মো: নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর (বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি
শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৩ পি.এম
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (পরিকল্পনা) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।সভায় বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর কো অপারেটিভ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবু সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে নায়ক সালমান শাহ। বিশেষ করে ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৯ সেপ্টেম্বর এলেই বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মনে পড়ে যায় এক তরুণ নায়কের মুখ। অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই যিনি ঢালিউডের ইতিহাসে নিজের জন্য তৈরি করেছিলেন আলাদা এক অধ্যায়। তিনি সালমান শাহ। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া স্বপ্নের এই নায়ক ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তিন দশক পরও তা ম্লান হয়নি।
সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে শাবনূর তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
পোস্টে সালমান শাহকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয় সালমান শাহ!’ এরপর নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি জানান, সময় অনেক পেরিয়ে গেলেও শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো এখনও তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শাবনূরের কাছে সালমান শুধু জনপ্রিয় একজন নায়ক ছিলেন না, ছিলেন অসাধারণ হৃদয়ের একজন মানুষ।
শুটিং সেটে সহকর্মীদের সঙ্গে সালমানের আচরণ কেমন ছিল, সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তার ভাষ্য, ইউনিটের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ অভিনয়শিল্পী—কাউকেই ছোট করে দেখতেন না সালমান। বরং সবার খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং আপন করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই নিজের আলাদা মানবিক পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি।
শাবনূর লিখেছেন, ‘শুটিং ইউনিটের কর্মী হোক কিংবা সাধারণ অভিনয়শিল্পী কাউকেই কখনো ছোট করে দেখতে না। সবার খোঁজ নিতে, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে এবং আপন করে যত্ন নিতে।’
সালমানের সেই মানবিকতাকেই তার দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে স্মরণ করেছেন শাবনূর। তার মতে, সুন্দর মনের এই মানুষটির কারণেই এত বছর পরও মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জায়গা করে আছেন তিনি।
সময়ের দূরত্ব পেরিয়ে সালমান কীভাবে এখনো তার স্মৃতিতে ফিরে আসেন, সেটিও জানিয়েছেন শাবনূর। পুরনো কোনো গান কিংবা সালমান অভিনীত কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লেই নব্বইয়ের দশকের সেই দিনগুলো যেন আবার ফিরে আসে বলে জানান তিনি। শাবনূরের কথায়, ‘পুরনো কোনো গান শুনলে কিংবা তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য চোখে পড়লে মনে হয়, তুমি যেন আবার ফিরে এসেছ সেই সোনালী দিনগুলোতে।’
প্রিয় সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও জান্নাত প্রার্থনা করেছেন শাবনূর। একই সঙ্গে সালমান শাহকে নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা অসম্মানজনক মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শাবনূর বলেন, ‘প্রিয় সালমান শাহকে নিয়ে আমরা কেউ যেন কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক মন্তব্য না করি। একজন প্রয়াত মহান শিল্পীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান সব সময় অটুট থাকুক। তার অমর স্মৃতিকে ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গেই হৃদয়ে ধরে রাখি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে মৌসুমীর বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। পর্দায় তার স্মার্ট উপস্থিতি, অভিনয়শৈলী ও আলাদা ব্যক্তিত্ব খুব দ্রুতই দর্শকের নজর কাড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর বেশির ভাগ সিনেমাই পেয়েছিল দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য। তবে তার নায়িকাদের মধ্যে শাবনূরের সঙ্গে জুটিই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের পর্দার রসায়ন নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সালমান-শাবনূর জুটি পরিণত হয়েছিল ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় জুটিতে। সালমান শাহ চলে গেছেন বহু বছর আগে। কিন্তু তার সিনেমা, গান, অভিনয় আর ব্যক্তিত্বের স্মৃতি এখনো দর্শকের কাছে জীবন্ত।
তাহলে জন্মদিন এলেই নতুন করে উচ্চারিত হয় সেই নাম—সালমান শাহ। সহকর্মীদের স্মৃতিচারণা আর ভক্তদের ভালোবাসায় আজও তিনি ফিরে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সোনালি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ২০২৬-২৭ ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হবে চার দিনের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে। এর অংশ হিসেবে ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ।
সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার পাঁচটি ভেন্যুতে, যার মধ্যে রয়েছে বিকেএসপি, পিকেএসপি ও বসুন্ধরা।
এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য হলো আরও বেশি সংখ্যক খেলোয়াড়কে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ প্রদান করা এবং জাতীয় দলের কাঠামোর বাইরে থাকা ও নিচের স্তরের লিগের খেলোয়াড়দের নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য একটি বাড়তি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল গত এপ্রিলে সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা জাতীয় দল ও প্রতিষ্ঠিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সুযোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে করা হয়েছে।
জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা নিয়মিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ও এনসিএল-এর মতো একাধিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের খেলোয়াড়দের নিজ নিজ লিগের বাইরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গত বুধবার চার দিনের এনসিএল ২৮তম আসরের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
এনসিএল ৩ অক্টোবর আটটি বিভাগীয় দলের অংশগ্রহণে আটটি ভেন্যুতে শুরু হবে এবং এটি প্রায় দুই মাস ধরে চলবে। ১৭ নভেম্বর শেষ রাউন্ডের ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটবে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এনসিএল-এর চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী রাউন্ডে মিরপুরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর মুখোমুখি হবে ঢাকার, একই দিনে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খুলনা লড়বে বরিশালের বিপক্ষে।
এছাড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম মুখোমুখি হবে রাজশাহীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগর পুলিশের প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি টুর্নামেন্টে পুরুষ বিভাগে কোতয়ালী থানা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে, আর কাউনিয়া থানা দল রানার আপ হিসেবে সম্মানিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিএমপি’র পুলিশ লাইন্স মাঠে একটি আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে মহিলা গ্রুপের প্রতিযোগিতায় কাউনিয়া থানা দল কোতয়ালী থানা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব লাভ করে। কাউনিয়া মহিলা দলের খেলোয়াড় ঝর্ণা শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের মর্যাদা অর্জন করেন।
পরে পুরুষ দলের খেলায় কোতয়ালী থানা দল ৬৫-২৪ পয়েন্টের ব্যবধানে কাউনিয়া থানা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিজয়ী দলের ইমরান শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের ট্রফি লাভ করেন।
মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মোহম্মদ ছালেহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দল এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে পারিবারিক কলহের কারণে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে, যখন তারা নিজেদের টিনশেড বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—সিদ্দিক মেম্বার (৬০), তার ছেলে সৌদি প্রবাসী মো. ইমন (২৫), দুই ভাগ্নে মো. রাজিব (৩৫) ও মো. দুলু ওরফে আরিফ (৩৬) এবং ভাতিজি তানিয়া (১৭)। রাজিব ও দুলু পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, আর তানিয়া স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দগ্ধ সিদ্দিকের মেয়ে সুলতানা জানান, তিন দিন আগে ময়লা পানি ফেলা, ঝাড়ু দেওয়া এবং চুলায় রান্না করা নিয়ে তার ছোট বোন সাথী ও মামাতো ভাবি সোনিয়ার মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
শুক্রবার তার ভাই ইমন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। ওই ঘটনার পর শনিবার বিকালে রাগের মাথায় ইমন ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে ইমনসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন।
পরে তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, ইমনের ৯০ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, দুলুর ৮ শতাংশ এবং তানিয়ার ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ