শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০১ পি.এম
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার একটি জনপ্রিয় সৈকতে হাঙরের মর্মান্তিক আক্রমণের ফলে ৬৩ বছর বয়সী সাঁতারু গ্রেগ ও'নিল (Greg O'Neill) প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার পার্থের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সরেন্টো বিচে এই ঘটনা ঘটেছে, এবং এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি অত্যন্ত বিরল পদক্ষেপ হিসেবে আক্রমণকারী গ্রেট হোয়াইট হাঙরটিকে চিহ্নিত করে মেরে ফেলার (Catch-and-kill) সরকারি নির্দেশ জারি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার সময় দুজন ব্যক্তি সাগরে সাঁতার কাটছিলেন, কিন্তু কেবল একজনই তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। স্থানীয় বাসিন্দা জ্যাকুই রাপাইচ জানান, তিনি পানির ওপর রক্তের দাগ দেখতে পান। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হাঙরটি আক্রমণ চালিয়ে ব্যক্তিটিকে পানির মধ্যে প্রচণ্ডভাবে আছাড় মারছিল। ঘটনার পরপরই প্রায় ২.৫ মিটার (৮ ফুট) দৈর্ঘ্যের একটি গ্রেট হোয়াইট হাঙরকে সেখানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।
নিহত গ্রেগ ও'নিলের পরিবার এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও স্তম্ভিত প্রকাশ করে বলেছে, "গ্রেগ সমুদ্রকে অসম্ভব ভালোবাসতেন। তিনি একজন দারুণ ক্রীড়াপ্রেমী, দায়িত্বশীল ও প্রাণবন্ত মানুষ ছিলেন।"
ঘটনার পরপরই স্থানীয় সরকার রাজধানী পার্থসহ রাজ্যের একাধিক জনপ্রিয় সৈকত অন্তত রবিবার পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। উপকূলজুড়ে ড্রোন, বোট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে টহল জোরদার করা হয়েছে।
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মৎস্যমন্ত্রী জ্যাকি জার্ভিস জানিয়েছেন, ওয়াটার পুলিশ সকালে হাঙরটিকে চিহ্নিত করার পর এই 'ব্যতিক্রমী নির্দেশ' দেওয়া হয়। গ্রেট হোয়াইট হাঙর অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংরক্ষিত প্রজাতি হওয়ায় এই ধরনের নির্দেশ অত্যন্ত বিরল। গত এক দশকের মধ্যে এই রাজ্যে এটিই প্রথম হাঙর নিধনের সরকারি আদেশ।
চলতি সপ্তাহে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় এটি দ্বিতীয় হাঙরের আক্রমণ। এর আগে সোমবার জেরাল্ডটন উপকূলে একজন ৫৬ বছর বয়সী সার্ফার আক্রমণের শিকার হয়ে পা হারান। এ বছরজুড়ে অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের আক্রমণে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনাটি অস্ট্রেলিয়াজুড়ে সৈকত ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি মন্তব্য করেছেন, "সরকার সীমাবদ্ধ সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করে নানামূখী উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার তার মেয়াদের মধ্যেই সকল অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে। সরকারের মাত্র ৮ মাসে অনেক উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনাসহ কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সরকার এগিয়ে যাবে।"
এই বক্তব্যগুলো তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৩ টায় চিরিরবন্দর টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ মাঠে উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রদান করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও আব্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ময়েন উদ্দিন শাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুর আলম সরকার দুলু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ মমিনুল ইসলাম মমিন, উপজেলা বিএনপি নেতা সহকারি অধ্যাপক মোঃ মেছবাহুল ইসলাম, কবির সরকার, এবং আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন মুকুল।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (পরিকল্পনা) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।সভায় বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর কো অপারেটিভ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবু সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে নায়ক সালমান শাহ। বিশেষ করে ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯ সেপ্টেম্বর এলেই বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে পড়ে যায় এক তরুণ নায়কের মুখ। অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই যিনি ঢালিউডের ইতিহাসে নিজের জন্য তৈরি করেছিলেন আলাদা এক অধ্যায়। তিনি সালমান শাহ। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া স্বপ্নের এই নায়ক ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিন দশক পরও তা ম্লান হয়নি।
সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে শাবনূর তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
পোস্টে সালমান শাহকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয় সালমান শাহ!’ এরপর নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি জানান, সময় অনেক পেরিয়ে গেলেও শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো এখনও তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শাবনূরের কাছে সালমান শুধু জনপ্রিয় একজন নায়ক ছিলেন না, ছিলেন অসাধারণ হৃদয়ের একজন মানুষ।
শুটিং সেটে সহকর্মীদের সঙ্গে সালমানের আচরণ কেমন ছিল, সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ভাষ্য, ইউনিটের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অভিনয়শিল্পী—কাউকেই ছোট করে দেখতেন না সালমান। বরং সবার খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং আপন করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজের আলাদা মানবিক পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি।
শাবনূর লিখেছেন, ‘শুটিং ইউনিটের কর্মী হোক কিংবা সাধারণ অভিনয়শিল্পী কাউকেই কখনো ছোট করে দেখতে না। সবার খোঁজ নিতে, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে এবং আপন করে যত্ন নিতে।’
সালমানের সেই মানবিকতাকেই তার দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে স্মরণ করেছেন শাবনূর। তার মতে, সুন্দর মনের এই মানুষটির কারণেই এত বছর পরও মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জায়গা করে আছেন তিনি।
সময়ের দূরত্ব পেরিয়ে সালমান কীভাবে এখনো তার স্মৃতিতে ফিরে আসেন, সেটিও জানিয়েছেন শাবনূর। পুরনো কোনো গান কিংবা সালমান অভিনীত কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লেই নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলো যেন আবার ফিরে আসে বলে জানান তিনি। শাবনূরের কথায়, ‘পুরনো কোনো গান শুনলে কিংবা তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হয়, তুমি যেন আবার ফিরে এসেছ সেই সোনালী দিনগুলোতে।’
প্রিয় সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও জান্নাত প্রার্থনা করেছেন শাবনূর। একই সঙ্গে সালমান শাহকে নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা অসম্মানজনক মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শাবনূর বলেন, ‘প্রিয় সালমান শাহকে নিয়ে আমরা কেউ যেন কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক মন্তব্য না করি। একজন প্রয়াত মহান শিল্পীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান সব সময় অটুট থাকুক। তার অমর স্মৃতিকে ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গেই হৃদয়ে ধরে রাখি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মৌসুমীর বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। পর্দায় তার স্মার্ট উপস্থিতি, অভিনয়শৈলী ও আলাদা ব্যক্তিত্ব খুব দ্রুতই দর্শকের নজর কাড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর বেশির ভাগ সিনেমাই পেয়েছিল দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য। তবে তার নায়িকাদের মধ্যে শাবনূরের সঙ্গে জুটিই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের পর্দার রসায়ন নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সালমান-শাবনূর জুটি পরিণত হয়েছিল ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটিতে। সালমান শাহ চলে গেছেন বহু বছর আগে। কিন্তু তার সিনেমা, গান, অভিনয় আর ব্যক্তিত্বের স্মৃতি এখনো দর্শকের কাছে জীবন্ত।
তাহলে জন্মদিন এলেই নতুন করে উচ্চারিত হয় সেই নাম—সালমান শাহ। সহকর্মীদের স্মৃতিচারণা আর ভক্তদের ভালোবাসায় আজও তিনি ফিরে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সোনালি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ২০২৬-২৭ ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হবে চার দিনের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে। এর অংশ হিসেবে ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ।
সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার পাঁচটি ভেন্যুতে, যার মধ্যে রয়েছে বিকেএসপি, পিকেএসপি ও বসুন্ধরা।
এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য হলো আরও বেশি সংখ্যক খেলোয়াড়কে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ প্রদান করা এবং জাতীয় দলের কাঠামোর বাইরে থাকা ও নিচের স্তরের লিগের খেলোয়াড়দের নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য একটি বাড়তি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল গত এপ্রিলে সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা জাতীয় দল ও প্রতিষ্ঠিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সুযোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে করা হয়েছে।
জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা নিয়মিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ও এনসিএল-এর মতো একাধিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের খেলোয়াড়দের নিজ নিজ লিগের বাইরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গত বুধবার চার দিনের এনসিএল ২৮তম আসরের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
এনসিএল ৩ অক্টোবর আটটি বিভাগীয় দলের অংশগ্রহণে আটটি ভেন্যুতে শুরু হবে এবং এটি প্রায় দুই মাস ধরে চলবে। ১৭ নভেম্বর শেষ রাউন্ডের ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটবে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এনসিএল-এর চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী রাউন্ডে মিরপুরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর মুখোমুখি হবে ঢাকার, একই দিনে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খুলনা লড়বে বরিশালের বিপক্ষে।
এছাড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম মুখোমুখি হবে রাজশাহীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ