজ ও রোগমুক্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ফোন ব্যবহারের সময় ‘ডার্ক মোড’ অন করা চোখের জন্য কতটা নিরাপদ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ এম


রাতে ফোন ব্যবহারের সময় ‘ডার্ক মোড’ অন করা চোখের জন্য কতটা নিরাপদ?

স্মার্টফোনের স্ক্রিনের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

তবে আশার কথা হলো, ফোনের ডিসপ্লের সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে চোখের ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব এবং ফোন ব্যবহারকেও আরও আরামদায়ক করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ফোনের স্ক্রিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সেটিং নিচে তুলে ধরা হলো—

১. নাইট মোড বা ব্লু লাইট ফিল্টার চালু করুন

আইফোন এবং বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘ব্লু লাইট ফিল্টার’ বা ‘নাইট শিফট’ মোড রয়েছে। এটি স্ক্রিন থেকে নির্গত ক্ষতিকর নীল আলো (ব্লু লাইট) কমিয়ে দেয়, যা বিশেষ করে সন্ধ্যার পর চোখের জন্য খুব উপকারি।

এই সেটিংটি চোখের ক্লান্তি কমায় এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

২. অ্যাডাপ্টিভ ব্রাইটনেস সক্রিয় করুন

ফোনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা সবসময় সর্বোচ্চ স্তরে না রেখে ‘অ্যাডাপ্টিভ ব্রাইটনেস’ বা ‘অটো ব্রাইটনেস’ অপশনটি চালু রাখুন।

এর ফলে আপনার চারপাশের আলোর ওপর ভিত্তি করে ফোনের স্ক্রিনের আলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। অতিরিক্ত উজ্জ্বল স্ক্রিন যেমন চোখের ক্ষতি করে, তেমনই খুব বেশি আবছা আলোও চোখের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

৩. লেখার আকার বা টেক্সট সাইজ বাড়িয়ে নিন

স্ক্রিনে খুব ছোট ছোট লেখা পড়ার কারণে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে। ফোনের ‘ফন্ট সাইজ’ এবং ‘ডিসপ্লে স্কেলিং’ বাড়িয়ে নিলে লেখাগুলো বড় দেখায়, যা দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের পরও চোখের ক্লান্তি অনেকাংশে দূর করে।

৪. ডার্ক মোড ব্যবহার করুন

কম আলোতে বা রাতে ফোন ব্যবহারের সময় ‘ডার্ক মোড’ ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্যকর।

এটি কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর হালকা রঙের লেখা প্রদর্শন করে স্ক্রিনের অতিরিক্ত ঝলকানি কমিয়ে দেয়। রাতের বেলা ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকেই এই মোডটিকে বেশি আরামদায়ক মনে করেন।

৫. স্ক্রিন টাইমআউট কমিয়ে দিন

স্ক্রিন টাইমআউটের সময়সীমা কমিয়ে দিলে প্রয়োজন শেষে ফোনের ডিসপ্লেটি দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এটি যেমন আপনার চোখকে দীর্ঘক্ষণ অনাকাঙ্ক্ষিত স্ক্রিন এক্সপোজার থেকে রক্ষা করে, তেমনই ফোনের ব্যাটারির আয়ুও সাশ্রয় করে।

সুস্থ চোখের জন্য কিছু অতিরিক্ত টিপস

শুধু ফোনের সেটিং পরিবর্তনই নয়, চোখ ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞদের এই নিয়মগুলো মেনে চলা উচিত:

২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করুন: প্রতি ২০ মিনিট ফোন ব্যবহারের পর, অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকুন।

ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন: একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা হয়, তাই ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন।

সঠিক দূরত্ব বজায় রাখুন: ফোন সবসময় আপনার মুখ থেকে অন্তত ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি দূরে রাখুন।

সম্পূর্ণ অন্ধকারে ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন: ঘরের আলো পুরোপুরি বন্ধ করে ঘুটঘুটে অন্ধকারে ফোন চালানো চোখের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

নিয়মিত বিরতি নিন: একটানা দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার না করে মাঝে মধ্যে ছোট ছোট বিরতি নিন।

যদিও এই সেটিং বা নিয়মগুলো ডিজিটাল আই স্ট্রেন পুরোপুরি নির্মূল করতে পারে না, তবে এগুলো দৈনিক স্মার্টফোন ব্যবহারকে অনেক বেশি আরামদায়ক করে তোলে এবং দীর্ঘমেয়াদে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় মশার উপদ্রব বাড়ছে, জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


বর্ষায় মশার উপদ্রব বাড়ছে, জেনে নিন কার্যকর কিছু উপায়

বর্ষা মৌসুমে, বৃষ্টির সাথে প্রচণ্ড গরমের কারণে মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ঠিক এই সময়ে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও যেমন ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং ম্যালেরিয়ার আয় বৃদ্ধি পায়। তাই মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু কয়েল বা স্প্রের ওপর ভরসা না করে, ঘরোয়া কিছু উপায়ও অনুসরণ করা যেতে পারে।

সম্প্রতি লেবুর খোসা এবং তেজপাতা পানিতে ফুটিয়ে সেখানকার বাষ্প ব্যবহার করে মশা তাড়ানোর একটি পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, লেবুর খোসায় উপস্থিত ডি-লিমোনিন এবং তেজপাতার সিনেওল, লিনালুল ও ইউজিনল প্রভৃতি উদ্বায়ী উপাদান গরম হয়ে সুগন্ধ ছড়িয়ে দেয়। ফলে ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ কিছুটা আড়াল হয়ে যায় এবং আশপাশের কিছু পোকামাকড় সাময়িকভাবে দূরে থাকতে পারে। যদিও এই পদ্ধতিতে মশা স্থায়ীভাবে দূর করতে সক্ষম—এ ধরনের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনও সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি।

মশা দূরে রাখতে আরেকটি পরিচিত ঘরোয়া পদ্ধতি হচ্ছে, লেবুর অর্ধেক অংশে কয়েকটি লবঙ্গ গুঁজে ঘরের বিভিন্ন স্থানে রাখা। সাইট্রাস ও লবঙ্গের তীব্র গন্ধ মশার জন্য একটি অস্বস্তিকর বিষয় হতে পারে, যার ফলে এটি কাজেও আসতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে, কোনো স্থানে পানি জমতে দেওয়া। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ড্রেন, ফুলের টব বা আশপাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে, কারণ এসব স্থানেই মশা ডিম পাড়ে।

এছাড়াও, তুলসি, লেমনগ্রাস, গাঁদা, পুদিনা এবং ক্যাটনিপের মতো গাছ বাড়ির আশপাশে রোপণ করা হলে মশার উপদ্রব কিছুটা কমে আসতে পারে। পুদিনাপাতা পানিতে ভিজিয়ে বা ফুটিয়ে তার গন্ধ ছড়িয়ে দিলে কিছু পোকামাকড় দূরে থাকতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, ঘরোয়া এসব উপায় সহায়ক হলেও, ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি হলো পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজনে অনুমোদিত মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা। এ সকল উপায়ের সমন্বিত প্রয়োগেই বর্ষাকালে মশার উপদ্রব কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমানোর আগে গরম দুধ পানে কি ভালো ঘুম হয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ এম


ঘুমানোর আগে গরম দুধ পানে কি ভালো ঘুম হয়?

ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ পান করার অভ্যাস বহুদিন ধরে চলে আসছে। অনেকেই মনে করেন, এটি দ্রুত ঘুমাতে এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। তবে এই ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্যতা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্বাসের কিছু বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। দুধে থাকা ট্রিপটোফ্যান নামের একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড শরীরে সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন তৈরিতে সহায়তা করে। এই দুটি হরমোন ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদিও শুধু দুধ পান করলেই তা ঘুমের ওষুধের মতো কাজ করবে না, কিন্তু এটি ঘুমের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সামান্য হলেও সহায়ক হতে পারে।

এছাড়া প্রতিদিন রাতে একই সময়ে গরম দুধ পান করার অভ্যাসও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত এই রুটিন শরীরকে ইঙ্গিত দেয় যে বিশ্রামের সময় ঘনিয়ে এসেছে, ফলে ঘুমের প্রস্তুতি নিতে শরীর ও মস্তিষ্ক সহজে সাড়া দেয়। অনেক ক্ষেত্রে এই মানসিক প্রস্তুতিই দুধের পুষ্টিগুণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এরপরেও, তবে সবার জন্য রাতে দুধ পান করা সমানভাবে উপকারী নয়। ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত পরিমাণে দুধ পান করলে মূত্রথলি দ্রুত পূর্ণ হয়ে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যেতে পারে। আবার যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দুধ পেট ফাঁপা, গ্যাস বা হজমের সমস্যার কারণ হয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আর যাদের দুধে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের অবশ্যই এটি এড়িয়ে চলা উচিত। একইভাবে অ্যাসিড রিফ্লাক্সে ভোগা ব্যক্তিদেরও রাতে বেশি দুধ পান করলে অস্বস্তি বাড়তে পারে।

যদি রাতে দুধ পান করতে চান, তাহলে ঘুমানোর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে পরিমিত পরিমাণে সাধারণ, চিনি ছাড়া দুধ পান করাই ভালো। অতিরিক্ত চিনি বা ফ্লেভারযুক্ত দুধ এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রত্যাশিত উপকারও কমিয়ে দিতে সক্ষম। মোটের ওপর, গরম দুধ কোনো অলৌকিক সমাধান নয়, কিন্তু সঠিক অভ্যাসের সঙ্গে এটি ভালো ঘুমের জন্য একটি মৃদু সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%